ফাসলে কারগাদান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(রাইনো সিজন থেকে পুনর্নির্দেশিত)
ফাসলে কারগাদান
পরিচালকবাহমান গবাদি
প্রযোজকবাহমান গবাদি
রচয়িতাবাহমান গবাদি
শ্রেষ্ঠাংশেবেহরুজ ভসউহি
মনিকা বেলুচ্চি
ইলিমাজ এরদোয়ান
ক্যানার সিন্দ্রৌক
বেরেন সাত
বেলসিম বিলগিন
আলি পোর্তাস
সুরকারকেহান কালহোর
চিত্রগ্রাহকতউরাজ আসলানী
মুক্তি
  • ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১২ (2012-09-26) (ডোনোস্টিয়া স্যান সেবাস্তিয়ান
    আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব)
দৈর্ঘ্য৮৮ মিনিট
দেশইরান[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
তুর্কী[১][২]
ভাষাপারসি
তুর্কী

ফাসলে কারগাদান (ফার্সি: فصل کرگدن‎‎) ২০১২ সালের ইরানি চলচ্চিত্র। এটির পরিচালক ছিলেন বাহমান গবাদিইরানি বিপ্লবের সময়, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ভেতর গড়ে ওঠা একটি প্রেম ও সামাজিক যন্ত্রনার কাহিনী তুলে ধরেছে এই ছবি। কুর্দ-ইরানি কবি সাদেঘ কামানগার-এর জীবন অবলম্বনে এই চলচ্চিত্রটি নির্মিত।[৩]

কাহিনী[সম্পাদনা]

ইরানে বিপ্লবের তিরিশ বছর পর জেলখানা থেকে মুক্তি পায় কবি সোহেল। ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক বিপ্লবী সরকার তাকে রাজনৈতিক কবিতা লেখার জন্যে গ্রেপ্তার করেছিল। তার স্ত্রী মিনাকেও জেলে পাঠানো হয়। জেলের মধ্যে মীনাকে ধর্ষণ করে তাদের বাড়ির পুরনো ড্রাইভার আকবর। আসলে বিপ্লবের আগে শাহ'র আমলে মিনার বাবা রাজতান্ত্রিক সেনাবাহিনীর কর্নেল ছিলেন। মেয়েত গায়ে আকবর অতীতে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে কর্নেল আকবরকে প্রহার করেন। তারই শোধ তুলতে ক্ষমতা বদলের পর আকবর বিপ্লবী দলে যোগ যায়। কর্নেলকে হত্যা করে তার মেয়ে জামাইকে জেলে পাঠানোর ব্যবস্থা করে। জেলের মধ্যেই সোহেলের সঙ্গে দেখা করিয়ে দেওয়ার অজুহাতে আকবর মীনাকে ধর্ষণ করে। সেই ধর্ষণের ফলে দুটি যমজ বাচ্চা হয় মীনার। জেলখানায় মীনাকে জানানো হয় সোহেল মারা গেছে যদিও তার কবর দেখতে পায়না মীনা। আকবরের কৃপায় ছাড়া পায় ও দুই সন্তানকে নিয়ে আকবরের সাথে থাকতে শুরু করে। সোহেল এর অনেক পরে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে ভবঘুরে জীবন যাপন কর‍তে থাকে। ইস্তাম্বুলে এক পতিতার সাথে সহবাস করার পর সে দেখতে পায় মেয়েটির পিঠে তারই লেখা কবিতা উল্কিতে আঁকা রয়েছে। বজ্রাহত সোহেল জানতে চায় এই কবিতা তার গায়ে কিভাবে এল। পতিতা মেয়েটি জানায় সে শুনেছে এটি তারই পিতার লেখা কবিতা যা ছোটবেলায় তার মা স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে মেয়ের গায়ে লিখে দিয়েছিলেন। ছবির শেষ দৃশ্যে পুলিশের ক্রেন খালের ভিতর জলমগ্ন একটা গাড়ি উদ্ধার করে আনে, অনুমান করা যায় ওর ভেতরেই ছিল সোহেল আর আকবরের লাশ। পরের দৃশ্যে মীনা, তার মেয়েদেরকে নিয়ে একটা স্টিমারে ইউরোপের দিকে চলে যেতে থাকে।[৩]

অভিনয়[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Chicago International Film Festival - films & schedule - Rhino Season"। শিকাগো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। ১০ এপ্রিল ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ২৫, ২০১৩ 
  2. "7th AFA Nominees and Winners"। sianfilmawards.asia। ৩০ মে ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ২৫, ২০১৩ 
  3. "এক ছিলিম ফিলিম"। আনন্দবাজার পত্রিকা। ২৮ জুলাই ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুন ২০১৭