লিথুয়ানিয়ার রাজনীতি
| এই পাতাটি উইকিপিডিয়ার দ্রুত অপসারণের বিচারধারা অনুসারে দ্রুত অপসারণযোগ্য, কারণ এটি একটি খালি পাতা, অথবা এটি উইকিপিডিয়ার নিবন্ধের ন্যূনতম দৈর্ঘ্য পর্যন্ত পৌঁছেনি, যা পাঠককে জানার বা পাঠ করার মতো পর্যাপ্ত বিষয়বস্তু প্রদান করতে ব্যর্থ হয়েছে।
অনুগ্রহপূর্বক এই বিষয়টি মনে রাখুন যে, ‘তথ্যছক’, ‘বহিঃসংযোগ’, ‘আরও দেখুন’, ‘তথ্যসূত্র’ প্রভৃতি অনুচ্ছেদ, বিষয়শ্রেণী ও টেমপ্লেট ট্যাগ, আন্তঃউইকি সংযোগসমূহ, নিবন্ধ ও অনুচ্ছেদ শিরোনাম, ছবির ক্যাপশন, অথবা কোনো নিবন্ধের বিষয় সম্পর্কে সংযুক্ত করার প্রচেষ্টাকে নিবন্ধের উপাদান/বাক্য হিসেবে গণ্য করা হয় না। সংক্ষিপ্ত নিবন্ধের ন্যুনতম মানদণ্ড সম্পর্কে জানার জন্য অনুগ্রহপূর্বক আমাদের অসম্পূর্ণ নিবন্ধের নীতিমালা দেখুন। সাধারণত মূল নিবন্ধে বিষয়বস্তুকে সুন্দরভাবে প্রকাশ করে এমন দুই অনুচ্ছেদ লেখা বা ১৫০ শব্দ বা ১,২০০ অক্ষরবিশিষ্ট নিবন্ধকে খালি বিবেচনা করা হয় না। আরও মনে রাখবেন যে, নিবন্ধের বিষয় অবশ্যই উল্লেখযোগ্য হতে হবে ও নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে তথ্যসূত্রগুলো যাচাইযোগ্য হওয়া উচিত। অনুগ্রহপূর্বক এখানে কিছু লেখা যোগ করুন। অন্যথায় এই ট্যাগ লাগানোর দশ দিন পর এই পাতাটি অপসারণ করা হবে। এটি যদি দ্রুত অপসারণের বিচারধারা অনুসারে না হয় তবে নিবন্ধ থেকে এ নোটিশটি সরিয়ে ফেলুন, কিন্তু অনুগ্রহপূর্বক আপনার নিজের তৈরি করা নিবন্ধ থেকে এ নোটিশটি সরিয়ে ফেলবেন না। আপনি যদি পাতাটির দ্রুত অপসারণের ক্ষেত্রে দ্বিমত পোষণ করেন তবে পাতাটিতে নিচের টেমপ্লেটটি যুক্ত করুন:
‘আপত্তির কারণ’ লেখাটি আপনার আপত্তির কারণ দ্বারা প্রতিস্থাপিত করুন, এবং একই সাথে এর আলাপ পাতায় ব্যাখ্যা করুন কেন আপনি মনে করেন এই পাতাটি অপসারণ করা উচিত নয়। এর ফলে আপনার ব্যাখ্যা করার সময়টি প্রশাসকের দৃষ্টিগোচরে আসবে।
|
লিথুয়ানিয়ার রাজনীতি একটি সংসদীয় প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের কাঠামোতে পরিচালিত হয়, যেখানে লিথুয়ানিয়ার প্রধানমন্ত্রী হলেন একটি বহুদলীয় ব্যবস্থার সরকারপ্রধান।
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন সরকারের হাতে নির্বাহী ক্ষমতা ন্যস্ত। এককক্ষবিশিষ্ট আইনসভা এবং সরকার --- উভয়ের হাতে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা ন্যস্ত। লিথুয়ানিয়ার রাষ্ট্রপতি বিচারকদের নিয়োগদান করেন এবং বিচার বিভাগ নির্বাহী ও আইন প্রণয়ন বিভাগ অপেক্ষা স্বাধীন।
১৯৯২ সালের ২৫শে অক্টোবর লিথুয়ানিয়ার সংবিধান প্রণীত হয়। লিথুয়ানিয়াতে কোন একক রাজনৈতিক দলের আধিপত্য নেই। বিভিন্ন দল একত্রিত হয়ে কোয়ালিশন সরকার গঠন করে।
|
|||||