ইউরেনাইট
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
| ইউরেনাইট | |
|---|---|
| সাধারণ | |
| ক্যাটেগরী | খনিজ |
| রাসায়নিক সংকেত | ইউরেনিয়াম অক্সাইড, UO2 |
| পরিচিতি | |
| বর্ণ | কাও বা বাদামী |
| কেলাস ধর্ম | বৃহৎ, botryoidal, দানাদার. Crystals uncommon. |
| কেলাস পদ্ধতি | Isometric |
| ক্লিভেজ | Indistinct |
| Fracture | Conchoidal to uneven |
| মোহ্'র স্কেল-এ কাঠিন্য | ৫ - ৬ |
| ঔজ্জ্বল্য বা দীপ্তি | Submetallic, greasy |
| প্রতিসরাঙ্ক | অনচ্ছ |
| Pleochroism | নেই |
| ডোরা বা বর্ণচ্ছটা | রঙের মতই, কালো বা বাদামী |
| আপেক্ষিক গুরুত্ব | ৭.৫ - ১০ |
| দ্রাব্যতা | সালফিউরিক, নাইট্রিক এবং হাইড্রোক্লোরিক এসিডে দ্রবণীয়। |
| Major varieties | |
| পিচব্লেন্ড | ম্যাসিভ |
ইউরেনাইট একটি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ খনিজ পদার্থ। এর মধ্যে মূলত ইউরেনিয়াম অক্সাইড থাকে। ইউরেনিয়ামের অক্সাইডের মধ্যে মূলত UO2 বা UO3 থাকে। এছাড়াও এতে সীসা, থোরিয়াম এবং বিরল মৃত্তিকা মৌলসমূহের অক্সাইডও উপস্থিত থাকে। সাধারণ্য এই খনিজের প্রচলিত নাম হচ্ছে পিচব্লেন্ড; এখানে পিচ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছিল তার কালো রঙের জন্য, আর ব্লেন্ড শব্দটি জার্মান খনি মালিক ও কর্মচারীরা এমন সব খনিজের জন্য ব্যবহার করতো যাতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ধাতব পদার্থ রয়েছে কিন্তু তা অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক নয়। সকল ইউরেনাইট খনিজেই তেজস্ক্রিয় ভাঙনের মাধ্যমে রেডিয়াম সৃষ্টি হয়। এই খনিজ পদার্থটি থেকেই মেরি কুরি ও তার দল রেডিয়াম আবিস্কার করেছিলেন। ইউরেনাইটে সামান্য পরিমাণ সীসা সমাণুক থাকে যার মধ্যে রয়েছে Pb-২০৬ এবং Pb-২০৭, এছাড়াও তেজস্ক্রিয় ভাঙনের সর্বশেষ উৎপাদ হিসেবে যথাক্রমে U-২৩৮ এবং U-২৩৫ থেকে থাকে।