উভকামিতা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

উভকামী গৌরব পতাকা
যৌন প্রবৃত্তি
প্রবৃত্তি
অযৌন • উভকামী • বিষমকামী • সমকামী • সর্বকামী
লিঙ্গভিত্তিক বিকল্প ধারণা
পুরুষ যৌনতার অপাশ্চাত্যায়িত ধারণা • তৃতীয় লিঙ্গ • টু-স্পিরিট
গবেষণা
জীববিজ্ঞান • জনতত্ত্ব • পরিবেশ • কিনসলে মাপকাঠি • ক্লেইন যৌন প্রবৃত্তি গ্রিড • অ-বিষমকামী • এলজিবিটি গবেষণা • যৌনতত্ত্ব
তালিকা
যৌন প্রবৃত্তির তালিকা
এলজিবিটি প্রবেশদ্বার • যৌনতা প্রবেশদ্বার

উভকামিতা (ইংরেজি: Bisexuality বাইসেক্‌শুয়্যালিটি) বলতে বিশেষ একটি যৌন প্রবণতা[১] বোঝায় যখন একজন মানুষ, নারী ও পুরুষ, উভয় লিঙ্গের প্রতিই যৌন আকর্ষণ অনুভব করে। এরূপ মানুষ সমলিঙ্গ ও বিপরীত লিঙ্গ উভয়ের সঙ্গে যৌনক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক হলে এবং এরূপ যৌনমিলনের মাধ্যমে যৌনানন্দ লাভে সক্ষম হলে তাকে বলা হয় উভকামী। কার্যতঃ উভকামিতা মানুষের দুটি প্রধান যৌনপ্রবৃত্তি বিষমকামিতাসমকামিতার উভয়ের সমন্বয়। যে সকল ব্যক্তির মধ্যে উভকামী যৌনপ্রবৃত্তি লক্ষিত হয়, তাঁরা "তাঁদের স্বলিঙ্গ এবং একই সঙ্গে বিপরীত লিঙ্গের ব্যক্তিদের প্রতি যৌন, আবেগ ও স্নেহজাত আকর্ষণ অনুভব করেন"; "এছাড়াও এই প্রবৃত্তি এই ধরনের আকর্ষণের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত ও সামাজিক পরিচিতি, এই জাতীয় আচরণ এবং সমজাতীয় ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত সম্প্রদায়ের সদস্যতাটিও নির্দেশ করে।"[২] বিষমকামিতাসমকামিতার সঙ্গে উভকামিতা যৌন প্রবৃত্তির প্রধান তিনটি বর্গের অন্যতম। [৩] মধ্য-বিংশ শতাব্দীতে আলফ্রেড কিনসলে মানব যৌনতা সংক্রান্ত যে সমীক্ষাটি চালান, সেই সমীক্ষা থেকে জানা যায় যে অনেক ব্যক্তিই বিষমকামী বা সমকামী শ্রেণীবিভাজনের আওতাভুক্ত নন; বরং তাঁদের যৌন অবস্থান এই দুই শ্রেণীর মাঝামাঝি কোথাও।[৪] কিনসলে স্কেল অনুসারে যৌন আকর্ষণ ও আচরণ স্কেলটিতে ০ (একান্ত বিষমকামী) থেকে ৬ (একান্ত সমকামী) সাতটি দাগ বিদ্যমান। কিনসলের গবেষণা অনুযায়ী, অধিকাংশ মানুষই এই স্কেলে ১ থেকে ৫ (অর্থাৎ, বিষমকামী থেকে সমকামী) দাগের মধ্যে পড়েন। কিনসলের পদ্ধতি সমালোচিত হলেও মানব যৌনতার অনবচ্ছেদ ব্যবস্থায় এটির ব্যাপক প্রয়োগ ঘটানো হয়ে থাকে।

মানবসভ্যতার বিভিন্ন সমাজব্যবস্থায়[৫] এবং প্রাণীরাজ্যের অন্যত্রও[৬][৭][৮] লিখিত ইতিহাসের সমগ্র সময়কাল জুড়ে উভকামিতার উপস্থিতি লক্ষিত হয়। বাইসেক্সুয়ালিটি শব্দটি যদিও ঊনবিংশ শতাব্দীতে হেটেরোসেক্সুয়ালিটিহোমোসেক্সুয়ালিটি শব্দদুটির আদলে ব্যুৎপন্ন হয়।[৯]

সূচিপত্র

[সম্পাদনা] তথ্যসূত্র

  1. A study of the married bisexual male: paradox and resolution
  2. APA Help Center
  3. উল্লেখ্য যে, যে সকল ব্যক্তিরা নারী বা পুরুষ কোনো লিঙ্গের প্রতিই যৌন আকর্ষণ বোধ করেন না, তাঁদের অযৌনতাকামী বলে অভিহিত করা হয়।
  4. The Kinsey Institute - Kinsey Study Data [Research Program]
  5. Crompton, Louis (2003)। Homosexuality and Civilization। Cambridge, Massachusetts, Belknap Press প্রকাশিত।। ISBN 067401197X 
  6. Bagemihl, Bruce (1999)। Biological Exuberance: Animal Homosexuality and Natural Diversity। London, Profile Books, Ltd. প্রকাশিত।। ISBN 1861971826 
  7. Roughgarden, Joan (May 2004)। Evolution's Rainbow: Diversity, Gender, and Sexuality in Nature and People। Berkeley, CA, University of California Press প্রকাশিত।। ISBN 0520240731 
  8. Driscoll, Emily V.. “Bisexual Species: Unorthodox Sex in the Animal Kingdom”, Scientific American, July 2008। 
  9. Harper, Douglas (11 2001)। BisexualityOnline Etymology Dictionary। 2007-02-16 তারিখে সংগৃহীত।

[সম্পাদনা] গ্রন্থপঞ্জি

[সম্পাদনা] সাধারণ

[সম্পাদনা] প্রাচীন গ্রীস

  • Kenneth J. Dover. Greek Homosexuality, New York; Vintage Books, 1978. ISBN 0-394-74224-9
  • Thomas K. Hubbard. Homosexuality in Greece and Rome, U. of California Press, 2003. ISBN 0-520-23430-8
  • Herald Patzer. Die Griechische Knabenliebe [Greek Pederasty], Wiesbaden: Franz Steiner Verlag, 1982. In: Sitzungsberichte der Wissenschaftlichen Gesellschaft an der Johann Wolfgang Goethe-Universität Frankfurt am Main, Vol. 19 No. 1.
  • W. A. Percy III. Pederasty and Pedagogy in Archaic Greece, University of Illinois Press, 1996. ISBN 0-252-02209-2

[সম্পাদনা] দেশভিত্তিক

[সম্পাদনা] আধুনিক পশ্চিম

[সম্পাদনা] চলচ্চিত্র

  • Bryant, Wayne M.. Bisexual Characters in Film: From Anais to Zee. Haworth Gay & Lesbian Studies, 1997. ISBN 1-56023-894-1

[সম্পাদনা] বহির্সংযোগ

Wikiquote-logo-en.png
উইকিউক্তিতে নিচের বিষয় সম্পর্কে সংগৃহীত উক্তি আছে: