আরশিয়ামা

স্থানাঙ্ক: ৩৫°০০′৫৪″ উত্তর ১৩৫°৪০′১৪″ পূর্ব / ৩৫.০১৫০৯৬° উত্তর ১৩৫.৬৭০৬৬৭° পূর্ব / 35.015096; 135.670667
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কাটসুরা নদীতীরবর্তী আরাশি (আরাশিয়ামা) পাহাড়
ইওয়াতায়ামা বানর উদ্যান
আরাশিয়ামার বাঁশবন

আরশিয়ামা (嵐山, ঝড়ো পাহাড়) জাপানের কিয়োটোর পশ্চিম উপকূলের একটি জেলা। এটি কাটসুরা নদীর তীরবর্তী আরাশ পর্বতকেও বোঝায়। এ জেলায় কাটসুরার একটি অতীত পটভূমি রয়েছে। আরশিয়ামা একটি জাতীয়ভাবে মনোনীত ঐতিহাসিক দর্শনীয় এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের স্থান। এটি কিয়োটোর দ্বিতীয় সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় জেলাও বটে। মন্দির এবং মঠ দিয়ে ভরা থাকলেও আরাশিয়ামার মূল আকর্ষণ হলো এর সুপরিচিত "আরাশিয়ামা বাঁশবন"।[১][২]

উল্লেখযোগ্য পর্যটন দৃশ্য[সম্পাদনা]

  • আরাশিয়ামা বাঁশবন
  • বানর উদ্যান; আরশিয়ামা পর্বতের ঢালে রয়েছে ইওয়াতায়ামা বানর উদ্যান। উদ্যানে ১৭০ টিরও বেশি বানর বাস করে। বানর বন্য হলেও তারা মানুষের সাথে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে। সাগা-আরশিয়ামা রেল স্টেশন থেকে অদূরেই একটি ছোট পর্বতে উদ্যানটির অবস্থান। দর্শনার্থীরা বানরের কাছে গিয়ে ছবি তোলাতে পারে। পর্বতচূড়ায় একটি বেড়া ঘের রয়েছে যেখানে দর্শনার্থীরা বানরকে খাওয়াতে পারে।
  • মুন ক্রসিং ব্রিজ (渡月橋, Togetsukyō); আরশিয়ামা পর্বত ঢাল চেরি ফুল এবং শরতের রঙিন দৃশ্যের জন্য উল্লেখযোগ্য যা এই ব্রিজ থেকে অবলোকন করা যায়।
  • হেইকের সমাধিস্থল; সাগানোর কোগোতে বীরাঙ্গনা হেইকের সমাধি রয়েছে।
  • টেনেরি-জি; জাপানের জেন বৌদ্ধধর্মের দুটি প্রধান সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি হলো টেনেরি-জি, রিনজাই স্কুলের ১৫ টি শাখার মধ্যে একটির প্রধান মন্দির এখানে।
  • কিয়োটোকি পল্লী; আতাগো পর্বতের গোড়ায় একটি ছোট্ট প্রাকৃতিক গ্রাম কিয়োটোকি পল্লী, যেখানে আছে খ্যাতনামা শিন্টো মঠের বাড়ি।
  • মাতসুনু-তাইশা; এলাকার অর্ধ মাইল দক্ষিণে রয়েছে মাতসুনু-তাইশা নামে একটি মঠ। এটি কিয়োটো অঞ্চলের প্রাচীনতম মঠগুলোর মধ্যে একটি, যা ৭০০ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
  • পাথুরে স্মারক; কামিয়েমা কোয়েনে একটি পাথুরে স্মারক রয়েছে ঝো এনালাইয়ের আরশিয়ামা সফর স্মরণে। চেরি ফুল এবং পর্বতের সবুজ রঙে তিনি বিমোহিত হয়েছিলেন। তাঁর এই সফর সম্পর্কে তিনি যে চারটি কবিতা লিখেছিলেন তা একটি পাথরের স্মৃতিস্তম্ভের উপর খোদাই করা আছে: "বৃষ্টিতে আরশিয়ামা।"
  • আকচি সানস; চলচ্চিত্র অভিনেতা ডেনজিরি আকচি-র জাপানি শৈলীর বাড়ি ও বাগান।
  • চেরি গাছ; চেরি গাছগুলো বসন্তে প্রস্ফুটিত হয় এবং শরৎকালে এর পাতা লাল হয়।

পরিবহন ও যাতায়াত[সম্পাদনা]

এটি মধ্য কিয়োটো থেকে কেইফুকু বৈদ্যুতিক রেলপথ বা কাটসুরা থেকে হানকি আরাশিয়ামা লাইন দ্বারা ওসাকা এবং কিয়োটো করাসুমা স্টেশন থেকে গমনযোগ্য। তাছাড়া, জেআর সাগা আরশিয়ামা রেল স্টেশন জেলা শহরতলিতে অবস্থিত।

মুন ক্রসিং ব্রিজ[সম্পাদনা]

টুগেট্‌সুক্যু

মুন ক্রসিং ব্রিজ বা টুগেট্‌সুক্যু হলো নদীর উপরে নির্মিত একটি সেতু। এটি ষাটটি বিচিত্র প্রাদেশিক উকিয়োই ছাপের অন্যতম বিখ্যাত দৃশ্য।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "嵐山"Agency for Cultural Affairs। ২৩ জুলাই ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ 
  2. "Arashiyama"Inside Kyoto (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-০৫ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

External links[সম্পাদনা]

৩৫°০০′৫৪″ উত্তর ১৩৫°৪০′১৪″ পূর্ব / ৩৫.০১৫০৯৬° উত্তর ১৩৫.৬৭০৬৬৭° পূর্ব / 35.015096; 135.670667 (Arashiyama Park)
৩৫°০০′৪৬″ উত্তর ১৩৫°৪০′৪০″ পূর্ব / ৩৫.০১২৮৬৪° উত্তর ১৩৫.৬৭৭৭৫° পূর্ব / 35.012864; 135.67775 (Togetsukyō)
৩৫°০১′০৮″ উত্তর ১৩৫°৪০′৫৩″ পূর্ব / ৩৫.০১৮৭৬১° উত্তর ১৩৫.৬৮১৩৮৯° পূর্ব / 35.018761; 135.681389 (JR Station)
৩৫°০০′৫৬″ উত্তর ১৩৫°৪০′৪২″ পূর্ব / ৩৫.০১৫৪৩৭° উত্তর ১৩৫.৬৭৮৩০৬° পূর্ব / 35.015437; 135.678306 (Randen Station)
৩৫°০০′৩৫″ উত্তর ১৩৫°৪০′৫৬″ পূর্ব / ৩৫.০০৯৮৫৯° উত্তর ১৩৫.৬৮২৩৪৭° পূর্ব / 35.009859; 135.682347 (Hankyū Station)