হাঁপানি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
হাঁপানি / Asthma
শ্রেণীবিভাগ এবং বহিরাগত রিসোর্স

আইসিডি-১০ J45.
আইসিডি- 493
ওএমআইএম 600807
রোগ ডাটাবেস 1006
মেডলাইনপ্লাস 000141
ইঔষধ med/177 emerg/43
মেএসএইচ C08.127.108

হাঁপানি একটি শ্বাসকষ্ট সম্বলিত রোগ। কার্যতঃ এটি শ্বাসনালীর অসুখ। এর ইংরেজি নাম অ্যাজমা যা এসেছে গ্রিক শব্দ Asthma থেকে। বাংলায় হাঁপানি। যার অর্থ হাঁপান বা হাঁ-করে শ্বাস নেয়া। হাঁপানি বলতে আমরা বুঝি শ্বাসপথে বায়ু চলাচলে বাধা সৃষ্টির জন্য শ্বাসকষ্ট (Dyspnoea) । সারা বিশ্বের প্রায় ১৫ কোটিরও বেশী মানুষ আ্যাজমা বা হাঁপানীতে আক্রান্ত হন। [১] বাংলাদেশে প্রতি বছর ৫০ হাজার লোক এই রোগে আক্রান্ত হয় এবং মাত্র পাঁচ শাতংশ রোগী চিকিৎসা লাভ করে।[২] হাঁপানির লক্ষণসমূহ নিম্নরূপঃ

  • শ্বাসকষ্ট
  • সাঁ-সাঁ শব্দে কষ্টসহকারে শ্বাস নেয়া।
  • শুকনো কাশি।
  • বুকে চাপ ধরা বা দমবìধভাব অনুভব করা।

মানবদেহে হাঁপানি তিনভাবে প্রকাশ হতে পারেঃ

  • আপাত সুস্খ লোকের হঠাৎ শ্বাসকষ্ট আরম্ভ হয়ে কয়েক মিনিট বা কয়েক ঘণ্টা পরে কষ্ট উপশম এবং রোগী আবার নিজেকে সুস্খ মনে করেন।
  • শ্বাসকষ্ট হঠাৎ আরম্ভ হয়ে আর কমে না; উপরন্তু বেড়ে যেতে থাকে। কোনো ওষুধে হাঁপানি কমে না। যদি এ অবস্খা বারো ঘণ্টার বেশি স্খায়ী হয়, তবে সে ধরনের হাঁপানিকে বলা হয় স্ট্যাটাস অ্যাজম্যাটিকাস বা অবিরাম তীব্র হাঁপানি।
  • একশ্রেণীর রোগীর শ্বাসপথে বাতাস চলাচলে সব সময়েই অল্প বাধা থাকে। বহু দিন এ অবস্খা থাকার ফলে কষ্টের অনুভূতি কম হয় এবং রোগী অল্প কষ্ট অনুভব করেন। কোনো কারণে শ্বাসপথে বায়ু চলাচলে আরো বাধার সৃষ্টি হলে তখনই হাঁপানির কষ্ট অনুভূত হয়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. [১]
  2. [২]