জুগার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

আপনাকে অবশ্যই এই পরিষ্করণ টেমপ্লেটে একটি |reason= প্যারামিটার যোগ করতে হবে - এটি {{Cleanup|date=মার্চ ২০১২|reason=<এখানে কারণ লিখুন>}}-এর সাথে প্রতিস্থাপন করুন, অথবা পরিষ্করণ টেমপ্লেটটি সরান।

১৯৮৯ সালে মুক্তি পায় ডেভিড ওয়েব পরিচালিত অস্ট্রেলীয় চলচ্চিত্র 'দ্য স্যালুট অব দ্য জুগার'। যার মার্কিন নাম 'দ্য ব্লাড অব হিরোজ'। যারা এই ছবিটি দেখেছ, তাদের কী মনে আছে, সেখানে এক অদ্ভুত রকমের খেলা দেখিয়েছিলেন পরিচালক ডেভিড ওয়েব। কুকুরের খুলি নিয়ে সেই খেলায় খেলোয়াড়রা একে অপরের সঙ্গে মারামারি করত। আর সেই চলচ্চিত্র দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েই উদ্ভাবন হয় জুগার খেলাটির। সিনেমার খেলাকে বাস্তব জীবনে নিয়ে আসে জার্মানি আর যুক্তরাষ্ট্র। পরে অস্ট্রেলিয়াও যোগ দেয় তাদের সঙ্গে। এরপর খেলাটি আয়ারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, ডেনমার্ক, স্পেন, কোস্টারিকাসহ ইউরোপের বহু দেশে জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে। এই খেলাটি খেলতে দরকার পড়ে বেশকটি উপকরণের। প্রথমে দরকার পড়বে স্কাল বা খুলির। সিনেমায় কুকুরের মাথার খুলি নিয়ে খেলতে দেখা গেলেও এই স্কাল কিন্তু খুলি নয়। তবে জার্মানি ও আয়ারল্যান্ডসে সত্যি সত্যি কুকুরের খুলি থেকে বানানো বল দিয়েও কখনো কখনো খেলা হয়। তবে খুলি আকৃতির যেকোনো বল দিয়েই জুগার খেলা যায়।

দ্বিতীয়ত আসবে স্টেক বা লাঠির নাম। এমনভাবে স্টেকটি বানানো হয়, যাতে স্টেকের একটি প্রান্ত দিয়ে বল কিংবা খেলোয়াড়ের গায়ে আঘাত করা যায়। আর থাকে বিশেষ এক ধরনের গোলাকার অস্ত্র। তবে এই লাঠি কিংবা অস্ত্রটি এমনভাবে বানানো হয়, যেন কারও গায়ে আঘাত করলে ব্যথা পাওয়া না যায়। আর গোলাকার বস্তুটিকে দড়ির একপ্রান্তে ঝোলানো হয়। তবে দড়ির দৈর্ঘ্য আর বস্তুটির আয়তন কেমন হবে, তার নিয়ম একেক দেশে একেক রকম। আর এটাই ছবি খেলার সঙ্গে বাস্তবের পার্থক্য। প্রত্যেক দলে আটজন করে খেলোয়াড় থাকবেন। তবে একসঙ্গে মাঠে নামতে পারবেন পাঁচজন। তাঁদের মধ্যে একজন খেলোয়াড়ের হাতেই কেবল কোনো অস্ত্র থাকবে না। আর তারই রয়েছে খুলি ধরার অধিকার। তবে যখন যার হাতে লাঠি কিংবা অস্ত্র থাকবে না, তখনই সে খুলিটি হাতে নিতে পারবেন। আর অবশিষ্ট চারজন লাঠি কিংবা অস্ত্রটি নিয়ে মাঠে নামবেন। অবশিষ্ট তিনজন খেলোয়াড় বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামতে পারবেন।

যে মাঠে খেলা হবে তার দুই প্রান্তে দুই দলের দুটি নির্দেশক খুঁটি থাকবে। খেলার মূল লক্ষ্য হলো সেই খুঁটিতে খুলিটি স্পর্শ করানো। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যে দল যতবার খুলি দিয়ে খুঁটি স্পর্শ করাতে পারবে তারাই হবে বিজয়ী। কিন্তু যে খেলোয়াড়ের হাতে বল থাকবে, প্রতিপক্ষ তাকে লাঠি দিয়ে আঘাত করবে। আর আঘাত করার সঙ্গে সঙ্গে তাকে হাত তুলে মাঠে বসে পড়তে হবে। পরে আবার সুযোগ পাওয়া মাত্রই উঠে দাঁড়িয়ে খেলা শুরু করা যাবে।