ইলিয়া ফ্রাংক
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। (মার্চ ২০১০) |
ইলিয়া মিখাইলোভিচ ফ্রাংক (রুশ ভাষা: Илья́ Миха́йлович Франк) (অক্টোবর ২৩, ১৯০৮ - জুন ২২, ১৯৯০) ছিলেন সোভিয়েত পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি ১৯৫৮ সালে অপর দুজন রুশ পদার্থবিজ্ঞানী পাভেল আলেক্সেইয়েভিচ চেরেংকভ এবং ইগর ইয়েভ্গেনিয়েভিচ তামের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। চেরেংকভ বিকিরণ সংক্রান্ত ঘটনাসমূহ ব্যাখ্যা করার জন্য তিনি এই পুরস্কার পেয়েছিলেন।
ফ্রাংক ১৯৩০ সালে মস্কো স্টেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হন। ১৯৩৪ সালে তিনি আবিষ্কার করেন যে, পানির মধ্য দিয়ে অতি উচ্চ বেগে ভ্রমণকারী আয়নিত কণা আলো নিঃসরণ করে। ফ্রাংক এবং তাম এই ঘটনাটির তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা দাড় করান। তারা বলেন, একটি কণা যখন কোন আলোকীয়ভাবে স্বচ্ছ মাধ্যমের মধ্য দিয়ে উক্ত মাধ্যমে আলোর বেগের চেয়ে বেশী বেগে ভ্রমণ করে তখন এ ধরণের ঘটনা ঘটে। এই আবিষ্কারের ফলে উচ্চ গতির নিউক্লীয় কণাসমূহের গতি চিহ্নিতকরণ এবং পরিমাপের জন্য নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবিত হয়। তাই কণা পদার্থবিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট গবেষণার ইতিহাসে এটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পেরেছিল।
এই আবিষ্কার ছাড়াও ফ্রাংক চেরেংকভ ও তামের সাথে মিলে ইলেকট্রন বিকিরণ সংক্রান্ত গবেষণায় অংশ নেন। এছাড়াও গামা রশ্মি এবং নিউট্রন রশ্মি বিষয়ক গবেষণায়ও তিনি বিশেষজ্ঞ ছিলেন। ১৯৪৪ সালে তিনি মস্কো স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান নিযুক্ত হন। আর ১৯৪৬ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিজ্ঞান একাডেমির সদস্য নির্বাচিত হন।