ইউজিসি অধ্যাপক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

ইউজিসি অধ্যাপক একটি সম্মানজনক পদ যা বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শিক্ষকতা, গবেষণা ও প্রকাশনা ক্ষেত্রে অনন্য অবদান রাখা বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপকদের মধ্যে যারা এসকল কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে ইচ্ছুক ও সক্ষম তাদেরকে প্রদান করা হয়।[১][২]

নিয়োগ পদ্ধতি[সম্পাদনা]

‘ইউজিসি প্রফেসরশীপ নীতিমালা’ অনুযায়ী দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত খ্যাতিমান অধ্যাপকদের এই পদে মনোনীত করা হয়। এই মনোনয়নের জন্য কোনো আবেদন আহবান করা হয় না। সাধারণত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যগণের মনোনয়নের ভিত্তিতে ইউজিসি চেয়ারম্যান, ইউজিসির পূর্ণকালীন সদস্যগণ, ইউজিসি চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত একজন উপাচার্য এবং উপাচার্যগণের মধ্য থেকে মনোনীত ইউজিসির একজন খণ্ডকালীন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি কর্তৃক ইউজিসি অধ্যাপক মনোনীত হন।[৩]

প্রদেয়সমূহ[সম্পাদনা]

বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেকশন গ্রেড প্রাপ্ত একজন অধ্যাপক সর্বোচ্চ যে সুযোগ সুবিধা পান, ইউজিসি অধ্যাপকগণও একই সুযোগ সুবিধা প্রাপ্ত হন। ইউজিসি অধ্যাপকগণ তাদের পছন্দ অনুযায়ী যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা স্বীকৃত গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযুক্ত থেকে গবেষণা কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারেন।[৪][৫]

মেয়াদ[সম্পাদনা]

প্রাথমিকভাবে একজন ইউজিসি অধ্যাপক দুই বছরের জন্য নিযুক্ত হন। তবে তা দ্বিতীয় দফায় আংশিক বা পূর্ণ মেয়াদে বর্ধিতকরণের সুযোগ রয়েছে। কোন মেয়াদে একসাথে পাঁচজনের বেশি ইউজিসি অধ্যাপক নিয়োগ দেওয়া হয় না।[৩]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "ইউজিসি প্রফেসরশিপের জন্য মনোনয়ন আহবান" (PDF)বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন। ৬ জুন ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০২১ 
  2. "'ইউজিসি প্রফেসরশিপ' মনোনীত অধ্যাপক ডা. এবিএম আবদুল্লাহ"মেডিভয়েস। ৯ আগস্ট ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০২১ 
  3. "Rules for UGC Professorships" [ইউজিসি প্রফেসরশীপের নীতিমালা] (PDF)বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০২১ 
  4. "'ইউজিসি প্রফেসর' হলেন ৪ গবেষক"জাগো নিউজ। ৬ আগস্ট ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০২১ 
  5. "'ইউজিসি প্রফেসর' হাসিনা খান"দৈনিক প্রথম আলো। ২৬ নভেম্বর ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০২১ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]