অসমীয়া ব্যাকরণ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

যে কোনো একটা ভাষার মূল ভিত্তি হল ব্যাকরণঅসমীয়া ভাষা সঠিক ভাবে লিপিবন্ধ এবং প্ৰকাশ করার জন্যে কতিপয় নীতি নিৰ্দেশনা সমষ্টিকেই অসমীয়া ব্যাকরণ বলা হয়। প্ৰখ্যাত লেখক সত্যনাথ বরার মতে, "যে গ্রন্থ পড়িলে অসমীয়া ভাষাতে কথা বলা এবং লিখতে শিখা যায়, তাকে অসমীয়া ভাষার ব্যাকরণ বলে[১]

অসমীয়া ভাষার ব্যাকরণ চৰ্চার ইতিহাস[সম্পাদনা]

অসমীয়া ভাষার ব্যাকরণ চৰ্চা আরম্ভ হয়েছিল প্ৰাচীন ভারতবৰ্ষের বৈদিক সাহিত্যের সাথে বিভিন্ন ব্ৰাক্ষ্মণ গ্ৰন্থের মধ্য দিয়ে। অবশ্য এটি সুনিৰ্দিষ্ট রুপ লাভ করে পাণিনির দ্বারা রচিত ‘অষ্টাধ্যায়ী’ নামে খ্যাত “শব্দানুশাসনম” নামের গ্ৰন্থের মাধ্যমে। আসামে এই ব্যাকরণ চৰ্চা আরম্ভ হয় ঊনবিংশ শতাব্দিতে, ইংরেজ গভর্নর এবং আমেরিকান মিশনারিরা আসামে আসার পর থেকে। ১৮৩৯ সালে ইংরেজ ইতিহাসবিদ উইলিয়াম রবিনসনের রচনা করা “A Grammar of the Assamese Language” নামের ব্যাকরণটি হল অসমীয়া ভাষার প্ৰথম ব্যাকরণ ।

ব্যাকরণের অন্তৰ্গত বিষয়সমূহ[সম্পাদনা]

  • বিশেষ্য:- মানুষ, স্থান, বস্তু, গুণ, অথবা কোনো ক্ৰিয়া বুঝালে ব্যবহার করা শব্দ৷
  • বিশেষণ:- বিশেষ্যের গুণ বা ধৰ্ম প্ৰকাশ করা শব্দ৷
  • সৰ্বনাম:- বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহার করা শব্দ৷ যেমন- মই(আমি), তেওঁ(তিনি), সি(সে) ইত্যাদি৷
  • ক্ৰিয়া:- যে শব্দ কোনো কাৰ্য শেষ হওয়া বুঝায় তাকে ক্ৰিয়া বলে৷
  • অব্যয়:-
  • বচন:-
  • লিঙ্গ:-
  • সমাস:-
  • বিভক্তি:-

বিভক্তির প্ৰকার[সম্পাদনা]

শব্দ বিভক্তি:- মনের ভাব প্ৰকাশ করে বাক্য ব্যবহার করতে সেই বাক্যের সাথে ক্ৰিয়া ও অন্যান্য শব্দের পারস্পরিক সংগতি বা সম্বন্ধ রাখে প্ৰাতিপদিকের পর কিছু বৰ্ণ বা বৰ্ণ সমষ্টি যোগ করা হয় । সেই বৰ্ণ বা বৰ্ণ সমষ্টিকেই শব্দ বিভক্তি বলে। শব্দ বিভক্তি ৭ প্ৰকার আছে । নিচে উল্লেখ করা হল ।

প্ৰথমা বিভক্তি – এ (ই):- (আ-কারান্ত শব্দের পরে ‘এ’ বিভক্তির জায়গায়‘ই’ যোগ হয়) যেমন :শিখা + এ = শিখাই (ই, ঈ, ঐ-কারান্ত শব্দের পরে ‘এ’ বিভক্তির জায়গায় ‘য়’ এবং উ,ঊ,ঔ-কারান্ত শব্দের পরে ‘এ’ বিভক্তির জায়গায় ‘য়’ যোগ হয়) যেমন : হরি + এ= হরিয়ে। মধু + এ= মধুয়ে।

দ্বিতীয়া বিভক্তি – ক:-

তৃতীয়া বিভক্তি – এ, ৰে, দি, দ্বাৰা, দ্বাৰায়:-

চতুৰ্থী বিভক্তি – লৈ:-

পঞ্চমী বিভক্তি – ৰ, পৰা:-

ষষ্ঠী বিভক্তি – ৰ:-

সপ্তমী বিভক্তি – ত, এ:-

চন্দ্ৰবিন্দুর ব্যবহার[সম্পাদনা]

তথ্য সূত্র[সম্পাদনা]

  1. "অসম অনলাইন ডট কম"। ১২ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ 

বহিঃ সংযোগ[সম্পাদনা]