সমকামিতা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সমকামী সংগঠকদের রঙধনু পতাকা
যৌন প্রবৃত্তি
প্রবৃত্তি
অযৌন • উভকামী • বিপরীতকামী • সমকামী • সর্বকামী
লিঙ্গভিত্তিক বিকল্প ধারণা
পুরুষ যৌনতার অপাশ্চাত্যায়িত ধারণা • তৃতীয় লিঙ্গ • টু-স্পিরিট
গবেষণা
জীববিজ্ঞান • জনতত্ত্ব • পরিবেশ • কিনসলে মাপকাঠি • ক্লেইন যৌন প্রবৃত্তি গ্রিড • অ-বিপরীতকামী • এলজিবিটি গবেষণা • যৌনতত্ত্ব
তালিকা
যৌন প্রবৃত্তির তালিকা
এলজিবিটি প্রবেশদ্বার • যৌনতা প্রবেশদ্বার

সমকামিতা (ইংরেজি: Homosexuality, হোমোসেক্‌শুয়্যালিটি) একটি যৌন প্রবৃত্তি, যার দ্বারা সমলিঙ্গের ব্যক্তির প্রতি যৌন আকর্ষণ বোঝায়। এইরূপ আকর্ষণের কারণে সমলিঙ্গীয় মানুষের মধ্যে প্রেম বা যৌনসম্পর্ক ঘটতে পারে। প্রবৃত্তি হিসেবে সমকামিতা বলতে বোঝায় মূলত সমলিঙ্গের ব্যক্তির প্রতি "এক যৌন, স্নেহ বা প্রণয়ঘটিত এক ধরনের স্থায়ী ও প্রাকৃত প্রবণতা"। এই ধরনের সম্পর্কের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা ব্যক্তিগত বা সামাজিক পরিচিতি, এই ধরনের আচরণ এবং সমজাতীয় ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত এক সম্প্রদায়ের সদস্যতাও নির্দেশিত হয়।"[১][২]

শব্দতত্ত্ব[সম্পাদনা]

সমকামিতার ইংরেজি প্রতিশব্দ হোমোসেক্সুয়ালিটি তৈরি হয়েছে গ্রিক ‘হোমো’ এবং ল্যাটিন ‘সেক্সাস’ শব্দের সমন্বয়ে। গ্রিক ভাষায় ‘হোমো’ বলতে বোঝায় ‘সমধর্মী’ বা ‘একই ধরণের’। আর সেক্সাস শব্দটির অর্থ হচ্ছে যৌনতা। কাজেই একই ধরনের অর্থাৎ, সমলিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ বোধ করার (যৌন)প্রবৃত্তিকে বলে হোমোসেক্সুয়ালিটি [৩][২]। বাংলায় ‘সমকামিতা’ শব্দটি এসেছে বিশেষণ পদ –‘সমকামী’ থেকে। আবার সমকামী শব্দের উৎস নিহিত রয়েছে সংস্কৃত ‘সমকামিন’ শব্দটির মধ্যে। যে ব্যক্তি সমলৈঙ্গিক ব্যক্তির প্রতি যৌন আকর্ষণ বোধ করে তাকে ‘সমকামিন’ বলা হত। সম এবং কাম শব্দের সাথে ইন প্রত্যয় যোগ করে ‘সমকামিন’ (সম + কাম + ইন্) শব্দটি সৃষ্টি করা হয়েছে [৪]

‘হোমোসেক্সুয়াল’ শব্দটি ইংরেজিতে প্রথম ব্যবহার করেন কার্ল মারিয়া কার্টবেরি ১৮৬৯ সালে। পরে জীববিজ্ঞানী গুস্তভ জেগার এবং রিচার্ড ফ্রেইহার ভন ক্রাফট ইবিং ১৮৮০’র দশকে শব্দটিকে ব্যবহার করার মাধ্যমে শিক্ষায়তন এবং সাধারণদের মধ্যে জনপ্রিয় করেন।

বর্তমানে হোমোসেক্সুয়াল শব্দটি একাডেমিয়ায় কিংবা চিকিৎসাবিজ্ঞানে ব্যবহৃত হলেও সাড়া বিশ্ব জুড়ে সমকামীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ‘গে’ এবং লেসবিয়ান’ শব্দদুটি অধিক হারে প্রচারমাধ্যমে ব্যবহৃত হয়। পশ্চিমে ‘গে’ শব্দটি প্রথম ব্যবহৃত হতে দেখা যায় ১৯২০ সালে। তবে সে সময় এটির ব্যবহার একেবারেই সমকামীদের নিজস্ব গোত্রভুক্ত ছিলো। মুদ্রিত প্রকাশনায় শব্দটি প্রথম ব্যবহৃত হতে দেখা যায় ১৯৪৭ সালে। লিসা বেন নামে এক হলিউড সেক্রেটারী ‘Vice Versa: America’s Gayest Magazine’ নামের একটি পত্রিকা প্রকাশের সময় সমকামিতার প্রতিশব্দ হিসেবে ‘গে’ শব্দটি ব্যবহার করেন, যদিও সে সময় ‘গে’ শব্দটি ‘হাসি খুশি’ অর্থেই ব্যবহৃত হত। আর ‘লেসবিয়ান’ শব্দটি এসেছে গ্রিস দেশের ‘লেসবো’ নামের দ্বীপমালা থেকে। কথিত আছে, খ্রীষ্টপূর্ব ছয় শতকে স্যাপো নামে সেখানকার এক শিক্ষিকা মেয়েদের মধ্যকার প্রেমময় জীবন নিয়ে কাব্য রচনা করে ‘কবিতা উৎসব’ পালন করেছিলেন। প্রথম দিকে লেসবিয়ান বলতে ‘লেসবো দ্বীপের অধিবাসী’ বোঝালেও, পরবর্তীতে নারীর সমপ্রেমের সাথে এটি যুক্ত হয়ে যায়।

প্রাণিজগতে সমকামিতা[সম্পাদনা]

সমকামিতার ব্যাপারটি আধুনিক জীববিজ্ঞানীরা একটি নিখাঁদ বাস্তবতা বলেই মনে করেন[৫]। জীববিজ্ঞানী ব্রুস ব্যাগমিল তার ‘বায়োলজিকাল এক্সুবারেন্স : এনিমেল হোমোসেক্সুয়ালিটি এন্ড ন্যাচারাল ডাইভার্সিটি’ বইয়ে প্রায় পাঁচশ প্রজাতিতে সমকামিতার অস্তিত্বের উদাহরণ লিপিবদ্ধ করেছেন [৬]। সামগ্রিকভাবে জীবজগতে ১৫০০ রও বেশী প্রজাতিতে সমকামিতার অস্তিত্ব প্রমাণিত[৭]। তালিকায় স্তন্যপায়ী প্রাণী থেকে শুরু করে পাখি, মাছ, সরীসৃপ, উওভচর, কীটপতঙ্গ সবই আছে। বিজ্ঞানীরা এখন মনে করেন, পৃথিবীতে আসলে এমন কোন প্রজাতি নেই যেখানে সমকামিতা দেখা যায় না [৮][৩]। সমকামিতা ছাড়াও প্রাণিজগতে উভকামিতা এবং রূপান্তরকামিতারও বহু প্রমাণ পাওয়া গেছে [৯]

মানব সমাজে সমকামিতা[সম্পাদনা]

বিপরীতকামী-সমকামী অনবচ্ছেদ অনুসারে যৌন প্রবৃত্তির প্রধান তিনটি বর্গের অন্যতম হল সমকামিতা (অপর বর্গদুটি হল উভকামিতাবিপরীতকামিতা)। বিভিন্ন কারণে গবেষকেরা সমকামীরূপে চিহ্নিত ব্যক্তির সংখ্যা বা সমলৈঙ্গিক যৌন সম্পর্কে অভিজ্ঞতাসম্পন্নদের অনুপাত নির্ধারণ করতে সক্ষম হন নি।[১০]

আধুনিক পাশ্চাত্য জগতে বিভিন্ন প্রধান গবেষণার ফলে অনুমিত হয় সমকামী বা সমলৈঙ্গিক অভিজ্ঞতাসম্পন্নরা মোট জনসংখ্যার ২% থেকে ১৩%।[১১][১২][১৩][১৪][১৫][১৬][১৭][১৮][১৯][২০][২১] ২০০৬ সালের একটি গবেষণায় দেখা যায়, জনসংখ্যার ২০% নাম প্রকাশ না করে নিজেদের মধ্যে সমকামী অনুভূতির কথা স্বীকার করেছেন; যদিও এই গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে খুব অল্পজনই নিজেদের সরাসরি সমকামীরূপে চিহ্নিত করেন।[২২]

মানবজাতির সামগ্রিক ইতিহাসে সবসময়ই সমকামিতার অস্তিত্ব ছিলো। সমকামীদের সন্ধান মিলবে পৃথিবীর সর্বত্র, প্রতিটি যুগে প্রতিটি সময়ে কিংবা প্রতিটি স্থানেই।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] কোন কোন জায়গায় সমকামিতা রীতিমত উদযাপন করা হত সংস্কৃতির অংশ হিসেবেই। প্রাচীন গ্রীসে পাইদেরাস্ত্রিয়া, কিংবা এরাস্তেস এবং এরোমেনোস-এর সম্পর্কগুলো উল্লেখযোগ্য। সমকামিতার প্রছন্ন উল্লেখ আছে প্রাচীন বহু সাহিত্যে। হোমারে বর্ণিত আকিলিস এবং পেট্রোক্লুসের সম্পর্ক, প্লেটোর দার্শনিক গ্রন্থ সিম্পোজিয়ামে ফায়াডেরাস, পসানিয়াস, এগাথন, অ্যারিস্টোফেনেস, এরিক্সিমাচুসের নানা বক্তব্য এবং সক্রেটিসের সাথে আলকিবিয়াডসের প্লেটোনিক সম্পর্ককে বহু বিশেষজ্ঞ সমকামিতার দৃষ্টান্ত হিসেবে হাজির করেন। খ্রীস্টপূর্ব ছয় শতকের গ্রিসের লেসবো দ্বীপের উল্লেখযোগ্য বাসিন্দা স্যাপো নারীদের নিয়ে, তাদের সৌন্দর্য নিয়ে কাব্য রচনা করেছেন [২৩]। এই লেসবো থেকেই লেসবিয়ান (নারী সমকামিতা) শব্দটি এসেছে। বহু রোমান সম্রাট - যেমন জুলিয়াস সিজার, হাড্রিয়ান, কমোডাস, এলাগাবালাস, ফিলিপ দ্য এরাবিয়ান সহ অনেক সম্রাটেরই সমকামের প্রতি আসক্তি ছিলো বলে ইতিহাসে উল্লিখিত আছে[২৪]। রেনেসাঁর সময় বহু খ্যাতনামা ইউরোপীয় শিল্পী যেমন, দোনাতেল্লো, বত্তিচেল্লী, লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি এবং মাইকেলেঞ্জেলোর সমকাম প্রবণতার উল্লেখ আছে [২৫]। চৈনিক সভ্যতা এবং ভারতীয় সংস্কৃতিতেও সমকামিতার উল্লেখ পাওয়া যায়। যেমন বিষ্ণুর মোহিনী অবতাররূপে ধরাধামে এসে শিবকে আকর্ষিত করার কাহিনী এর একটি দৃষ্টান্ত। বিষ্ণু (হরি) এবং শিবের (হর) মিলনের ফসল অয়াপ্পানকে হরিহরপুত্র নামেও সম্বোধন করা হয়। এ ছাড়া অষ্টাবক্র, শিখন্ডী এবং বৃহন্নলার উদাহরণগুলো সমকামিতা এবং রূপান্তরকামিতার দৃষ্টান্ত হিসেবে প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্যে উঠে এসেছে [২৬]

সমকামিতার সামাজিকতা[সম্পাদনা]

মানবজাতির লিখিত ইতিহাসের সমগ্র সময়কাল জুড়ে সমকামী সম্পর্ক ও আচরণ নিন্দিত হয়ে এসেছে। তবে কখনো-কখনো সামাজিক ঔদার্য ও আনুকূল্যও পরিলক্ষিত হয়েছে। বলা হয়, এই প্রশংসা ও নিন্দা নির্ভর করেছে সমকামিতার বহি:প্রকাশের রূপ বা সমকালীন সাংস্কৃতিক মানসিকতার উপর। তবে অধিকাংশ সমাজেই সমকামী আচরণকে দণ্ডণীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। এমনকি বহু দেশে সমকামী আচরণের অপরাধে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার বিধানও রাষ্ট্রিয়ভাবে চালু আছে।

সমকামিতা আবহমানকাল ধরে অসামাজিক বিবেচিত হয়েছ এর যৌক্তিক কারণ হলো এই যে, এটি এমন একটি যৌনাচরণ যার মাধ্যমে সন্তান জন্ম দান সম্ভব নয়, ফলে মানুষের বংশরক্ষা সম্ভব নয়। এছাড়া সকল প্রধান ধর্ম সমকামী যৌনাচরণ নিষিদ্ধ করেছে। আধুনিক সমাজেও সমকামী যৌনাচরণ একপ্রকার যৌন বিকৃতি হিসাবেই সাধারণভাবে পরিগণিত। তবে ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে মন:স্তাত্ত্বিকরা 'সমকাম প্রবণতাকে' মনোবিকলনের তালিকা থেকে বাদ দেয়। ১৯৭৫-এ ঘোষণা করা হয় 'সমকাম প্রবণতা' কোন মানসিক বিকৃতি নয়। তথাপি সমকামী যৌনাচারণের প্রতি সাধারণ মানুষের বৈরীভাব অটুট আছে। অধিকাংশ সমাজে সমকামী যৌনাচারণ লজ্জার ব্যাপার এবং ধিক্কারযোগ্য। ধর্ম এবং আইনের কঠোর বিধান এবং সামাজিক অনুশাসনের কারণে কার্যকলাপ তথা সমকামী যৌনসঙ্গম একটি গুপ্ত আচরণ হিসাবেই প্রবহমান।

বিশ শতাব্দীর রাষ্ট্রীয় ঔদার্য[সম্পাদনা]

বিশ শতাব্দীর দ্বিতীয় পাদে সমকামিতার ব্যাপারে রাষ্ট্রীয় ঔদার্য দেখা যেতে শুরু করে। বহু দেশে সমকামী যৌনাচারণকে বৈধ ঘোষণা করা হয়। কয়েকটি দেশ সমকামী ব্যক্তিদের বিবাহ আইনসিদ্ধ ঘোষণা করে। স্টোনওয়াল দাঙ্গার পর থেকে[২৭] সমকামী ব্যক্তিরা এলজিবিটি সামাজিক আন্দোলনের সূচনা ঘটান। এই আন্দোলনের উদ্দেশ্য ছিল সমকামী সমস্যার প্রতি সমাজের দৃষ্টি আকর্ষণ, স্বীকৃতি, আইনি অধিকারদান এবং একই সঙ্গে সমকামী বিবাহ, দত্তকগ্রহণ, সন্তানপালন, বৈষম্যবিরোধী আইন প্রয়োগ, সামরিক পরিষেবাস্বাস্থপরিষেবায় বৈষম্যের বিরুদ্ধে অধিকার প্রদানের দাবি উত্থাপন।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Sexual Orientation and Homosexuality", APAHelpCenter.org, সংগৃহীত 2007-09-07 
  2. APA California Amicus Brief Please fix this cite and remove this comment when done.
  3. "The word homosexual combined a GreekThe Greek prefix, homo, meaning "same" with a Latin noun, sexus, meaning sex"
  4. অভিজিৎ রায়, সমকামিতা : একটি বৈজ্ঞানিক এবং সমাজ-মনস্তাত্ত্বিক অনুসন্ধান, শুদ্ধস্বর, ২০১০
  5. অভিজিৎ রায়, প্রাণিজগতে ভিন্ন প্রবৃত্তি, দৈনিক সমকাল, এপ্রিল ১০, ২০১০
  6. Bagemihl, Bruce (1999)। Biological Exuberance: Animal Homosexuality and Natural Diversity। London: Profile Books, Ltd.। আইএসবিএন 1861971826 
  7. "1,500 Animal Species Practice Homosexuality". News-medical.net. 2006-10-23. http://www.news-medical.net/?id=20718. Retrieved 2007-09-10.
  8. "No species has been found in which homosexual behaviour has not been shown to exist, with the exception of species that never have sex at all, such as sea urchins and aphis. Moreover, a part of the animal kingdom is hermaphroditic, truly bisexual. For them, homosexuality is not an issue" - Petter Bøckman, the scientific advisor of the exhibition "Against Nature?" in 2007
  9. Roughgarden, Joan (May 2004)। Evolution's Rainbow: Diversity, Gender, and Sexuality in Nature and People। Berkeley, CA: University of California Pressআইএসবিএন 0520240731  |month= প্যারামিটার অজানা, উপেক্ষা করুন (সাহায্য)
  10. LeVay, Simon (1996). Queer Science: The Use and Abuse of Research into Homosexuality. Cambridge: The MIT Press ISBN 0-262-12199-9
  11. ACSF Investigators (1992). AIDS and sexual behaviour in France. Nature, 360, 407–409.
  12. Billy, J. O. G., Tanfer, K., Grady, W. R., & Klepinger, D. H. (1993). The sexual behavior of men in the United States. Family Planning Perspectives, 25, 52–60.
  13. Binson, D., Michaels, S., Stall, R., Coates, T. J., Gagnon, & Catania, J. A. (1995). Prevalence and social distribution of men who have sex with men: United States and its urban centers. Journal of Sex Research, 32, 245–254.
  14. Bogaert, A. F. (2004). The prevalence of male homosexuality: The effect of fraternal birth order and variation in family size. Journal of Theoretical Biology, 230, 33–37. [১] Bogaert argues that: "The prevalence of male homosexuality is debated. One widely reported early estimate was 10% (e.g., Marmor, 1980; Voeller, 1990). Some recent data provided support for this estimate (Bagley and Tremblay, 1998), but most recent large national samples suggest that the prevalence of male homosexuality in modern western societies, including the United States, is lower than this early estimate (e.g., 1–2% in Billy et al., 1993; 2–3% in Laumann et al., 1994; 6% in Sell et al., 1995; 1–3% in Wellings et al., 1994). It is of note, however, that homosexuality is defined in different ways in these studies. For example, some use same-sex behavior and not same-sex attraction as the operational definition of homosexuality (e.g., Billy et al., 1993); many sex researchers (e.g., Bailey et al., 2000; Bogaert, 2003; Money, 1988; Zucker and Bradley, 1995) now emphasize attraction over overt behavior in conceptualizing sexual orientation." (p. 33) Also: "...the prevalence of male homosexuality (in particular, same-sex attraction) varies over time and across societies (and hence is a ‘‘moving target’’) in part because of two effects: (1) variations in fertility rate or family size; and (2) the fraternal birth order effect. Thus, even if accurately measured in one country at one time, the rate of male homosexuality is subject to change and is not generalizable over time or across societies." (p. 33)
  15. Fay RE, Turner CF, Klassen AD, Gagnon JH (January 1989)। "Prevalence and patterns of same-gender sexual contact among men"Science 243 (4889): 338–48। পিএমআইডি 2911744  |month= প্যারামিটার অজানা, উপেক্ষা করুন (সাহায্য)
  16. Johnson AM, Wadsworth J, Wellings K, Bradshaw S, Field J (December 1992)। "Sexual lifestyles and HIV risk"। Nature 360 (6403): 410–2। ডিওআই:10.1038/360410a0পিএমআইডি 1448163  |month= প্যারামিটার অজানা, উপেক্ষা করুন (সাহায্য)
  17. Laumann, E. O., Gagnon, J. H., Michael, R. T., & Michaels, S. (1994). The social organization of sexuality: Sexual practices in the United States. Chicago: University of Chicago Press.
  18. Sell RL, Wells JA, Wypij D (June 1995)। "The prevalence of homosexual behavior and attraction in the United States, the United Kingdom and France: results of national population-based samples"। Arch Sex Behav 24 (3): 235–48। পিএমআইডি 7611844  |month= প্যারামিটার অজানা, উপেক্ষা করুন (সাহায্য)
  19. Wellings, K., Field, J., Johnson, A., & Wadsworth, J. (1994). Sexual behavior in Britain: The national survey of sexual attitudes and lifestyles. London, UK: Penguin Books.
  20. Norway world leader in casual sex, Aftenposten
  21. Sex uncovered poll: Homosexuality, Guardian
  22. McConaghy et al., 2006
  23. Crompton, Louis (2003)। Homosexuality and Civilization। Cambridge, Massachusetts: Belknap Pressআইএসবিএন 067401197X 
  24. [Edward Gibbon. History of the Decline and Fall of the Roman Empire. Vol. 1, London. 1898, p. 313.]
  25. অভিজিৎ রায়, পৃষ্ঠা ১৪৫-১৫২
  26. অভিজিৎ রায়, পৃষ্ঠা ১৫৫- ১৫৯
  27. Adam, p. 82.

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

গ্রন্থ[সম্পাদনা]

  • অভিজিৎ রায়, সমকামিতা : একটি বৈজ্ঞানিক এবং সমাজ-মনস্তাত্ত্বিক অনুসন্ধান, শুদ্ধস্বর, ২০১০
  • Kenneth J. Dover, Greek Homosexuality, , Gerald Duckworth & Co. Ltd. 1979, ISBN 0-674-36261-6 (hardcover), ISBN 0-674-36270-5 (paperback)
  • John d'Emilio, Sexual Politics, Sexual Communities: The Making of a Homosexual Minority in the United States, 1940-1970, University of Chicago Press 1983, ISBN 0-226-14265-5
  • Norman Roth. The care and feeding of gazelles - Medieval Arabic and Hebrew love poetry. IN: Lazar & Lacy. Poetics of Love in the Middle Ages, George Mason University Press 1989, ISBN 0-913969-25-7
  • Allan Bérubé, Coming out under Fire: The History of Gay Men and Women in World War Two, New York: MacMillan 1990, ISBN 0-02-903100-1
  • Bret Hinsch, Passions of the Cut Sleeve: The Male Homosexual Tradition in China, The University of California Press, 1990, ISBN 0-520-06720-7
  • Dynes, Wayne R. (ed.) The Encyclopedia of Homosexuality New York and London, Garland Publishing 1990, ISBN 0-8240-6544-1
  • Foucault, Michel, The History of Sexuality vol. 1: An Introduction, p. 43. Trans. Robert Hurley. New York: Vintage 1990
  • George Rousseau, Perilous Enlightenment: Pre- and Post-Modern Discourses--Sexual, Historical, Manchester University Press 1991, ISBN 0-7190-3301-2
  • Lillian Faderman, Odd Girls and Twilight Lovers: A History of Lesbian Life in Twentieth Century America, Penguin 1992
  • Arno Schmitt & Jehoeda Sofer (eds). Sexuality and Eroticism Among Males in Moslem Societies. Haworth Press, 1992
  • George Chauncey, Gay New York: Gender Urban Culture and the Making of the Gay Male World, New York: Basic Books, 1994
  • Juanita Ramos , Compañeras: Latina Lesbians : An Anthology, Routledge 1994
  • Johansson, Warren and Percy, William A., (1994), Outing: Shattering the Conspiracy of Silence, Harrington Park Press
  • Robert T. Michael, John H. Gagnon, Edward O. Laumann, and Gina Kolata. Sex in America: A definitive survey. Boston: Little, Brown, 1995. ISBN 0-316-07524-8
  • Percy, William A Pederasty and Pedagogy in Archaic Greece. University of Illinois Press, 1996
  • Lester G. Brown, Two Spirit People, 1997, Harrington Park Press, ISBN 1-56023-089-4
  • Bullough et al. (eds.) (1996). Handbook of Medieval Sexuality. Garland Publishing. ISBN 0-8153-1287-3.
  • Jennifer Terry, An American Obsession: Science, Medicine, and Homosexuality in Modern Society, University of Chicago Press 1999, ISBN 0-226-79367-2
  • Bullough, Vern L. Before Stonewall: Activists for Gay and Lesbian Rights in Historical Context, Harrington Park Press 2002
  • Ruth Vanita, Queering India: Same-Sex Love and Eroticism in Indian Culture and Society, Routledge 2002
  • Joanne Meyers, Historical Dictionary of the Lesbian Liberation Movement: Still the Rage, Scarecrow Press 2003
  • David K. Johnson, The Lavender Scare: The Cold War Persecution of Gays and Lesbians in the Federal Government, Chicago: University of Chicago Press, 2004

পত্রিকা প্রবন্ধ[সম্পাদনা]

  • Bowman, Karl M.; Eagle, Bernice The Problem of Homosexuality, Journal of Social Hygiene 1953
  • Norton, Rictor and Crew, Louis The Homophobic Imagination, College English 1974
  • Simon LeVay, A difference in hypothalamic structure between homosexual and heterosexual men, Science Magazine 1991
  • Christopher Bagley and Pierre Tremblay, On the Prevalence of Homosexuality and Bisexuality, in a Random Community Survey of 750 Men Aged 18 to 27, Journal of Homosexuality, Volume 36, Number 2, pages 1–18, 1998

অনলাইন প্রবন্ধ[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]