ব্লাসফেমি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
The Blasphemer Stoned, as in Leviticus 24:13-23, published 1728, in "Figures de la Bible", P. de Hondt (publisher), The Hague

ব্লাসফেমি (ধর্ম অবমাননা) ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার জন্য এক ধরণের শাস্তি।[১]

উদ্ভব[সম্পাদনা]

ব্লাসফেমির উদ্ভব হয়েছিল প্রাচীন ও মধ্যযুগে। এখন থেকে এক হাজার ৪৫০ বছর আগে রোমের সামন্ত রাজারা প্রতিক্রিয়াশীল মৌলবাদী খ্রিষ্টান ক্যাথলিক চার্চের যাজকদের সহায়তায় জনগণের ওপর ধর্মের নামে অত্যাচারের হাতিয়ার হিসেবে ‘ব্লাসফেমি’র ব্যবহার শুরু করেছিল। আধুনিক যুগে এসে যখন চার্চ ও রাষ্ট্রকে আলাদা করা হয়, তখন থেকে এ আইনের বিবর্তন ঘটে। বিভিন্ন দেশের আইনে ধর্মের বিরুদ্ধে কটূক্তি ও আচরণের জন্য আইন থাকলেও তার আর প্রয়োগ সেভাবে নেই।[২]

ইসলামে ব্লাসফেমি[সম্পাদনা]

তবে ইসলামের ১৪০০ বছরের ইতিহাসে ‘ব্লাসফেমি’ আইনের দেখা পাওয়া যায় না। কোরআন বা হাদিসে ‘ব্লাসফেমি’ সম্পর্কে কিছু বলা নেই।[৩] পাকিস্তানের প্রখ্যাত ইসলামিক পণ্ডিত জাভেদ আহমদ ঘাদামি বলেছেন, ইসলামের কোথাও ব্লাসফেমি আইনের সমর্থনে কিছু বলা নেই। [৪] তবে মুসলিম আইনবিদেরা একে ‘শরিয়ার’ অংশ হিসেবে দেখিয়েছেন।[৫]

গ্যালারি[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ব্লাসফেমি আইনের পরিকল্পনা নেই —-প্রধানমন্ত্রী, দৈনিক জালালাবাদ। ঢাকা থেকে প্রকাশের তারিখ: এপ্রিল ৯, ২০১৩ খ্রিস্টাব্দ।
  2. জামায়াতের দাবিই উত্থাপন করল হেফাজত,রাশেদ খান মেনন, দৈনিক প্রথম আলো। ঢাকা থেকে প্রকাশের তারিখ: ১৩-০৪-২০১৩ খ্রিস্টাব্দ।
  3. Saeed, Abdullah; Hassan Saeed (2004)। Freedom of Religion, Apostasy and Islam। Burlington VT: Ashgate Publishing Company। পৃ: 38–39। আইএসবিএন 978-0-7546-3083-8  |coauthors= প্যারামিটার অজানা, উপেক্ষা করুন (সাহায্য)
  4. Islamic scholar attacks Pakistan's blasphemy laws Guardian 20 January 2010. Retrieved 23 January 2010
  5. "Islamic Voice"। Islamic Voice। সংগৃহীত 10 November 2011 

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]