ইঁট
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। (মার্চ ২০১০) |
ইট বা ইষ্টক ইমারত তৈরির একটি মৌলিক উপাদান। মাটিকে আয়তঘনক আকারের ছাঁচে ঢেলে শুকিয়ে কাঁচা ইঁট তৈরি হয, তার পর এক রোদে শুকানো হয়। কাঁচা ইঁটকে আগুনে পোড়ালে পাকা ইঁট তৈরি হ্য বহু প্রাচীন কাল থেকেই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রোদে শুকানো বা আগুনে পোড়ানো ইট ব্যবহার হয়ে আসছে। যদিও ইট পাথরের মত দীর্ঘস্থায়ী এবং মজবুত নয় তারপরও সহজলোভ্যতা, অল্পখরচ এবং স্বল্পওজনের জন্য এর জনপ্রিয়তা এবং ব্যবহার সর্বাধিক।ইঁট বানাবার সময় কিছু ইঁট বেশী পুড়ে যায় ও কেকের মত ফুলে উঠে এক ফোপ্রা শক্ত কালচে খয়েরী আঁকাবাঁকা আকৃতির ইঁট তৈরি করে, যাতে বলে ঝামা বা ঝামা ইট। ঝামা শক্ত ও এবরোখেব্রো বলে ঘষামাজার কাজে ব্যবহৃত হয়।
[সম্পাদনা] ইটের ভাঁটা
ইট তৈরির ক্ষেত্রকে বলা হয় ইটের ভাঁটা। সাধারণত কৃষি জমিতে যেখানকার মাটি ইট তৈরির উপযোগী সেখানে ইট তৈরি করা হয়। ছাঁচে পানিতে গোলা কাদা-মাটি ফেলে ইট তৈরি করা হয়। এই ইট কাচা। একে রোদে শুকানো হয়। তারপর আগুনে একে পোড়ানো হয়। ইটের ভাটায় বড় চুল্লির মতো। কাঠ পুড়িয়ে, বা কখনো কয়লা জ্বালিয়ে ইটের ভাঁটায় ইট পোড়ানো হয়। এর উপরিভাগে চিমনি থাকে যা দিয়ে ধোঁয়া নির্গত হতে দেখা যায়। ১৯৮০-এর দশক থেকে বাংলাদেশে আধুনিক কারখানায় ইট প্রস্তুত শুরু হয়েছে।
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |