আউগ্সবুর্গ
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। (এপ্রিল ২০১২) |
| আউগ্সবুর্গ | |
| আউগ্সবুর্গের সিটি হলঘর | |
| স্থানাঙ্ক | 48°22′0″N 10°54′0″E / 48.366667°উ 10.9°পূস্থানাঙ্ক: 48°22′0″N 10°54′0″E / 48.366667°উ 10.9°পূ |
| প্রশাসন | |
| দেশ | |
| রাষ্ট্র | ব্যাভারিয়া |
| অঞ্চলের প্রশাসন | শ্ভাবেন |
| জেলা | ক্রাইসফ্রাইয়ে ষ্টাট |
| ওবারবুর্গারমাইস্টার | কুর্ট গ্রিব্ল |
| প্রাথমিক পরিসংখ্যান | |
| আয়তন | ১৪৬.৯৩ km2 (৫৬.৭৩ বর্গ মাইল) |
| উচ্চতা | ৪৪৬ মি |
| জনসংখ্যা | ২,৬৩,৩১৩ ২০০৯ |
| - ঘনত্ব | ১,৭৯২ /বর্গ কি.মি. (৪,৬৪২ /বর্গ মাইল) |
| অন্যান্য তথ্য | |
| সময় অঞ্চল | সিইটি/সিইডিটি (ইউটিসি+১/+২) |
| লাইসেন্স প্লেট | এ |
| পোস্ট কোড | ৮৬১৫০–৮৬১৯৯ |
| এরিয়া কোড | ০৮২১ |
| আউগ্সবুর্গের মিশ্র সাম্রাজ্যর শহর Paritätische Reichsstadt Augsburg |
|||||
| শহর | |||||
|
|||||
|
Coat of arms of Augsburg |
|||||
| রাজধানী | Augsburg | ||||
| সরকার | গণতন্ত্র | ||||
| ঐতিহাসিক যুগ | মধ্যযুগ | ||||
| - | বিসহোপ্রিক স্থাপিত | ৪র্থ শতাব্দী | |||
| - | বিসহোপ্রিক gained Reichsfreiheit |
প্রায় ৮৮৮ |
|||
| - | শহর লাভ Reichsfreiheit |
১২৭৬ |
|||
| - | Diet of Augsburg: Confessio Augustana |
১৫৩০ |
|||
| - | Joined Schmalkadic League |
১৫৩৭ |
|||
| - | আউগ্সবুর্গের শান্তি | ১৫৫৫ | |||
| - | সুইডেনের দখলকৃত | ১৬৩২–৩৫ | |||
| - | Mediatised to Bavaria | ১৮০৩ | |||
| সতর্কবাণী: "মহাদেশের" জন্য উল্লিখিত মান সম্মত নয় | |||||
আউগ্সবুর্গ (জার্মান: Augsburg) জার্মানির বায়ার্ন বা বাভারিয়া অঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অবস্থিত একটি স্বাধীন শহর। আড়াই লক্ষেরও বেশি অধিবাসীবিশিষ্ট আউগ্সবুর্গ বায়ার্নের ৩য় বৃহত্তম শহর। কেবল মিউনিখ ও নুরেমবুর্গ এর চেয়ে বেশি অধিবাসীবিশিষ্ট। ১৯০৬ সালে এটি গ্রোসষ্টাট (Großstadt) বা বড় শহরের মর্যাদা পায়। শহরটি ভেরটাখ ও লেখ নদীর তীরে অবস্থিত একটি শিল্পকেন্দ্র। এটি মিউনিখ শহরের ৫২ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত।
খ্রিস্টপূর্ব ১৫ অব্দে রোমান সম্রাট আউগুস্তুস শহরটি প্রতিষ্ঠা করেন, তার নাম থেকেই শহরের নাম আউগ্সবুর্গ হয়েছে। আউগুস্তুস শহরটির নাম দিয়েছিলেন আউগুস্তা ভিন্দেলিকোরুম (Augusta Vindelicorum.)। এটি ট্রিয়ার শহরের পরে জার্মানির ২য় প্রাচীনতম শহর। ১২৭৬ সালে শহরটি একটি স্বাধীন শহরে পরিণত হয়। এখানে ১৫শ ও ১৬শ শতকে ক্ষমতাধর ফুগার ও ভেলসার পরিবার বাস করতেন। এসময় আউগ্সবুর্গ ইউরোপের অন্যতম প্রধান অর্থবাজারে (money market) পরিণত হয়। এখানে প্রায় আরাই হাজারের মত ক্ষুদ্রশিল্পকারখানাতে লিনেন ও লিনেন-সদৃশ ফুস্টিয়ান কাপড় তৈরি ও রপ্তানি করা হত। শহরটি শিল্পকলার জন্যও বিখ্যাত ছিল।
আউগ্সবুর্গে উৎপাদিত দ্রব্যের মধ্যে আছে টেক্সটাইল, যন্ত্রপাতি, মোটরযান এবং রাসায়নিক দ্রব্যাদি। এখানে ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত আউগ্সবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত।
দর্শনীয় স্থানের মধ্যে আছে সাধু উলরিশ ও সাধু আফ্রা-র গির্জা, ১৭শ শতকে নির্মিত টাউনহল, যাতে জমকালো সোনালী হলটিও অন্তর্ভুক্ত; সেন্ট ম্যারির ক্যাথিড্রাল, যার বেদীতে শিল্পী হান্স হলবাইনের শিল্পকর্ম ও বিশ্বের প্রাচীনতম রঙিন কাঁচের কাজ দেখতে পাওয়া যায়; শেৎসলার প্রাসাদ, যাতে জার্মান শিল্পীদের অনেকগুলি গ্যালারি আছে; এবং মোৎসার্ট জাদুঘর, যা ছিল ভোলফগাং আমাদেউস মোৎসার্টের বাবা লেওপোল্ড মোৎসার্টের জন্মস্থল। আউগ্সবুর্গে জন্ম নেওয়া অন্যান্য বিখ্যাত ব্যক্তিদের মধ্যে আছেন চিত্রশিল্পী হান্স বুর্কমাইর, প্রকৌশলী রুডল্ফ ডিজেল, বিমান নকশাকারক ও নির্মাতা ভিল্লি মেসারশ্মিট এবং নাট্যকার বের্টোল্ট ব্রেশ্ট।
পবিত্র রোমান সাম্রাজ্যের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সভা আউগ্সবুর্গে অনুষ্ঠিত হয়। ত্রিশ বছরের যুদ্ধে (১৬১৮-১৬৪৮) শহরটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ১৮০৬ সালে শহরটি বায়ার্নের অন্তর্ভুক্ত হয়। ২য় বিশ্বযুদ্ধের সময় মেসারশ্মিট কারখানা ও মেশিন কারখানার উপর মিত্রশক্তি গোলাবর্ষণ করলে শহরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
পরিচ্ছেদসমূহ |
ইতিহাস [সম্পাদনা]
আরও দেখুন [সম্পাদনা]
তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]
বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]
- Stadt Augsburg সরকারি ওয়েবসাইট (ইংরেজি সংষ্করণ)
- আউগ্সবুর্গের অঞ্চল পর্যটন
- Fotosafari Augsburg An interactive set of pictures which allows you to explore Augsburg
- আউগ্সবুর্গের শহর পরিকল্পনা (জার্মান)
- আউগ্সবুর্গের জেলা (জার্মান)