জুলিয়ান মার্লে
| জুলিয়ান মার্লে | |
|---|---|
পর্তুগালে গানের মঞ্চে |
|
| প্রাথমিক তথ্যাদি | |
| জন্ম নাম | জুলিয়ান রিকারডো মার্লে |
| আরও যে নামে পরিচিত | জু জু রয়্যাল |
| জন্ম | জুন ৪, ১৯৭৫ |
| ধরন | রেগে |
| লেবেল | টাফ গং, ঘেটো ইয়্যুথস ক্রু |
| সহযোগী শিল্পী | বব মার্লে শ্যারন, সেডেলা, জিগি, স্টিফেন, রোহান, কাই-ম্যানি ও ড্যামিয়েন মার্লে। |
জুলিয়ান মার্লে (জন্ম: ৪ জুন, ১৯৭৫) ব্রিটিশ-জ্যামাইকান রেগে সংগীতশিল্পী। বব মার্লের নবম সন্তান তিনি। মা লুসি পাউন্ডার ছিলেন বারবাডোজের। জুলিয়ান মার্লে রাসটাফারি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত আছেন।[১][২]
পরিচ্ছেদসমূহ |
জন্ম[সম্পাদনা]
১৯৭৫ সালের ৪ জুন, লন্ডনে জন্ম নেন জুলিয়ান। জুলিয়ানের জন্মের আগ থেকেই যুক্তরাজ্যে থাকতে শুরু করেছিলেন বাবা মার্লে। তাই জুলিয়ানের বেড়ে ওঠা সেখানেই। গ্রীষ্মের ছুটি পেলেই ছুটে যেতেন পিতৃভূমি জ্যামাইকায়।[১]
অ্যালবাম[সম্পাদনা]
এ পর্যন্ত তিনটি অ্যালবাম মুক্তি পেয়েছে জুলিয়ানের—
- লায়ন ইন দ্য মর্নিং (১৯৯৬),
- আ টাইম অ্যান্ড প্লেস (২০০৩) ও
- অ্যাওয়েক (২০০৯)।
এর মধ্যে অ্যাওয়েক পেয়েছিল গ্র্যামি মনোনয়ন।
বিশ্বাস ও দর্শন[সম্পাদনা]
বাবা বব মার্লে রেগে সংগীতের গায়ক ছিলেন। বব মার্লে তাঁর পুরো ক্যারিয়ারেই যুক্ত ছিলেন রাসটাফারি আন্দোলনের সঙ্গে। গানের সুরে বলতেন ভ্রাতৃত্ব, অসাম্প্রদায়িকতার কথা। বিশ্বাস করতেন, মানুষের মনে ভালোবাসা ও গান প্রবেশ করাতে পারলেই মুক্তি পাওয়া যাবে ঘৃণা থেকে। জুলিয়ান মার্লেও তাই রাসটাফারি আন্দোলনের একজন। এই বিশ্বাস ও দর্শনই তাঁকে প্রতিদিন প্রেরণা জোগায় সাধারণ মানুষকে নিয়ে গান বাঁধতে।[১]
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]
- ↑ ১.০ ১.১ ১.২ জুলিয়ানের ভালোবাসার গান এবং বাবা বব মার্লে, দৈনিক প্রথম আলো। ঢাকা থেকে প্রকাশের তারিখ: ০৪-০১-২০১৩ খ্রিস্টাব্দ।
- ↑ কাল বাবার গান করবেন জুলিয়ান মার্লে,মাহফুজ রহমান, দৈনিক প্রথম আলো। ঢাকা থেকে প্রকাশের তারিখ: ০৩-০১-২০১৩ খ্রিস্টাব্দ।
বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]
| উইকিমিডিয়া কমন্সে নিচের বিষয় সংক্রান্ত মিডিয়া রয়েছে: জুলিয়ান মার্লে |