আস-সালাম মসজিদ (নঁত)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আস-সালাম মসজিদ
Mosquée Assalam de Nantes
Mosquée el-Forqan Nantes.jpg
ধর্ম
অন্তর্ভুক্তিসুন্নি ইসলাম
অবস্থান
অবস্থাননঁত, ফ্রান্স
প্রশাসনইউনিয়ন অফ ইসলামিক অর্গানাইজেশন অফ ফ্রান্স
স্থাপত্য
ধরনমসজিদ
প্রতিষ্ঠার তারিখ২০১২
ধারণ ক্ষমতা১,৫০০
ওয়েবসাইট
www.mosquee-de-nantes.com

আস-সালাম মসজিদ (ফরাসি: Mosquée Assalam de Nantes) ফ্রান্সের নঁতে অবস্থিত একটি মসজিদ। মসজিদটির নির্মাণ কাজ ২০০৯ সালে শুরু হয় এবং ২০১২ সালে শেষ হয়। এটি ফ্রান্সের ঐ অঞ্চলের বৃহত্তম মসজিদ।[১]

তহবিল[সম্পাদনা]

আস-সালাম মসজিদটির নির্মাণব্যয়ের একটি বড় অংশ মূলত দারভিশ হোল্ডিংয়ের চেয়ারম্যান, ধনী কাতারি বদের আবদুল্লাহ আল-দারভিশ দান করেছিলেন। মসজিদটি সম্পূর্ণ করার জন্য তিনি €৪.৪ মিলিয়ন ডলার দান করেছিলেন। বদের আবদুল্লাহ আল-দারভিশ কাতার জাতীয় ব্যাংকের কার্যনির্বাহী কমিটিরও একজন সদস্য। মসজিদটির সাথে সংযুক্ত সাংস্কৃতিক কেন্দ্রটি তার নামে নামকরণ করা হয়েছে আল দারভিশ আবদুল্লাহ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। অন্যান্য তহবিল ফ্রান্সের মুসলিম সম্প্রদায় থেকে এসেছিলো।[২]

প্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

মসজিদটি ইউনিয়ন অফ ইসলামিক অর্গানাইজেশন অফ ফ্রান্স (ইউওআইএফ) দ্বারা পরিচালিত। এই সংস্থাটি ফ্রান্সের প্রায় ২৫০টি মুসলিম সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব করে।

আস-সালাম মসজিদসহ ইউনিয়ন অফ ইসলামিক অর্গানাইজেশন অফ ফ্রান্স দ্বারা পরিচালিত বেশ কয়েকটি মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রসমূহে কাতার বিনিয়োগে জড়িত ছিল। এটি সমগ্র ইউরোপের এমন অনেক মসজিদের মধ্যে একটি, যার নির্মাণকাজ কাতারের অর্থায়নে পরিচালিত হয়েছে।

নির্মাণ[সম্পাদনা]

আস-সালাম মসজিদ নির্মাণের আগে ইউওআইএফকে মুসল্লিদের নামাজের উদ্দেশ্যে একটি ছোট গির্জা দেওয়া হয়েছিলো। বেশ কয়েক বছর পর, মুসল্লি সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে সেখানে আর স্থান সংকুলান না হওয়ায় একটি বৃহত্তর মসজিদ নির্মাণের জন্য নগরীর একটি বৃহৎ অঞ্চল উপলব্ধ করা হয়।[২]

ভবনটি আস-সালাম মসজিদ ও আল দারভিশ আবদুল্লাহ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এই দুটি পৃথক অংশে বিভক্ত। অংশ দুটি একটি গ্যালারি দ্বারা সংযুক্ত এবং তাদের মাঝে ঝর্ণাসহ একটি বহিঃপ্রাঙ্গণ রয়েছে।[৩]

নামাজের ঘরটিতে ১,৫০০ জন মুসল্লি একসাথে নামাজ পড়তে পারে এবং এতে একটি মিহরাব রয়েছে যা কিবলা অর্থাৎ মক্কার দিক নির্দেশ করে। মুসল্লিদের জন্য একটি প্রশান্তময় স্থান তৈরি করতে ভবনটিতে নরম প্রাকৃতিক আলোর ব্যবস্থা রয়েছে। মসজিদের মিনারটি ১৭ মিটার এবং গম্বুজটি ১৪ মিটার উঁচু।[৩]

বিতর্ক[সম্পাদনা]

মসজিদটি নির্মাণের ক্ষেত্রে কিছু বিতর্ক দেখা দেয় কারণ কেউ কেউ মনে করেন মসজিদটি নঁতে একটি গির্জার স্থান নিয়েছে। এর ফলে মসজিদটি সেন্ট-ক্রিস্টোফ চ্যাপেলটি প্রতিস্থাপন করছে কিনা তা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিলো।[২]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Magassa-Konaté, Maria। "Nantes : Assalam, une mosquée ouverte aidée par un Qatari"SaphirNews.com (ফরাসি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১২-১৬ 
  2. Vachon, Mathilde Damgé et Bastien। "A Nantes, la mosquée Assalam n'a pas remplacé une chapelle"Le Monde.fr (ফরাসি ভাষায়)। আইএসএসএন 1950-6244। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ডিসেম্বর ২০২০ 
  3. "Mosquée Assalam – Association Islamique de l'Ouest de la France"www.mosquee-de-nantes.com। ২০১৬-০৩-১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ডিসেম্বর ২০২০