অ্যাথলেট ফুট
| অ্যাথলেট ফুট | |
|---|---|
| প্রতিশব্দ | tinea pedis, ringworm of the foot,[১] moccasin foot[২] |
| পায়ের দাদাের একটি গুরুতর অবস্থা চিত্র | |
| বিশেষত্ব | সংক্রামক রোগ |
| লক্ষণ | চুলকানি, দাগচিহ্ন, পায়ের লালভাব[৩] |
| কারণ | ছত্রাক (ট্রাইকোফাইটন, এপিডার্মোফাইটন, মাইক্রোস্পোরাম)[৪] |
| রোগনির্ণয়ের পদ্ধতি | লক্ষণগুলির উপর ভিত্তি করে কালচার বা অনুবীক্ষণযন্ত্র দ্বারা নিশ্চিত করা হয়[৪] |
| প্রতিরোধ | সর্বসাধারণের গোসলখানায় খালি পায়ে হাঁটা এড়িয়ে চলা, পায়ের নখ ছোট রাখা, যথেষ্ট বড় জুতা পরা, প্রতিদিন মোজা পরিবর্তন করা[৪][৫] |
| চিকিৎসা | ত্বকে ছত্রাকবিরোধী ঔষধ প্রয়োগ করা বা ঔষধ গ্রহণের মাধ্যমে[২][৪] |
| সংঘটনের হার | জনসংখ্যার ১৫%[২] |
অ্যাথলেট ফুট, চিকিৎসাবিজ্ঞানে টিনিয়া পেডিস নামে পরিচিত, ছত্রাক দ্বারা সৃষ্ট পায়ের একটি সাধারণ ত্বকের সংক্রমণ।[২] লক্ষণ এবং লক্ষণসমূহের মধ্যে প্রায়ই চুলকানি, দাগ দাগ, পা ফাঁটা এবং লালভাব অন্তর্ভুক্ত থাকে।[৩] বিরল ক্ষেত্রে ত্বকে ফোস্কা হতে পারে।[৬] পায়ের দাদ ছত্রাক পায়ের যেকোনো অংশকে সংক্রামিত করতে পারে তবে প্রায়শই পায়ের আঙ্গুলের মধ্যে দেখা দিতে পারে।[৩] নয়তো পরবর্তী সবচেয়ে সাধারণ আক্রান্ত এলাকাটি পায়ের নীচে হতে পারে।[৬] একই ছত্রাক নখ বা হাতকেও আক্রান্ত করতে পারে।[৪] এটি টিনিয়া নামে পরিচিত রোগের গ্রুপের সদস্য।[৭]
পায়ের দাদের ক্ষেত্রে পা বিভিন্ন ছত্রাক দ্বারা সৃষ্ট হয়,[৩] উল্লেখযোগ্য প্রজাতির মধ্যে রয়েছে ট্রাইকোফাইটন, এপিডার্মোফাইটন এবং মাইক্রোস্পোরাম।[৪] এই অবস্থাটি সাধারণত সংক্রামিত ত্বক বা পরিবেশে ছত্রাকের সংস্পর্শে এসে তৈরি হয়।[৩] সাধারণ জায়গা যেখানে ছত্রাক বেঁচে থাকতে পারে তা হল সুইমিং পুলের আশেপাশে এবং লকার রুমে।[৮] এগুলি অন্য প্রাণী থেকেও ছড়াতে পারে[৫] সাধারণত লক্ষণ ও উপসর্গের ভিত্তিতে রোগ নির্ণয় করা হয়; যাইহোক, এটি কালচার দ্বারা বা একটি মাইক্রোস্কোপ ব্যবহার করে হাইফাই দেখে নিশ্চিত করা যেতে পারে।[৪]
নাম যাই হোক না কেন, পায়ের দাদ যে কাউকে প্রভাবিত করতে পারে। প্রতিরোধের কিছু পদ্ধতির মধ্যে রয়েছে: সর্বসাধারণের গোসলখানায় খালি পায়ে না যাওয়া, পায়ের নখ ছোট রাখা, যথেষ্ট বড় জুতা পরা এবং প্রতিদিন মোজা পরিবর্তন করা।[৪][৫] সংক্রমিত হলে, পা শুকনো এবং পরিষ্কার রাখা উচিত এবং স্যান্ডেল পরা সাহায্য করতে পারে।[৩] চিকিত্সা হয় ত্বকে প্রয়োগ করা ছত্রাকবিরোধী ওষুধ যেমন ক্লোট্রিমাজল বা ক্রমাগত সংক্রমণের জন্য, টেরবিনাফাইনের মতো মুখ দিয়ে নেওয়া ছত্রাকবিরোধী ওষুধ দিয়া হতে পারে।[২][৪] ক্রিম ব্যবহার সাধারণত চার সপ্তাহের জন্য সুপারিশ করা হয়।[৪]
১৯০৮ সালে পায়ের দাদ প্রথম চিকিৎসাগতভাবে বর্ণনা করা হয়েছিল।[৯] বিশ্বব্যাপী, পায়ের দাদে জনসংখ্যার প্রায় ১৫% মানুষকে সংক্রমিত করে।[২] পুরুষের প্রায়ই মহিলাদের চেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়।[৪] এটি বয়স্ক শিশুদের বা অল্প বয়স্কদের মধ্যে প্রায়শই ঘটে।[৪] ঐতিহাসিকভাবে বিশ্বাস করা হয় যে এটি একটি বিরল অবস্থা যা ১৯০০-এর দশকে স্বাস্থ্য ক্লাবে, যুদ্ধে এবং ভ্রমণে জুতা বৃহত্তর ব্যবহারের কারণে ঘন ঘন দেখা দিত।[১০]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Rapini, Ronald P.; Bolognia, Jean L.; Jorizzo, Joseph L. (২০০৭)। Dermatology: 2-Volume Set। St. Louis: Mosby। পৃ. ১১৩৫। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪১৬০-২৯৯৯-১।
- 1 2 3 4 5 6 Bell-Syer, SE; Khan, SM; Torgerson, DJ (১৭ অক্টোবর ২০১২)। Bell-Syer, Sally EM (সম্পাদক)। "Oral treatments for fungal infections of the skin of the foot" (পিডিএফ)। The Cochrane Database of Systematic Reviews। ১০: CD০০৩৫৮৪। ডিওআই:10.1002/14651858.CD003584.pub2। পিএমসি 7144818। পিএমআইডি 23076898।
- 1 2 3 4 5 6 "Hygiene-related Diseases"। CDC। ২৪ ডিসেম্বর ২০০৯। ৩০ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জানুয়ারি ২০১৬।
- 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 Kaushik, N; Pujalte, GG; Reese, ST (ডিসেম্বর ২০১৫)। "Superficial Fungal Infections."। Primary Care। ৪২ (4): ৫০১–১৬। ডিওআই:10.1016/j.pop.2015.08.004। পিএমআইডি 26612371।
- 1 2 3 "People at Risk for Ringworm"। CDC। ৬ ডিসেম্বর ২০১৫। ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- 1 2 "Symptoms of Ringworm"। CDC। ৬ ডিসেম্বর ২০১৫। ২০ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জানুয়ারি ২০১৬।
- ↑ Moriarty, B; Hay, R; Morris-Jones, R (জুলাই ২০১২)। "The diagnosis and management of tinea"। BMJ। ৩৪৫ (7): e৪৩৮০। ডিওআই:10.1136/bmj.e4380। পিএমআইডি 22782730। এস২সিআইডি 38106083।
- ↑ Hawkins, DM; Smidt, AC (এপ্রিল ২০১৪)। "Superficial fungal infections in children"। Pediatric Clinics of North America। ৬১ (2): ৪৪৩–৫৫। ডিওআই:10.1016/j.pcl.2013.12.003। পিএমআইডি 24636655।
- ↑ Homei, Aya; Worboys, Michael (২০১৩)। Fungal disease in Britain and the United States 1850–2000 : mycoses and modernity। পৃ. ৪৪। আইএসবিএন ৯৭৮১১৩৭৩৭৭০৩৬।
- ↑ Perfect, edited by Mahmoud A. Ghannoum, John R. (২০০৯)। Antifungal Therapy.। New York: Informa Healthcare। পৃ. ২৫৮। আইএসবিএন ৯৭৮০৮৪৯৩৮৭৮৬৯।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|প্রথমাংশ1=প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক)