পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
রাজকীয় সুয়েডীয় বিজ্ঞান একাডেমি প্রতি বছর একবার পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার (সুয়েডীয় ভাষায়: Nobelpriset i fysik) প্রদান করে। বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেল-এর উইল অনুযায়ী পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসাবিজ্ঞান, শান্তি এবং সাহিত্য এই পাঁচটি বিভাগে নোবেল পুরস্কার প্রদান শুরু হয়েছিল ১৯০১ সালে। নোবেল ১৯৮৫ সালে এই পাঁচটি বিষয়ের ব্যাপারে উইল করে গিয়েছিলেন। প্রথম পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি হলেন জার্মান বিজ্ঞানী ভিলহেল্ম কনরাড রন্টগেন। এক্স-রশ্মি সহ এ ধরণের গুরুত্বপূর্ণ রশ্মি আবিষ্কারের মাধ্যমে বিজ্ঞানের জগতে বিশেষ অবদান রাখার জন্য তাকে সেবার পুরস্কার দেয়া হয়। নোবেল ফাউন্ডেশন কর্তৃক এই পুরস্কার প্রশাসিত হয় এবং পদার্থবিজ্ঞানের সব পুরস্কারের মধ্যে একে সবচেয়ে মর্যাদাকর বিবেচনা করা হয়। প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুবার্ষিকীর দিন সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ২০০৭ সালে জায়ান্ট ম্যাগনেটোরেজিসটেন্স আবিষ্কারের জন্য এই বিষয়ে পুরস্কার পেয়েছেন ফ্রান্সের আলবার্ট ফার্ট এবং জার্মানির পিটার গ্রুনবার্গ। তারা প্রত্যেকে ১০,০০০,০০০ এসইকে বা প্রায় ১৪ লাখ মার্কিন ডলার।
সূচিপত্র |
[সম্পাদনা] পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা
২০০৭ সাল পর্যন্ত মোট ১৮০ জন পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। এখানে ১৯০১ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত পুরস্কারপ্রাপ্তদের পূর্ণ তালিকা দেয়া হল।[১]
| বর্ষ | নাম | জাতীয়তা | কারণ |
|---|---|---|---|
| ১৯০১ | ভিলহেল্ম কনরাড রন্টগেন | এক্স রশ্মি তথা রঞ্জন রশ্মি আবিষ্কার এবং এবং এ ধরণের রশ্মির যথোপযুক্ত ব্যবহারিক প্রয়োগে সফলতা অর্জন। | |
| ১৯০২ | হেন্ড্রিক আন্টোন লোরেন্ৎস পিটার জেমান |
বিকিরনের উপর চুম্বকত্বের প্রভাবের উপর গবেষণা। দেখুন: জিমান ক্রিয়া | |
| ১৯০৩ | আঁতোয়ান অঁরি বেকেরেল | স্বতস্ফূর্ত তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার | |
| পিয়ের কুরি মারি ক্যুরি |
বেকেরেল আবিষ্কৃত বিকিরণের উপর সফল যৌথ গবেষণা | ||
| ১৯০৪ | জন উইলিয়াম স্ট্রাট, ৩য় ব্যারন রেলি | সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গ্যাসসমূহের ঘনত্বে নির্ণয় এবং এ থেকে আর্গন নামক গ্যাস আবিষ্কার | |
| ১৯০৫ | ফিলিপ এডুয়ার্ড আন্টন ফন লেনার্ড | ক্যাথোড রশ্মির উপর গবেষণা | |
| ১৯০৬ | জোসেফ জন টমসন | গ্যাসের মধ্য দিয়ে তড়িৎ পরিবাহিতার উপর ব্যবহারিক ও তাত্ত্বিক গবেষণা | |
| ১৯০৭ | আলবার্ট আব্রাহাম মিকেলসন | বর্ণালীবিক্ষণ ও আবহবিদ্যার উপর সফল পরীক্ষণ। দেখুন: মাইকেলসন-মর্লি পরীক্ষা | |
| ১৯০৮ | গাব্রিয়েল লিপমান | ব্যতিচারের ঘটনার উপর ভিত্তি করে ছবিতে রং এর পুনরুৎপাদন প্রকিয়া উদ্ভাবন | |
| ১৯০৯ | গুলিয়েলমো মার্কোনি কার্ল ফের্ডিনান্ড ব্রাউন |
বেতার যোগাযোগের পদ্ধতি প্রতিষ্ঠা | |
| ১৯১০ | ইয়োহানেস ডিডেরিক ফান ডার ভাল্স | গ্যাস এবং তরলের অবস্থার সমীকরণ প্রতিপাদন। দেখুন: ফান ডার ভাল্স বল | |
| ১৯১১ | ভিলহেল্ম ভিন | তাপীয় বিকিরণ সংক্রান্ত মৌলিক নীতি আবিষ্কার | |
| ১৯১২ | নিল্স গুস্তাফ দালেন | বাতিঘর থেকে প্রেরিত উপকূলীয় আলোক সংকেত এবং আলোক বয়ার জন্য স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রক উদ্ভাবন যা গ্যাসীয় সঞ্চয়ী তড়িৎকোষের সাথে সংযুক্তভাবে হয়ে করে | |
| ১৯১৩ | হেইকে কামারলিং ওনেস | নিম্ন তাপমাত্রায় পদার্থের ধর্ম বিষয়ে গবেষণা এবং এর মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় তরল হিলিয়াম প্রস্তুতকরণ | |
| ১৯১৪ | মাক্স ফন লাউয়ে | কেলাসের মাধ্যমে রঞ্জন রশ্মির বিক্ষেপন পরীক্ষণ | |
| ১৯১৫ | উইলিয়াম হেনরি ব্র্যাগ উইলিয়াম লরেন্স ব্র্যাগ |
রঞ্জন রশ্মির মাধ্যমে কেলাস গঠন পর্যালোচনা | |
| ১৯১৬ | পুরস্কার প্রদান করা হয়নি | পুরস্কারের অর্থ এই পুরস্কারটির নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত ফানডে জমাদেয়া হয়। | |
| ১৯১৭ | চার্লস গ্লোভার বার্কলা | মৌলিক পদার্থসমূহের বৈশিষ্ট্যমূলক এক্স রশ্মি বিকিরণ পর্যবেক্ষণ | |
| ১৯১৮ | মাক্স প্লাংক | মৌলিক শক্তি কোয়ান্টা আবিষ্কারের মাধ্যমে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অগ্রগতিতে বিশেষ অবদান | |
| ১৯১৯ | ইয়োহানেস ষ্টার্ক | ধনাত্মক আয়ন তথা ক্যানাল রশ্মিতে ডপলার ক্রিয়া পরীক্ষণ এবং তড়িৎ ক্ষেত্রে বর্ণালী রেখার বিভাজন আবিষ্কার | |
| ১৯২০ | শার্ল এদুয়ার গিয়্যোম | ধাতুর সংকরসমূহে (বিশেষত নিকেল-ইস্পাত সংকরে) বিশৃংখলা আবিষ্কার এবং এর মাধ্যমে পদার্থবিজ্ঞানে সূক্ষ্ণ পরিমাপণ পদ্ধতিতে বিশেষ অবদান | |
| ১৯২১ | আলবার্ট আইনস্টাইন | তত্ত্বীয় পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক গবেষণা, আলোক তড়িৎ ক্রিয়া আবিষ্কার | |
| ১৯২২ | নিল্স হেনরিক দাভিদ বোর | পরমাণুর গঠন বিষয়ে মডেল প্রণয়ন এবং এ থেকে নিঃসারিত বিকিরণ বিষয়ে মৌলিক তত্ত্ব প্রদান | |
| ১৯২৩ | রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান | মৌলিক তড়িৎ আধান এবং আলোক তড়িৎ ক্রিয়া বিষয়ে গবেষণা | |
| ১৯২৪ | কার্ল মানে গেয়র্গ জিগবান | রঞ্জন রশ্মি বর্ণালীবিক্ষণ বিষয়ে গবেষণা | |
| ১৯২৫ | জেম্স ফ্রাংক গুস্টাফ লুটভিগ হের্ৎস |
পরমাণুর উপর একটি ইলেক্ট্রনের প্রভাব সৃষ্টিকারী মৌলিক নীতি আবিষ্কার | |
| ১৯২৬ | জঁ-বাতিস্ত প্যরাঁ | পদার্থের বিচ্ছিন্ন গঠন বিষয়ে গবেষণা এবং বিশেষত থিতানো ভারসাম্য আবিষ্কার | |
| ১৯২৭ | আর্থার হোলি কম্পটন | বিক্ষিপ্ত এক্স রশ্মিতে তরঙ্গদৈর্ঘের পরিবর্তন আবিষ্কার যা কম্পটন প্রভাব নামে পরিচিত। | |
| চার্লস টমসন রেস উইলসন | বাষ্পকে ঘনীভূত করার মাধ্যমে তড়িতাহিত বস্তুকণার গতিপথকে দৃশ্যমান করার পদ্ধতি আবিষ্কার। দেখুন: মেঘ চেম্বার | ||
| ১৯২৮ | ওয়েন উইলিয়ানস রিচার্ডসন | উত্তপ্ত ধাতু থেকে ইলেক্ট্রন নিঃসরণের উপর গবেষণা যা থার্মিয়নিক ঘটনা নামে পরিচিত। এছাড়া তার নামে নামাঙ্কিত একটি তত্ত্ব আবিষ্কার যা থার্মিয়নিক নিঃসরণ নামে পরিচিত। | |
| ১৯২৯ | লুই ভিক্তর পিয়ের রেমোঁ দ্য ব্রোয়ি | ইলেক্ট্রনের তরঙ্গ ধর্ম আবিষ্কার। দেখুন: দ্য ব্রোয়ি প্রকল্প | |
| ১৯৩০ | চন্দ্রশেখর ভেংকট রমন | আলোক বিক্ষেপণ বিষয়ে গবেষণা এবং রমন ক্রিয়া আবিষ্কার | |
| ১৯৩১ | পুরস্কার দেয়া হয়নি | পুরস্কারের অর্থ এই পুরস্কারের বিশেষ ফান্ডে জমা দেয়া হয়। | |
| ১৯৩২ | ভের্নার কার্ল হাইজেনবের্গ | কোয়ান্টাম বলবিদ্যার প্রবর্তন। এই বলবিদ্যার মাধ্যমেই হাইড্রোজেনের বহুরুপতা ধর্ম এবং অন্যান্য রুপগুলো আবিষ্কৃত হয়েছে। | |
| ১৯৩৩ | এরভিন শ্র্যোডিঙার পল আদ্রিয়াঁ মোরিস দিরাক |
কোয়ান্টাম বলবিদ্যায় তরঙ্গ সমীকরণের অবতারণা যা আনবিক তত্ত্বে একটি উৎপাদনমূলক ধারণার জন্ম দিয়েছে। | |
| ১৯৩৪ | পুরস্কার দেয়া হয়নি | পুরস্কারের অর্থের অর্ধেক মূল ফান্ডে ও অর্ধেক এই পুরস্কারের বিশেষ ফান্ডে জমা হয়। | |
| ১৯৩৫ | জেমস চ্যাডউইক | নিউট্রন আবিষ্কার | |
| ১৯৩৬ | ভিক্টর ফ্রান্ৎস হেস | মহাজাগতিক বিকিরণ আবিষ্কার | |
| কার্ল ডেভিড অ্যান্ডারসন | পজিট্রন আবিষ্কার | ||
| ১৯৩৭ | ক্লিনটন জোসেফ ডেভিসন জর্জ প্যাগেট থমসন |
কেলাসের সাহায্যে ইলেকট্রন বিক্ষেপণ প্রক্রিয়ার পরীক্ষামূলক আবিষ্কার। দেখুন: তরঙ্গ-কণা দ্বিত্ব | |
| ১৯৩৮ | এনরিকো ফের্মি | নিউট্রনের রশ্মিপাতের ফলে সৃষ্ট নতুন তেজস্ক্রিয় পদার্থের অস্তিত্বের প্রমাণ হিসেবে একটি পরীক্ষা প্রদর্শন। এছাড়া ধীরগতির নিউট্রনের মাধ্যমে সংঘটিত নিউক্লিয় বিক্রিয়া বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার। | |
| ১৯৩৯ | আর্নেস্ট অরল্যান্ডো লরেন্স | সাইক্লোট্রন উদ্ভাবন এবং উন্নয়ন, এর মাধ্যমে বিভিন্ন ফলাফল লাভ। বিশেষত কৃত্রিম তেজস্ক্রিয় পদার্থ সম্পর্কে একটি ফল লাভ। | |
| ১৯৪০ | পুরস্কার দেয়া হয়নি। | পুরস্কারের অর্থের অর্ধেক মূল ফান্ডে ও অর্ধেক এই পুরস্কারের বিশেষ ফান্ডে জমা হয়। | |
| ১৯৪১ | |||
| ১৯৪২ | |||
| ১৯৪৩ | অটো ষ্টের্ন | আনবিক রশ্মি পদ্ধতির উন্নয়নে বিশেষ অবদান এবং প্রোটনের চৌম্বক ভ্রামক আবিষ্কার | |
| ১৯৪৪ | ইসিদোর ইজাক রাবি | পরমাণুর নিউক্লিয়াসের চৌম্বক ধর্ম রেকর্ড করার জন্য রেজোন্যান্স পদ্ধতি উদ্ভাবন | |
| ১৯৪৫ | ভোল্ফগাং পাউলি | এক্সক্লুশন নীতি আবিষ্কার যা সাধারণত পাউলি নীতি নামে পরিচিত। | |
| ১৯৪৬ | পার্সি উইলিয়ামস ব্রিজম্যান | অতি উচ্চ চাপ সৃষ্টির যন্ত্র উদ্ভাবন এবং এর মাধ্যমে উচ্চ চাপ পদার্থবিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন আবিষ্কার | |
| ১৯৪৭ | এডওয়ার্ড ভিক্টর অ্যাপলটন | বায়ুমণ্ডলের উর্দ্ধাংশের পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে বিশেষ গবেষণা এবং অ্যাপ্লটন লেয়ার আবিষ্কার। | |
| ১৯৪৮ | প্যাট্রিক মেইনার্ড স্টুয়ার্ট ব্ল্যাকেট | উইলসন মেঘ চেম্বার উদ্ভাবন ও উন্নয়ন এবং এর মাধ্যমে নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞান ও মহাজাগতিক বিকিরণের ক্ষেত্রে বিশেষ গবেষণা | |
| ১৯৪৯ | হিদেকি ইউকাওয়া | নিউক্লিয় বলসমূহের উপর তাত্ত্বিক গবেষণার মাধ্যমে মেসনের অস্তিত্বের ভবিষ্যদ্বাণী প্রদান। দেখুন: ইউকাওয়া পটেনশিয়াল | |
| ১৯৫০ | সেসিল ফ্র্যাংক পাওয়েল | নিউক্লিয় প্রক্রিয়াসমূহ অধ্যয়ন করার জন্য আলোকীয় পদ্ধতির উন্নয়ন এই পদ্ধতির মাধ্যমে মেসন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার। | |
| ১৯৫১ | জন ডগলাস কক্ক্রফ্ট আর্নেস্ট টমাস সিন্টন ওয়াল্টন |
কৃত্রিমভাবে ত্বরিত পারমানবিক কণার মাধ্যমে পরমাণুর কেন্দ্রভাগের ট্রান্সমিউটেশন নিয়ে গবেষণা | |
| ১৯৫২ | ফেলিক্স ব্লখ এডওয়ার্ড মিল্স পারসেল |
নিউক্লিয় চৌম্বক ক্ষেত্রে সূক্ষ্ণ পরিমাপের জন্য নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আবিষ্কার | |
| ১৯৫৩ | ফ্রিৎস জের্নিকে | ফেজ কনট্রাস্ট পদ্ধতি প্রদর্শন এবং বিশেষত অনুবীক্ষণ যন্ত্রের ফেজ কনট্রাস্ট উদ্ভাবন। | |
| ১৯৫৪ | মাক্স বর্ন | কোয়ান্টাম বলবিদ্যার উপর মৌলিক গবেষণা এবং বিশেষত তরঙ্গ ফাংশনের পরিসাংখ্যনিক রুপ আবিষ্কার | |
| ওয়াল্টার বোটে | কোইনসিডেন্স প্রক্রিয়া এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আবিষ্কার | ||
| ১৯৫৫ | উইলিস ইউজিন ল্যাম্ব | হাইড্রোজেন বর্ণালীর সূক্ষ্ণ গঠন আবিষ্কার। দেখুন: ল্যাম্ব শিফ্ট | |
| পলিকার্প কুশ | ইলেকট্রনের চৌম্বক ভ্রামকের অত্যন্ত সূক্ষ্ণ পরিমাপ | ||
| ১৯৫৬ | উইলিয়াম ব্র্যাডফোর্ড শক্লি জন বারডিন ওয়াল্টার হাউজার ব্র্যাটেইন |
অর্ধপরিবাহী পদার্থের উপর মৌলিক গবেষণা এবং ট্রানজিস্টর ক্রিয়া আবিষ্কার | |
| ১৯৫৭ | চেন নিং ইয়াং (楊振寧) সুং দাও লি (李政道) |
তথাকথিত প্যারিটি নীতি বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যয়ন যার কারণে পরবর্তীতে মৌলিক পদার্থ সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার সম্ভব হয়েছে। | |
| ১৯৫৮ | পাভেল আলেক্সেইয়েভিচ চেরেংকভ ইলিয়া মিখাইলোভিচ ফ্রাংক ইগর ইয়েভ্গেনিয়েভিচ তাম |
চেরেংকভ-ভাভিলভ ক্রিয়া আবিষ্কার এবং এর বিভিন্ন রুপ নির্ণয় | |
| ১৯৫৯ | এমিলিও জিনো সেগরে ওয়েন চেম্বারলেইন |
প্রতিপ্রোটন আবিষ্কার | |
| ১৯৬০ | ডোনাল্ড আর্থার গ্লেজার | বাব্ল চেম্বার উদ্ভাবন করেন | |
| ১৯৬১ | রবার্ট হফষ্টাটার | পরমাণুর কেন্দ্রে ইলেকট্রনের বিচ্ছুরণের উপর মৌলিক গবেষণা এবং এই গবেষণার মাধ্যমে নিউক্লিয়নসমূহের গঠনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক আবিষ্কার | |
| রুডল্ফ লুডভিগ ম্যোসবাউয়ার | গামা বিকিরণের রেজোন্যান্স বিশোষণ বিষয়ে গবেষণা এবং এর মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্রিয়া আবিষ্কার যার নাম তার নামে রাখা হয়েছে: ম্যোসবাউয়ার ক্রিয়া | ||
| ১৯৬২ | ল্যেভ দাভিদোভিচ লান্দাউ | ঘনীভূত পদার্থের জন্য মৌলিক তত্ত্ব প্রণয়ন। বিশেষ করে তরল হিলিয়ামের জন্য | |
| ১৯৬৩ | ইউজিন পল উইগনার | পারমানবিক কেন্দ্রীন ও মৌলিক কণাসমূহের তত্ত্ব বিষয়ে মৌলিক অবদান। বিশেষ করে মৌলিক প্রতিসাম্য নীতির আবিষ্কার এবং এর ব্যবহারিক প্রয়োগ নির্দেশন | |
| মারিয়া গ্যোপের্ট-মায়ার ইয়োহানেস হ্যান্স ডানিয়েল ইয়েনসেন |
নিউক্লিয় শক্তিস্তরের গঠন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার | ||
| ১৯৬৪ | চার্লস হার্ড টাউন্স নিকোলাই গেন্নাদিয়েভিচ বাসভ আলেক্সান্দ্র প্রখরভ |