হুমায়ূন আহমেদের সৃষ্টিকর্ম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
হুমায়ূন আহমেদ, ২০১১

হুমায়ূন আহমেদের সৃষ্টিকর্ম বলতে বাংলাদেশের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ বিরচিত গল্প, উপন্যাস, সায়েন্স ফিকশন, গোয়েন্দা কাহিনী, আত্মজীবনীমূলক উপাখ্যান, ভ্রমণ কাহিনী, অনুবাদ, কবিতা, সঙ্গীত এবং চিত্রকর্মকে বোঝায়। তবে পরিচালক হিসাবে তিনি যে সকল নাটক ও চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন সেগুলোও তাঁর সৃষ্টি কর্মের অন্তর্ভুক্ত।

উপন্যাস[সম্পাদনা]

হিমু সংক্রান্ত উপন্যাস[সম্পাদনা]

  • ময়ুরাক্ষী
  • দরজার ওপাশে
  • হিমু
  • হিমুর হাতে কয়েকটি নীলপদ্ম
  • এবং হিমু
  • পারাপার
  • হিমুর রুপালী রাত্রি
  • একজন হিমু কয়েকটি ঝিঝি পোকা
  • হিমুর দ্বিতীয় প্রহর
  • তোমাদের এই নগরে
  • সে আসে ধীরে
  • আঙ্গুল কাটা জগলু
  • হিমু মামা
  • হিমুর বাবার কথামালা
  • হিমুর নীল জোছনা
  • হিমুর আছে জল
  • হিমু এবং একটি রাশিয়ান পরী
  • হলুদ হিমু কালো র‌্যাব
  • আজ হিমুর বিয়ে
  • হিমু রিমান্ডে
  • হিমুর মধ্যদুপুর
  • চলে যায় বসন্তের দিন
  • হিমুর একান্ত সাক্ষাৎকার ও অন্যান্য
  • হিমু এবং হার্ভার্ড পিএইচ.ডি. বল্টু ভাই

মিসির আলি সংক্রান্ত উপন্যাস[সম্পাদনা]

  • দেবী
  • নিশিথিনী
  • "নিষাদ"
  • "অন্যভুবন"
  • বৃহন্নলা
  • ভয়
  • "বিপদ"
  • "অনীশ"
  • মিসির আলির অমিমাংসিত রহস্য
  • "আমি এবং আমরা"
  • "তন্দ্রাবিলাস"
  • "আমিই মিসির আলি"
  • বাঘবন্দী মিসির আলি
  • কহেন কবি কালিদাস
  • "হরতন ইশকাপন"
  • মিসির আলির চশমা (২০০৮)
  • মিসির আলি!আপনি কোথায়? (২০০৯)
  • "মিসির আলি আনসলভ" (২০১০)
  • যখন নামিবে আঁধার (২০১২)

আত্মজীবনী[সম্পাদনা]

  • বলপয়েন্ট
  • কাঠপেন্সিল (২০১০)
  • ফাউন্টেইন পেন
  • রংপেনসিল (২০১১)
  • নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ (২০১২)
  • হোটেল গ্রেভার ইন
  • আমার ছেলেবেলা
  • হিজিবিজি (২০১৩)
  • আপনারে আমি খুঁজিয়া বেড়াই (সংকলন)
  • লীলাবতির মৃত্যু

জীবনী[সম্পাদনা]

  • "নবীজি" (২০১২) (অপ্রকাশিত ও অসমাপ্ত রচনা) [১]

চলচ্চিত্র নির্মাণ[সম্পাদনা]

টেলিভিশনের জন্য একের পর এক দর্শক-নন্দিত নাটক রচনার পর হুমায়ূন আহমেদ ১৯৯০-এর গোড়ার দিকে চলচ্চিত্র নির্মাণ শুরু করেন। তাঁর পরিচালনায় প্রথম চলচ্চিত্র আগুনের পরশমণি মুক্তি পায় ১৯৯৪ সালে। ২০০০ সালে শ্রাবণ মেঘের দিন ও ২০০১ সালেদুই দুয়ারী চলচ্চিত্র দুটি প্রথম শ্রেনীর দর্শকদের কাছে দারুন গ্রহণযোগ্যতা পায়। ২০০৩-এ নির্মান করেন চন্দ্রকথা নামে একটি চলচ্চিত্র। ১৯৭১-এ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ২০০৪ সালে নির্মান করেন শ্যামল ছায়া চলচ্চিত্রটি। এটি ২০০৬ সালে "সেরা বিদেশী ভাষার চলচ্চিত্র" বিভাগে একাডেমি পুরস্কার এর জন্য বাংলাদেশ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল।[২] এছাড়াও চলচ্চিত্রটি কয়েকটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়।[৩] তাঁর সব চলচ্চিত্রে তিনি নিজে গান রচনা করেন। ২০০৮-এ আমার আছে জল চলচ্চিত্রটি তিনি পরিচালনা করেন। ২০১২ সালে তাঁর পরিচালনার সর্বশেষ ছবি ঘেটুপুত্র কমলা (চলচ্চিত্র)

এছাড়াও হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র। এর মধ্যে ২০০৬ সালে মোরশেদুল ইসলাম পরিচালিত দুরত্ব, বেলাল আহমেদ পরিচালিত নন্দিত নরকে এবং আবু সাইদ পরিচালিত নিরন্তর। ২০০৭-এ শাহ আলম কিরণ পরিচালিত সাজঘর এবং তৌকির আহমেদ নির্মাণ করেন বহুল আলোচিত চলচ্চিত্র দারুচিনি দ্বীপ

চলচ্চিত্রের তালিকা[সম্পাদনা]

সাল চলচ্চিত্রের নাম হিসেবে
পরিচালক চিত্রনাট্য লেখক
১৯৯২ শঙ্খনীল কারাগার হ্যাঁ
১৯৯৪ আগুনের পরশমণি হ্যাঁ হ্যাঁ
১৯৯৯ শ্রাবণ মেঘের দিন হ্যাঁ হ্যাঁ
২০০০ দুই দুয়ারী হ্যাঁ হ্যাঁ
২০০৩ চন্দ্রকথা হ্যাঁ হ্যাঁ
২০০৪ শ্যামল ছায়া হ্যাঁ হ্যাঁ
২০০৬ দূরত্ব হ্যাঁ
২০০৬ নন্দিত নরকে হ্যাঁ
২০০৬ নিরন্তর হ্যাঁ
২০০৬ নয় নম্বর বিপদ সংকেত হ্যাঁ হ্যাঁ
২০০৭ দারুচিনি দ্বীপ হ্যাঁ
২০০৭ সাজ ঘর হ্যাঁ
২০০৮ আমার আছে জল হ্যাঁ হ্যাঁ
২০০৯ প্রিয়তমাষু হ্যাঁ
২০১২ ঘেটু পুত্র কমলা হ্যাঁ হ্যাঁ

নাটক[সম্পাদনা]

১৯৮০-এর দশকে বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্য নাটক রচনা শুরু করেন তিনি। এটি তাঁকে রাতারাতি জনপ্রিয় করে তোলে।

তাঁর অন্যতম ধারাবাহিক নাটক -

  • এইসব দিন রাত্রি
  • বহুব্রীহি
  • কোথাও কেউ নেই
  • নক্ষত্রের রাত
  • অয়োময়
  • আজ রবিবার
  • নিমফুল
  • তারা তিনজন
  • আমরা তিনজন
  • মন্ত্রী মহোদয়ের আগমন শুভেচ্ছার স্বাগতম

এদের বেশিরভাগই ১৯৮০ থেকে ১৯৯০ এর দশকে নির্মিত। পরবর্তি সময়ে তিনি বহু প্যাকেজ নাটক নির্মাণ করেছেন।

গান রচনা[সম্পাদনা]

হুমায়ূন আহমেদ মূলতঃ গান রচয়িতা বা গীতিকার নন। কেবল নাটক ও চলচ্চিত্রের প্রয়োজনে তিনি গান রচনা করে থাকেন। তার অনেকগুলো গান বেশ জনপ্রিয়। এসবের এ্যালবামও প্রকাশিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. amarboi.com: নবীজী - হুমায়ুন আহমেদ (অপ্রকাশিত ও অসমাপ্ত রচনা)
  2. Ershad Kamol (September 15, 2005)। "Honours Shyamol Chhaya going to the Oscars"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত 16 February, 2012 
  3. Culture (February 15, 2006)। "Honours Shyamol Chhaya going to the Oscars"The Daily Star (Dhaka, Bangladesh)। সংগৃহীত 16 February, 2012 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]