মনুষ্যবিহীন আকাশযান (ড্রোন)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
A MQ-9 Reaper during a training mission

মনুষ্যবিহীন যুদ্ধবিমান (ইংরেজি: Unmanned combat air vehicle) যা যুদ্ধ ড্রোন বা ড্রোন হিসেবে পরিচিত এক ধরনের মনুষ্যবিহীন আকাশযান। এগুলোতে কোনো চালকের প্রয়োজন হয় না।[১]


জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের গোপন তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার জন্য খুবই চমত্কার এটি । ভিভিআইপিদের অতিরিক্ত নিরাপত্তার স্বার্থে অনতিবিলম্বে ডিজিএফআই ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স ড্রোন আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে । [২]

সুবিধা[সম্পাদনা]

মনুষ্যবিহীন ড্রোন যুদ্ধবিমানগুলোতে সংবেদনশীল যন্ত্র ও ক্যামেরা থাকে। ওই ক্যামেরার মাধ্যমে গৃহীত ভিডিওচিত্র ভূমি থেকে বিমান নিয়ন্ত্রণকারী অপারেটরের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়। আকাশসীমায় গুপ্তচরবৃত্তি চালানো, নিজ দেশের আকাশসীমা পাহারা দেয়া, আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ, শত্রুদের বেতার ও রাডার সিস্টেমে ব্যাঘাত ঘটানো, আড়ি পেতে তথ্য জোগাড় করা থেকে শুরু করে প্রয়োজনে আরও ব্যাপক ভূমিকা পালন করতে পারে এ বিমান। এসব বিমান পাইলটবিহীন হওয়ায় যুদ্ধে পাইলটের মৃত্যুঝুঁকি থাকে না তাই যে কোনো পরিস্থিতিতে এ ধরনের বিমান ব্যবহার করা যায়। পাইলট না থাকায় ককপিট, অক্সিজেন সাপ্লাই সহ অনেক কিছুর প্রয়োজন হয় না। ফলে এতে অধিক অস্ত্র বহন করা যায়।

[১][৩]

গ্যালারি[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ এক ডজন ড্রোন বিমান পাকিস্তানকে দেয়ার প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের, দৈনিক ডেসটিনি। ঢাকা থেকে প্রকাশের তারিখ: ২৩ জানুয়ারি ২০১০ খ্রিস্টাব্দ।
  2. যায়যায়দিন http://www.jaijaidinbd.com/?view=details&type=single&pub_no=1669&cat_id=1&menu_id=13&news_type_id=1&news_id=256233&archiev=yes&arch_date=22-09-2016
  3. আধুনিক যত ড্রোন বিমান, মানবকণ্ঠ। ঢাকা থেকে প্রকাশের তারিখ: ২৪ জুলাই ২০১৩ খ্রিস্টাব্দ।

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]