অগ্নি সাপকোটা
অগ্নি সাপকোটা अग्नि सापकोटा | |
|---|---|
| তথ্য ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয় | |
| কাজের মেয়াদ মে ২০১১ – জুলাই ২০১১ | |
| রাষ্ট্রপতি | রাম বরন যাদব |
| পূর্বসূরী | কৃষ্ণ বাহাদুর মাহারা |
| উত্তরসূরী | পোস্ট বাহাদুর বোগাতি |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | ৭ মার্চ ১৯৬০ Kubinde, সিন্ধুপালচোক জেলা, নেপাল |
| রাজনৈতিক দল | একীকৃত নেপাল কমিউনিস্ট পার্টি (মাওবাদী) |
| দাম্পত্য সঙ্গী | তারার দেবী সাপকোটা |
| প্রাক্তন শিক্ষার্থী | ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় |
অগ্নি সাপকোটা (নেপালি: अग्नि सापकोटा) (জন্মঃ মার্চ ১৯৬০, সিন্ধুপালচক, কুবিন্দি) হচ্ছেন একজন নেপালি রাজনীতিবিদ এবং এবং বর্তমানে প্রতিনিধি সভার স্পিকার। তিনি নেপালের সিন্ধুপালচোক জেলার এক নিম্ন মধ্যবিত্ত কৃষক পরিবার থেকে এসেছেন।
কর্মজীবন
[সম্পাদনা]অগ্নি সাপকোটা ২০১৩ সালের নভেম্বরের সংঘটিত সংবিধান সভার নির্বাচনের নির্বাচিত প্রতিনিধি।[১] তিনি নেপালের মাওবাদী কমিউনিস্ট পার্টির মুখপাত্র। সাপকোটা নেপালের মাওবাদী কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং ইনচার্জ দলের প্রচার ও শিক্ষা অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল কর্তা। সাপকোটা মে থেকে জুলাই ২০১১ পর্যন্ত তথ্য ও যোগাযোগ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[২]
সাপকোটা পলিটব্যুরোর সদস্য ছিলেন এবং সেটি ছিল ২০১২ সালে নেপালের মাওবাদী কমিউনিস্ট পার্টিতে শুধু চেয়ারম্যান রাখার সিদ্ধান্তের আগে। তিনি ইতোমধ্যে পার্টির টামশিলিং রাজ্য কমিটির ইনচার্জ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
সাপকোটা এছাড়াও ঐতিহাসিক গণপরিষদের ২০০৮ সালের নির্বাচনে সিন্ধুপালচোক জেলার আসন -২ থেকে প্রথম-পাস্ট-দ্য-পোস্ট ব্যবস্থায় একজন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।[৩] তিনি গণপরিষদের নির্বাচিত প্রথম ১০ জন সদস্যের অন্যতম যারা তাদের প্রতিযোগীদের তুলনায় বৃহত্তম পার্থক্য নিয়ে জয়লাভ করেন।
ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর হিসেবে, আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে যোগ দেবার আগে সাপকোটা ১৬ বছর শিক্ষা দিয়েছিলেন। তিনি নেপালের জাতীয় শিক্ষক সমিতির (নেপালে শিক্ষকদের একটি সাধারণ সংগঠন যারা বাম মতাদর্শের বিশ্বাস করে) সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তার পেশাদারী পটভূমির কারণে তাকে ব্যাপকভাবে সারাদেশে 'অগ্নি স্যার' হিসেবে সম্বোধন করা হয।
অগ্নি সাপকোটা একজন ছাত্র কর্মী হিসেবে ১৯৭৫ সালে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। ১৯৭৮ সালে তিনি কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য পদ গ্রহণ করেন এবং ১৯৮০ সালে সিন্ধুপালচোক-এর সিপিএন (চতুর্থ কনভেনশন) এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[৪] তিনি একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধানশিক্ষক পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর ১৯৯১ সালে পূর্ণ সময়ের রাজনৈতিক কর্মী হয়ে ওঠেন। তারপর তিনি প্রতিনিধি পরিষদের প্রার্থী হন এবং দুর্ভাগ্যবশত তিনি নির্বাচিত হতে পারেননি।
সাপকোটা ১৯৯৫ সালে নেপাল (মাওবাদী) কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। যখন পার্টি সশস্ত্র সংগ্রামের সূচনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তখন তিনি ১৯৯৬ সালে গোপন কার্যকলাপে গিয়ে ক্রমাগত আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন।
সাপকোটা ১০ বছরের দীর্ঘ গণযুদ্ধের সময় দলের বিভিন্ন কমিটি ও যুদ্ধে নেতৃত্ব দেন। তিনি ২০০১ সালে দ্বিতীয় জাতীয় সম্মেলন থেকে পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য নির্বাচিত হন। মাওবাদী পার্টি থেকে অনুষ্ঠিত ২০০১ সালে সংলাপ দলের তিন সদস্যের মধ্যে তিনি ছিলেন।[৫] ১০ বছরের গণযুদ্ধের সময় মাওবাদী দল সমান্তরাল রাষ্ট্র 'সংযুক্ত বিপ্লবী পিপলস কাউন্সিল' নামে প্রয়োগ করেছেন এবং তিনি সংযুক্ত বিপ্লবী পিপলস কাউন্সিল-এর ৪১ সদস্যের কেন্দ্রীয় সদস্য ছিলেন যা নভেম্বর ২০০১ সালে ঘোষণা করা হয়।
গুরুত্বপূর্ণ কাজ
[সম্পাদনা]অগ্নি সাপকোটা খুব স্বল্প সময়ের জন্য তথ্য ও যোগাযোগ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তথ্য ও যোগাযোগ মন্ত্রী হিসেবে তার খুব অল্প সময়ের সময় একটি ফ্রিকয়েন্সি পলিসি যেমন ফ্রিকোয়েন্সি বণ্টন ব্যবস্থা রাষ্ট্রের সম্পদ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।[৬] তাছাড়া, যোগাযোগ মন্ত্রী হিসেবে, সাপকোটা সাংবাদিকদের বিভিন্ন সুবিধা যেমন তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ ও জীবন বীমার সুবিধা দিয়েছিলেন এবং প্রচার ও প্রেস উন্নয়নে রাষ্ট্রের ভূমিকা নিশ্চিত করেছিলেন।[৭]
ব্যক্তিগত জীবন
[সম্পাদনা]অগ্নি সাপকোটা সিন্ধুপালচোক জেলার কুবিন্দি গ্রাম বিকাস কেন্দ্রে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একটি কম-মধ্যবিত্ত কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তারার দেবীকে বিয়ে করেন এবং তাদের তিন ছেলে আছে। তিনি কৃষ্ণ রত্না গঙ্গা হাইস্কুল, চৌতারা থেকে তার মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষা সম্পন্ন করেন।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "জেলার জন্য ফলাফল দেখতে ক্লিক করুন"। ২ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ জানুয়ারি ২০১৪।
- ↑ "Mercantile Communications Pvt. Ltd"। Nepalnews.com। ৪ মে ২০১১। ২ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০১৫।
- ↑ "Ca Election report"। Election.gov.np। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০১৫।
- ↑ "Agni Prasad Sapkota"। Election.ujyaaloonline.com। ৭ মার্চ ১৯৫৮। ২৭ মার্চ ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০১৫।
- ↑ "History of Peace Negotiation Talk" (PDF)। Nepalconflictreport.ohchr.org। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০১৫।
- ↑ "Minister Sapkota bids farewell, says his tenure successful"। The Kathmandu Post। ২৫ জুলাই ২০১১। ২ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০১৫।
- ↑ "The case is a part of design: Sapkota"। ৩০ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ নভেম্বর ২০১৬।
- ১৯৬০-এ জন্ম
- জীবিত ব্যক্তি
- নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির (মাওবাদী-কেন্দ্র) রাজনীতিবিদ
- নেপাল কমিউনিস্ট পার্টি (নেকপা) এর রাজনীতিবিদ
- নেপালি নাস্তিক
- সিন্ধুপালচোক জেলার ব্যক্তিত্ব
- নেপালের মন্ত্রী
- ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- নেপালের ১ম সংবিধান সভার সদস্য
- নেপালের ২য় সংবিধান সভার সদস্য
- প্রতিনিধি সভার (নেপাল) সদস্য ২০১৭–২০২২