হাওয়ার্ড ফাস্ট

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

হাওয়ার্ড মেলভিন ফাস্ট (নভেম্বর ১১, ১৯১৪, নিউ ইয়র্ক সিটিমার্চ ১২, ২০০৩ ওল্ড গ্রিনউইচ) ছিলেন একজন ইহুদি মার্কিন ঔপন্যাসিক এবং টেলিভিশন লেখক। তিনি ই. ভি. কানিংহ্যাম এবং ওয়াল্টার এরিকসন ছদ্মনামেও লিখেছেন।

শুরুর জীবন[সম্পাদনা]

হাওয়ার্ড ফাস্টের মা ছিলেন একজন ব্রিটিশ ইহুদি ও বার্নি হাওয়ার্ড ছিলেন একজন ইউরোপিয়ান ইহুদি অভিবাসী। ১৯২৩ সালে ফাস্টের মা মারা যাবার পর তার ছোট ভাই জুলিয়াস আত্মীয়দের কাছে থাকতে চলে যান। হাওয়ার্ড ও তার বড় ভাই জেরোম সংবাদপত্র বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতে থাকেন। তিনি পূর্বোক্ত নিউ ইয়র্ক পাবলিক লাইব্রেরিতেও খণ্ডকালীন কাজ করতে থাকেন।

ফাস্ট অল্প বয়সে লেখা শুরু করেন। তার প্রথম উপন্যাস টু ভ্যালিস ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত হবার সময় তার বয়স ছিল আঠারো। তার প্রথম জনপ্রিয় উপন্যাস সিটিজেন টম পেইন টমাস পেইনএর জীবনীকে উপজীব্য করে লেখা। চেইনেনেস সম্প্রদায়ের নিজ ভূমিতে ফিরে আসার সংগ্রাম নিয়ে উপন্যাস ‘দি লাস্ট ফ্রন্টিয়ার’ এবং রিকন্সট্রাকশনএর সময় কৃতদাসদের নিয়ে লেখেন ফ্রিডম রোড

পেশাজীবন[সম্পাদনা]

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে ফাস্ট ইউনাইটেড স্টেটস অফিস অফ ওয়ার ইনফরমেশনভয়েস অফ আমেরিকার জন্য লেখালেখি করেন। ১৯৪৪ সালে তিনি আমেরিকার কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দেন এবং ফলস্বরূপ হাউস আন-আমেরিকান একটিভিটিস কমিটিতে তার ডাক পড়ে। তিনি স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধ চলাকালে বাবা-মা হারানো সন্তানদের জন্য খোলা তহবিলের জন্য অর্থদানকারীদের নাম বলতে অস্বীকৃতি জানান এবং তাকে তিন মাস জেলে কাটাতে হয়। জেলে থাকা অবস্থাতেই ফাস্ট তার সবচেয়ে জনপ্রিয় উপন্যাস স্পার্টাকাস লেখা শুরু করেন। রোমান কৃতদাসদের প্রতিরোধের কাহিনী নিয়ে লেখা উপন্যাসটি তাকে নিজের ছাপাখানা থেকেই প্রকাশিত করতে হয়। কালো তালিকাভূক্ত হবার কারণে উপন্যাসটি প্রকাশের সময় ই. ভি. কানিংহ্যাম ছদ্মনামে প্রকাশিত হয়। এক ই নামে পরবর্তী সময়ে তিনি জনপ্রিয় গোয়েন্দা উপন্যাস লেখা শুরু করেন যার প্রধান চরিত্রে ছিলেন একজন নিসেই গোয়েন্দা এবং সাহায্যকারী হিসেবে বেভারলি হিলস, ক্যালিফোর্নিয়ার পুলিশ বিভাগ।

উপন্যস[সম্পাদনা]

  • টু ভ্যালিস (১৯৩৩)
  • স্ট্রেঞ্জ ইয়েস্টারডে (১৯৩৪)
  • প্লেস ইন দ্য সিটি (১৯৩৭)
  • কনসিভড ইন লাইব্রেরি, ভ্যালি ফোর্জ এর উপন্যাস (১৯৩৯)
  • দি লাস্ট ফ্রণ্টিয়ার (১৯৪১)
  • দি আনভ্যাংকুইসমেণ্ট (১৯৪২)
  • সিটিজেন টম পেইন (১৯৪৩)
  • ফ্রিডম রোড (১৯৪৪)
  • দি আমেরিকান: এ মিডল ওয়েস্টার্ন লিডেণ্ড (১৯৪৬)
  • ক্লার্কটন (১৯৪৭)
  • দি চিলড্রেন (১৯৪৭)
  • মাই গ্লোরিয়াস ব্রাদার (১৯৪৮)
  • দি প্রাউড এণ্ড দি ফ্রি (১৯৫০)
  • স্পার্টাকাস (১৯৫১) ISBN 1-56324-599-X
  • দি প্যাসন অফ সাকো এণ্ড ভ্যানজেট্টি, এ নিউ ইংল্যাণ্ড লেজেণ্ট (১৯৫৩)
  • সিলাস টিম্বারম্যান (১৯৫৪)
  • দি স্টোরি অফ লোলা গ্রেগ (১৯৫৬)
  • মোজেস, প্রিন্স অফ ইজিপ্ট (১৯৫৮)
  • দি উইনস্টন এফেয়ার (১৯৫৯)
  • দি গোল্ডেন রিভার (১৯৬০)
  • এপ্রিল মর্নিং (১৯৬১)
  • পাওয়ার (১৯৬২)
  • এগ্রিপ্পা’স ডটার (১৯৬৪)
  • টর্কুয়েমাডা (১৯৬৬)
  • স্যালি (১৯৬৭)
  • দি ক্রসিং (১৯৭১)
  • দি হেসিয়ান (১৯৭২)
  • দি ইমিগ্র্যাণ্টস (১৯৭৭)
  • সেকেণ্ড জেনারেশন (১৯৭৮)
  • দি এস্টাবলিশমেণ্ট (১৯৭৯)
  • দি লিগেসি (১৯৮১)
  • ম্যাক্স (১৯৮২)
  • দি আউটসাইডার (১৯৮৪)
  • দি ইমিগ্র্যাণ্টস ডটার (১৯৮৫)
  • দি ডিনার পার্টি (১৯৮৭)
  • দি প্লেজ (১৯৮৮)
  • দি কনফেশন অফ জো কালেন (১৯৮৯)
  • দি ট্রায়াল অফ এবিগেইল গুডম্যান (১৯৯৩)
  • সেভেন ডেজ ইন জুন (১৯৯৪)
  • দি ব্রিজ বিল্ডার’স স্টোরি (১৯৯৫)
  • এন ইণ্ডিপেণ্ডেণ্ট ওম্যান (১৯৯৭)
  • রিডেম্পশন (১৯৯৯)
  • গ্রিনউইচ (২০০০) ISBN 0-15-100620-2
  • বাঙ্কার হিল (২০০১)