কিওক্রাডাং
|
|
এই নিবন্ধের যাচাইযোগ্যতার জন্য অতিরিক্ত তথ্যসূত্র প্রয়োজন। (ফেব্রুয়ারি ২০১২) |
কেওক্রাডাং বা কিওক্রাডং, যা কেওকারাডং নামে সুপরিচিত, বাংলাদেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় জেলা বান্দরবানে অবস্থিত। এক সময় এটিই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ ছিল। আধুনিক গবেষণায় এই তথ্য ভুল প্রমাণিত হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তাজিং ডং। অবশ্য এখনও অনেক নির্ভরযোগ্য সূত্রে কিওক্রাডাংকে সর্বোচ্চ হিসেবে উল্লেখ করা হয়, যা সম্পূর্ণ ভুল। এমনকি বাংলাদেশের বিভিন্ন পাঠ্যপুস্তক এবং সিআইএ ওয়ার্ল্ড ফ্যাক্টবুকে এখনও একে সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।
পরিচ্ছেদসমূহ |
অবস্থান ও উচ্চতা [সম্পাদনা]
কিওক্রাডাং বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় অবস্থিত। অর্থাৎ বান্দরবানেরও দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত। এর ভৌগোলিক স্থানাংক হচ্ছে । একসময় যখন একে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মনে করা হতো তখন এর উচ্চতা পরিমাপ করা হয়েছিল ১,২৩০ মিটার।[১] কিন্তু অধুনা রাশিয়া কর্তৃক পরিচালিত এসআরটিএম উপাত্ত এবং জিপিএস গণনা থেকে দেখা গেছে এর উচ্চতা ১,০০০ মিটারের বেশি নয়। শৃঙ্গের শীর্ষে সেনাবাহিনী কর্তৃক উৎকীর্ণ যে ফলক দেখা যায় তাতে এর উচ্চতা লেখা হয়েছে ৩,১৭২ ফুট। জিপিএস সমীক্ষায় উচ্চতা পাওয়া গেছে ৯৭৪ মিটার (৩,১৯৬ ফুট)। এই পরিমাপটি রুশীয় পরিমাপের সাথে খাপ খায়। এসআরটিএম উপাত্ত এবং মানচিত্রের মাধ্যমে এই পরিমাপ করা হয়েছে। অবশ্য বর্তমানে রুশীয় এসআরটিএম উপাত্ত এবং ইউএসজিএস-এর মাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে কিওক্রাডাং-এর প্রকৃত অবস্থান এটি নয় (উপরে উল্লেখিত ভৌগোলিক স্থানাংকে নয়)। তারা এ স্থান থেকে আরও উত্তরে কেওক্রাডাং-এর অবস্থান সনাক্ত করেছেন এবং এর উচ্চতা ৮৮৩ মিটার পরিমাপ করেছেন।[২]
নামকরণ [সম্পাদনা]
কিওক্রাডং শব্দটি মারমা ভাষা থেকে এসেছে। মারমা ভাষায় কিও মানে 'পাথর', ক্রো মানে 'পাহাড়' আর এবং ডং মানে 'সবচেয়ে উঁচু'। অর্থাৎ কিওক্রাডং মানে সবচেয়ে উঁচু পাথরের পাহাড়।
তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]
- ↑ CIA: the World Factbook
- ↑ http://www.viewfinderpanoramas.org/drg/tazingdong.jpg - রুশীয় ম্যাপিংয়ের মানচিত্র।
আরও দেখুন [সম্পাদনা]
বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]
| উইকিমিডিয়া কমন্সে নিচের বিষয় সংক্রান্ত মিডিয়া রয়েছে: কিওক্রাডাং |
- www.viewfinderpanoramas.org - রুশীয় ম্যাপিংয়ের চিত্র।
- মো: মাহবুবুল আমিন মজুমদারের লেখায় কেওক্রাডাং ভ্রমণের অভিজ্ঞতা