হেরম্যান ভন রম্পুই

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
হেরম্যান ভন রম্পুই
ইউরোপীয়ান কাউন্সিলের সভাপতি[১]
দায়িত্ব
অধিকৃত অফিস
১ ডিসেম্বর, ২০০৯[২]
পূর্বসূরী ফ্রেদ্রিক রাইনফেল্‌ৎ
বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী
কার্যালয়ে
৩০ ডিসেম্বর, ২০০৮ – ২৫ নভেম্বর, ২০০৯
রাষ্ট্রশাসক ২য় আলবার্ট
Deputy দিদিয়ের রেনডার্স
পূর্বসূরী ইভেস লেতার্মে
উত্তরসূরী ইভেস লেতার্মে
চেম্বার অব রিপ্রেজেনটেটিভসের সভাপতি
কার্যালয়ে
১২ জুলাই, ২০০৭ – ৩০ ডিসেম্বর, ২০০৮
পূর্বসূরী হেরম্যান দ ক্রু
উত্তরসূরী প্যাট্রিক ডিয়ায়েল
বাজেটবিষয়ক মন্ত্রী
কার্যালয়ে
৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৩ – ১২ জুলাই, ১৯৯৯
প্রধানমন্ত্রী জ্যাঁ-লুক দেহেইনে
পূর্বসূরী মাইক অফেসিয়ার্স
উত্তরসূরী জোহন ভ্যান্দে ল্যানোতে
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (১৯৪৭-১০-৩১) ৩১ অক্টোবর ১৯৪৭ (বয়স ৬৭)
ইটারবীক, বেলজিয়াম
রাজনৈতিক দল ক্রিস্টে-ডেমোক্রেটিস এন লামস
দাম্পত্য সঙ্গী গিরট্রুই উইন্ডেলস
সন্তান
অধ্যয়নকৃত শিক্ষা
প্রতিষ্ঠান
ক্যাথোলিক ইউনিভার্সিটিট লিউভেন
ধর্ম রোমান ক্যাথোলিক[৩]
স্বাক্ষর হেরম্যান ভন রম্পুই
ওয়েবসাইট Official website

হেরম্যান ভন রম্পুই (উচ্চারণ [ˈɦɛɾmɑn vɑn ˈɾɔmpœy] ( শুনুন); জন্মঃ ৩১ অক্টোবর, ১৯৪৭) ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রথম দীর্ঘমেয়াদী এবং পূর্ণকালীন সভাপতিরূপে আসীন। তাঁর পুরো নাম হেরম্যান আচিলি ভন রম্পুই[৪] তিনি বেলজিয়ামের রাজনীতিবিদ হিসেবে ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্র্যাটিক এন্ড ফ্লেমিশ পার্টির সদস্য ছিলেন। নভেম্বর, ২০০৯ সালে প্রথম স্থায়ী সভাপতি হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যভূক্ত রাষ্ট্রপ্রধানদের পক্ষ থেকে অদ্যাবধি ইউরোপীয় কাউন্সিলের দায়িত্ব পালন করছেন। পূর্বে তিনি বেলজিয়ামের ৪৯তম প্রধানমন্ত্রীরূপে ৩০ ডিসেম্বর, ২০০৮ থেকে ২৫ নভেম্বর, ২০০৯ পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন। বেলজিয়ামের রাষ্ট্রীয় সম্মানসূচক অর্ডার অব লিউপোল্ড অর্জন করেন।

শৈশবকাল[সম্পাদনা]

ব্রাসেলসের ইটারবীক এলাকায় ডক্টর (পরবর্তীতে অধ্যাপক) ভিক ভন রম্পুই এবং জার্মেইন গিন্স দম্পত্তির সন্তান ছিলেন হেরম্যান।[৫] তিনি ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত ব্রাসেলসের সিন্ট-জেন বার্খম্যান্সকলেজে অধ্যয়ন করেন। প্রাচীন গ্রীক এবং ল্যাটিন ছিল তার প্রধান ও প্রিয় বিষয়। শৈশবকালে তিনি রক এন্ড রোলের ভক্ত ছিলেন। বিশেষ করে মার্কিন গায়ক এলভিস প্রেসলি'র গানই ছিল তাঁর প্রিয়।

পরবর্তীকালে তিনি ক্যাথোলিক ইউনিভার্সিটেইট লেউভেনে পড়াশোনা করেন। সেখান থেকে ১৯৬৮ সালে দর্শন বিষয়ে স্নাতক এবং ১৯৭১ সালে প্রায়োগিক অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন।[৬]

ইউরোপীয় কাউন্সিলের সভাপতি[সম্পাদনা]

লিসবন চুক্তির পূর্ব পর্যন্ত ইউরোপীয় কাউন্সিলের সভাপতি পদটি ঘূর্ণায়মান ছিল। সদস্য দেশগুলোর প্রধানমন্ত্রীগণ প্রত্যেকে ছয় মাস মেয়াদের জন্য নিযুক্ত হতেন। এরপর থেকেই তারা আড়াই বছর মেয়াদকালে সভা আহ্বানের জন্য সভাপতি নিযুক্ত করেন যা একবার মাত্র নবায়ণযোগ্য। এটি নির্বাচনবিহীন পদ।

১৯ নভেম্বর, ২০০৯ সালে ভন রম্পুই ইউরোপীয় কাউন্সিলের সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন।[৭] লিসবন চুক্তি পরবর্তীকালে তিনিই প্রথম পূর্ণাঙ্গ মেয়াদকালীন সভাপতি হন।[৮] সংস্থার সভাপতি হিসেবে তিনি ১ ডিসেম্বর, ২০০৯ থেকে ৩১ মে, ২০১২ পর্যন্ত নিযুক্ত হন।[৯][১০] কিন্তু তিনি ১ জানুয়ারি, ২০১০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।[১১] ১ মার্চ, ২০১২ সালে হেরম্যান রম্পুই ২৭ সদস্যবিশিষ্ট ইইউ রাষ্ট্রপ্রধানদের সমর্থনে পুণরায় নির্বাচিত হন। দ্বিতীয় বারের মেয়াদকাল শেষ হবে আড়াই বছর পর যা ১ জুন, ২০১২ থেকে ৩০ নভেম্বর, ২০১৪ পর্যন্ত।[১২]

গ্রন্থপঞ্জী[সম্পাদনা]

  • De kentering der tijden, Lannoo, 1979
  • Hopen na 1984, Davidsfonds, 1984
  • Het christendom. Een moderne gedachte, Davidsfonds, 1990
  • Vernieuwing in hoofd en hart. Een tegendraadse visie, Davidsfonds, 1998
  • De binnenkant op een kier. Avonden zonder politiek, Lannoo, 2000
  • Dagboek van een vijftiger, Davidsfonds, 2004
  • Op zoek naar wijsheid, Davidsfonds, 2007

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "New EU president plans first official trip"। সংগৃহীত 2009-11-26 
  2. "Belgian ex-premier meets party chiefs as hunt begins for new PM"। সংগৃহীত 2009-11-22 
  3. "FACTBOX-Who is Herman Van Rompuy? - Industries - Financial Services & Real Estate - Reuters"। সংগৃহীত 2009-11-20 
  4. "Herman Van Rompuy"Encyclopaedia Britannica। সংগৃহীত 2010-10-30 
  5. http://www.tinevanrompuy.be Short Tine Van Rompuy biography. Retrieved on 11-1-2010 [১](nl)
  6. Herman Van Rompuy biography on the European Council website [২]. Retrieved 4-1-2010.
  7. "Tony Blair Has Dropped Out Of The Race To Be EU President As Herman Van Rompuy Gets The Nod - World News - Sky News"। সংগৃহীত 2009-11-20 
  8. "European Parliament announces new President and Foreign Affairs Minister"। সংগৃহীত 2009-12-01 
  9. Implementation of the Treaty of Lisbon. European Council, 16-11-2009. Retrieved on 6-1-2010 [৩]
  10. EU Lisbon Treaty comes into force, AFP (via Google News), December 1, 2009.
  11. Déclaration de Herman Van Rompuy, à l'issue du dîner des Chefs d'Etat ou de Gouvernement. Herman van Rompuy official website. Retrieved 6-10-2010. [৪](fr)
  12. "Van Rompuy re-elected for a second term" 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]