আহ মুন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
আহ মুন
Ah Moon.tif
প্রাথমিক তথ্য
জন্ম নামলুং সিট জা মুন
জন্ম১৯৯১ (বয়স ২৭–২৮)
মায়িতকয়িনা, কাছিন রাজ্য, মায়ানমার
ধরনপপ / ডান্স
পেশাগায়িকা, গীতিকার
কার্যকাল২০১০ – বর্তমান
লেবেলপাওয়ার মিউজিক
সহযোগী শিল্পীমি এন মা গার্লস
ওয়েবসাইটhttp://www.ahmoonmusic.com/

আহ মুন হচ্ছেন মায়ানমারের কাছিন রাজ্যের একজন গায়িকা, গীতিকার, মডেল এবং নর্তকী।[১][২][৩] তিনি একজন একক শিল্পী এবং পাশাপাশি বেশ কয়েকজন নারী শিল্পী মিলে পপ মিউজিক গ্রুপ মি এন মা গার্লস গঠন করেছেন যা মায়ানমারের প্রথম মেয়ে পপ ব্যান্ড।[৪][৫]

ক্যারিয়ার[সম্পাদনা]

আহ মুন লুং সিট জা মুন নামে মায়ানমারের কাছিন রাজ্যের মায়িতকয়িনায় জন্মগ্রহণ করেছেন।[৫] তিনি শুরু থেকেই গির্জার সঙ্গীত সম্পর্কে জানতেন, কারণ তার বাবা ছিলেন একজন ব্যাপটিস্ট মন্ত্রী ছিলেন।[৬] আহ মুন অভিনয়, গান, নাচ, ভায়োলিন এবং পিয়ানো বিষয়ে অধ্যয়ন করেছেন।[১][৭] আহ মুন পাঁচটি ভাষায় কথা করতে পারেন এবং ২০১২ সালে ইয়াঙ্গুন ইউনিভার্সিটি অফ ফরেন ল্যাংগুয়েজ থেকে রাশিয়ান ভাষায় ডিগ্রী লাভ করেছেন।[২] অতঃপর আহ মুন তার মডেলিং কর্মজীবন শুরু করেন। ২০০৯ সালে, তিনি ইয়াঙ্গুন ক্রিসমাস মডেল প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ প্রতিভা পুরস্কার জয়ল্কাভ করেছিলেন, যা তাকে গান গাওয়া শুরু করতে সাহায্য করেছিল।[৩] তিনি ২০০৯ সালে ফরাসি দূতাবাস কর্তৃক অনুষ্ঠিত মিস অ্যালায়েন্স ফ্রাঞ্জাইজ প্রতিযোগিতা জয়লাভ করেছেন।[৩]

২০১০ সালে, মায়ানমারে এসে অস্ট্রেলিয়ান নৃত্যশিল্পী নিকোল মে দ্বারা নির্মিত "দ্য টাইগার গার্ল" নামের একটি ব্যান্ড করতে রেডিও এবং সংবাদ বিজ্ঞাপনের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ১২০ জন প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজন নারী নির্বাচিত করেন যার মধ্যে একজন ছিলেন আহ মুন।[৬][৮] ২০১১ সালে, "দ্য টাইগার গার্ল" তাদের প্রথম অ্যালবাম, "ইয়ার্স অফ দ্য টাইগার গার্লস" এবং বার্মার প্রথম পপ মেয়ে ব্যান্ড হিসাবে মায়ানমার এবং আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করে।[৫] এই ব্যান্ড পরে তাদের প্রযোজক থেকে পৃথক হয়ে যায় এবং তারা একটি নতুন নাম "মি এন মা গার্লস" নামে নামান্তর করে। যা মায়ানমারের মেয়েদের জন্য একই ধ্বনি অথবা উচ্চারণবিশিষ্ট কিন্তু ভিন্নার্থক ও ভিন্নবানানবিশিষ্ট শব্দের সাথে সংস্কার করা হয়। মি এন মা গার্লস ২০১১ সালে তাদের নতুন অ্যালবাম, "মিংলাবাবার" (স্বাগতম) প্রকাশ করে।[১][৮]

এই দলটি একটি তথ্যচিত্র মিস নিকি এন্ড টাইগার গার্লস উপস্থিত হয়েছে যেটি অং সান সু চি মুক্তি পাওয়ার পর প্রকাশিত হয় এবং মায়ানমারের ২০১০ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত পরিবর্তনের প্রভাব প্রকাশ করে।[৯] ২০১৩ সালে, এই গ্রুপটি ৫ জন হতে ২ জনে অবশিষ্ট হয়ে যায় যেখানে শুধুমাত্র আহ মুন ও কিমি ছিল। ২০১৪ সালে, মায়ানমারের প্রথম ব্যান্ড হিসেবে ভিআইএমএ সঙ্গীত পুরস্কারে "গার্ল স্ট্রং"-এর জন্য "সেরা সঙ্গীত ভিডিও" বিভাগে পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়।[১]

একক ক্যারিয়ার[সম্পাদনা]

২০১৪ সালে, আহ মুন তার প্রথম বার্মিজ একক অ্যালবাম, মিন প্যা ট্যায় এ চিট প্রকাশ করে, যেটিতে বর্মী এবং ইংরেজি উভয় ভাষার গান রয়েছে।[১] এই অ্যালবামটি মায়ানমারে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বিক্রি হয়ে যায়। ২০১৫ সালে তিনি আন্তর্জাতিক নারী দিবসের জন্য ইয়াঙ্গুনের সঙ্গীত কনসার্টের জন্য অগ্রণী চরিত্রগুলোতে অভিনয় করেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Lwin Mar Htun (মে ১৮, ২০১৪)। "California Dreamin'"। MyanmarTimes। সংগ্রহের তারিখ সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৫ 
  2. Simon Roughneen (জুন ২৯, ২০১২)। "After Aung San Suu Kyi, girl band symbolizes a changing Myanmar?"। The Christian Science Monitor। সংগ্রহের তারিখ সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৫ 
  3. "Charity ambassadors"। Yoma Yangon International Marathon ‘15। ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৫ 
  4. Alexis Stephens (নভেম্বর ২১, ২০১৩)। "Myanmar's Me N Ma Girls fight all of the -isms"। MTV IGGY। সংগ্রহের তারিখ সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৫ 
  5. Nyein Nyein (জানুয়ারি ২৮, ২০১৪)। "After split, Me N Ma Girls continue with US-recorded album"। The Irrawaddy। সংগ্রহের তারিখ সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৫ 
  6. "Myanmar's first girl band pushes limits of censors, and parents"। New York Times। জানুয়ারি ৪, ২০১২। সংগ্রহের তারিখ সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৫ 
  7. "International sensation singer 'Ah Moon' beats the odds"। Indie Artist Radio। ২০১৪। আগস্ট ১৪, ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৫ 
  8. Yip Wai Yee (জুলাই ১৪, ২০১২)। "Don't call them M-pop"। The Nation। জুলাই ১৮, ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৫ 
  9. Richard Kuipers (জুলাই ২, ২০১৩)। "Sydney film review: 'Miss Nikki and the Tiger Girls'"। Variety। সংগ্রহের তারিখ সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৫