ইউক্রেনের নারী
ইউক্রেনের নারী অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, এবং সামাজিক ক্ষেত্রে পুরুষদের পাশাপাশি পরিবারে সমান সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে।
ইউক্রেনের জনসংখ্যার প্রায় ৪৫ শতাংশ (৪৫ মিলিয়ন[১]) যারা সহিংসতার শিকার - শারীরিক, যৌন বা মানসিক - বেশিরভাগই নারী।[২]
ইউক্রেনে নারীবাদের ইতিহাস
[সম্পাদনা]গত দুই শতাব্দীর ইউক্রেনের ইতিহাস রুশ সাম্রাজ্য এবং পরবর্তীতে সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। ইউক্রেন ১৯৯১ সালে স্বাধীনতা লাভ করে ও এখন ৪০ মিলিয়নেরও বেশি বাসিন্দা সহ একটি রাষ্ট্র, যাদের বেশিরভাগই খ্রিস্টান অর্থোডক্স ও জনসংখ্যার ৭০% শহুরে।[৩]
আধুনিক পশ্চিম ইউক্রেন বা গ্যালিসিয়াতে ১৯২০-এর দশকে ইউরোপের অন্যতম বৃহত্তম নারীবাদী সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।[৪] সংগঠনটিকে ইউক্রেনীয় নারূ ইউনিয়ন বলা হয় এবং এর নেতৃত্বে ছিল মিলেনা রুডনিটস্কা।[৫] সোভিয়েত যুগে নারীবাদকে একটি বুর্জোয়া আদর্শ হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছিল, তাই এটি ছিল প্রতিবিপ্লবী ও সোভিয়েত-বিরোধী।[৬] সোভিয়েত আমলে সুশীল সমাজ ও নারীবাদ কার্যত অস্তিত্বহীন ছিল।[৭] ১৯৯১ সালে ইউক্রেন স্বাধীনতা লাভের পর, একটি নারীবাদী আন্দোলন শিকড় বাঁধতে শুরু করেছিল।[৬]
২০১০ সালের হিসাবে, ইউক্রেনে বেশ কয়েকটি নারী অধিকার গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে যার মধ্যে রয়েছে ফেমিনিস্ট অফেঞ্জিভা ও ইউক্রেনীয় মহিলা ইউনিয়ন। কিয়েভের সবচেয়ে সক্রিয় নারী অধিকার সংগঠন ফেমেন ২০১৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। সংগঠনটি ইউক্রেন ত্যাগ করেছিল কারণ নেতৃত্ব "তাদের জীবন এবং স্বাধীনতার জন্য" ভয় পেয়েছিল।
২০১৪ সালে শুরু হওয়া দোনবাসে যুদ্ধের সময়, "মানবিক পদক্ষেপ ও সম্প্রদায়ের সংলাপ সংগঠিত নারীদের একটি বিশাল স্বেচ্ছাসেবক আন্দোলন" বিকশিত হয়েছিল, নারীবাদী ও শান্তি প্রতিষ্ঠার গবেষক এবং অ্যাক্টিভিস্ট ওকসানা পোটাপোভার মতে, যিনি নারীদের স্বেচ্ছাসেবক আন্দোলনের সমর্থনে থিয়েটার ফর ডায়ালগ নামে একটি বেসরকারী সংস্থা তৈরি করেন।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Ukraine country profile - Overview"। BBC News। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০১৫।
- ↑ "Kyivans join global rally to end violence against women"। Kyiv Post। ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Europe :: Ukraine — The World Factbook - Central Intelligence Agency"। CIA। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ডিসেম্বর ২০২০।
- ↑ "Halytsʹki feministky 1930-kh: natsyst·skoe "Kukhnya-Tserkva-Dity" ne dlya nas" Галицькі феміністки 1930-х: нацистське "Кухня-Церква-Діти" не для нас। Історична правда (ইউক্রেনীয় ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০১৫।
- ↑ "Lʹvivsʹki feministky. Milena Rudnytsʹka" Львівські феміністки. Мілена Рудницька (ইউক্রেনীয় ভাষায়)। ৯ ডিসেম্বর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- 1 2 De Haan, Francisca; Daskalova, Krasimira (২০০৬)। A Biographical Dictionary of Women's Movements and Feminisms: Central, Eastern and South Eastern Europe, 19th and 20th Centuries। Central European University Press। পৃ. ৪১১। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৬৩-৭৩২৬-৩৯-৪ – Google Books এর মাধ্যমে।
- ↑ Topless protesters gain fame in Ukraine[অকার্যকর সংযোগ], The Washington Post (November 19, 2010)