ঘুষি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ঘুষি
ঘুষি
মার্কিন সেনা খোঁচা ঘুষি মারছে।
বর্ণনা ঘুষির বিভিন্ন নাম
ইংরেজি USA পাঞ্চ
জাপানিজ Japon জুকি
চাইনিজ Chine চয়
কোরিয়ান Corée কোয়ান
থাইল্যান্ড Thailand চক
বার্মিজ Burma লাত্ত-দি
ভিয়েতনামিজ Vietnam থই-সন
পাকিস্তানি Pakistan মুক্কা
বাংলাদেশি Bangladesh ঘুষি


মুষ্টিবদ্ধ হাতের আঘাতই হচ্ছে ঘুষি। হাতে হাতে যুদ্ধে ঘুষি সবচে বেশি ব্যবহিত হয়। বিভিন্ন ধরনের মার্শাল আর্টে ঘুষি ব্যবহিত হয়, লক্ষণীয় মুষ্টি যুদ্ধে ঘুষিই একমাত্র কৌশল।খেলোয়াড়দের রক্ষা করার জন্য অনেক সময় খেলায় দস্তানা ব্যবহিত হয়। বিভিন্ন মার্শাল আর্টে ঘুষি বিভিন্ন রকম। মুষ্টিযুদ্ধ এবং রাশিয়ান মুষ্টিযুদ্ধে শুধু মাত্র ঘুষি ব্যবহিত হয় কিন্তু কিকবক্সিং বা কারাতেতে ঘুষি অপ্রধান অস্ত্র হিসেবে বেবহেত হয়। অন্যান্য মার্শাল আর্ট যেমন মল্লযুদ্ধ বা জুডোতে ঘুষি কখনই ব্যবহিত হয়না।বিভিন্ন ধরনের ঘুষি আছে ফলে ঘুষির বিভিন্ন কৌশল গড়ে উঠেছে।

পরিচ্ছেদসমূহ

মৌলিক নিদর্শন [সম্পাদনা]

ইহা ঘুষির সর্বব্যাপী তালিকা নয় কারণ বিভিন্ন ধরনের মার্শাল আর্টে ঘুষির বিভিন্ন কৌশল ব্যবহিত হয়।

নাম ১ নাম ২ বর্ণনা
বাহু ঘুষি প্রতিযোগিতা মূলক খেলায় যে ঘুষিটা বাহু দ্বারা ব্যবহিত হয়। বাহু ঘুষি সাধারণ ঘুষি থেকে দুর্বল হয়।
পশ্চাৎ মুস্তি ঘুষিটা মুষ্টির পশ্চাৎ দিয়ে মারা হয়।
প্রকোষ্ঠ ঘুষি সাধারণত কারাতে,কুংফু এবং তায়কোয়ান্দোতে ব্যবহিত হয়।
খোঁচা ঘুষি দ্রুততার সাথে আত্মরক্ষামূলক হাত দিয়ে ঘুষিটাই খোঁচা ঘুষি।
হাতুড়ি মুষ্টি লক্ষ্যবস্তুতে হাতের পার্শ্বদেশ বা কব্জি দিয়ে হাতুড়ির মত মারাকে হাতুড়ি ঘুষি বলে।
আংটা ঘুষি উলটো মুষ্টির ঘুষিকে আংটা ঘুষি বলে।
উত্থান ঘুষি ঘুষিটা উপরের দিকে উঠে। মুলত, থুতনির নিচে।
অতিমানব ঘুষি এই কৌশলটি সাধারণত মুই থাই,কারাতে এবং মিক্স মার্শাল আর্টে ব্যবহিত হয়। খেলোয়াড়েরা পায়ে ভর দিয়ে উড়ে এসে ঘুষি দেয়। যে কারনে এর নাম হয়েছে সুপারম্যান বা অতিমানব ঘুষি।

পদ্ধতি [সম্পাদনা]

তলপেটে ঘুষির চিত্র

মুষ্টিযুদ্ধ [সম্পাদনা]

মুষ্টিযুদ্ধে ঘুষি ব্যবহিত হয় সাধারণত আক্রমনের গতি এবং নির্দেশনার সাথে। প্রধান ৪ টি ঘুষি হচ্ছে খোঁচা ঘুষি, ক্রস ঘুষি, আংটা ঘুষি, উত্থান ঘুষি

একজন কারাতেকা বিপরীত ঘুষি বা গ্যাকু-জুকি মারছে।

কারাতে [সম্পাদনা]

সেইকেন

কারাতেতে ঘুষিকে জুকি বলে। আঙ্গুলের সামনের ২ টি গাঁট দিয়ে মারাকে বলা হয় সেইকেন। হাতের পৃষ্টদেশ দিয়ে মারাকে বলা হয় উরাকেন এবং হাতের নিম্মদেশ দিয়ে মারাকে বলা হয় তেতসুই। সামনের হাতের খোঁচা ঘুষিকে অই-জুকি, সোজা ঘুষিকে ছকু-জুকি, বিপরীত হাতের সোজা ঘুষিকে গ্যাকু-জুকি বলা হয়। [১] [২]

[৩]

তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]