লিপিড

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কিছু সাধারণ লিপিডের গাঠনিক সংকেত। সর্বোপরে কোলেস্টেরল[১] and oleic acid.[২] মাঝে ট্রাইগ্লিসারাইড যা ওলায়েট, স্টিয়ারেট এবং পামিটেট শিকলের দারা মূল কাঠামোর গ্লিসারল এর সাথে যুক্ত। একদম নিচে ফসফোলিপিড ফসফাটিডাইক্লোরিন[৩]

লিপিড উদ্ভিদ ও প্রাণীদেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ জৈব রাসায়নিক পদার্থের নাম, যা কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন নিয়ে গঠিত। তবে কার্বোহাইড্রেটের মত এতে কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের অনুপাত ১:২:১ নয়। উদ্ভিদদেহে বিশেষ করে ফলে ও বীজে অধিক পরিমাণ লিপিড সঞ্চিত থাকে। লিপিড সাধারণত তেল ও স্নেহরূপে বিদ্যমান থাকে। সাধারণ তাপমাত্রায় কতিপয় লিপিড শক্ত থাকে এবং ১০-২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় কতিপয় লিপিড তরল থাকে। শক্ত ও কঠিন লিপিডকে স্নেহ এবং তরল লিপিডকে তেল বলা হয়। লিপিডের নির্দিষ্ট কোনো গলনাঙ্ক নেই।[৪]লিপিডের প্রধান কাজ হচ্ছে শক্তি সঞ্চয় করা, কোষ পর্দার গাঠনিক উপাদান হিসেবে কাজ করা।[৫][৬] ন্যানোটেকনোলজির পাশাপাশি খাদ্য এবং কসমেটিকস খাতে লিপিড বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়।[৭]

লিপিডের বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা]

  • লিপিড পানিতে অদ্রবণীয়।
  • এরা বর্ণহীন, স্বাদহীন ও গন্ধহীন।
  • এরা ইথার, অ্যালকোহল, বেনজিন, ক্লোরোফর্ম, অ্যাসিটোন, পেট্রোলিয়াম ইত্যাদি দ্রবণে দ্রবণীয়।
  • এরা ফ্যাটি অ্যাসিডের এস্টার হিসেবে বিরাজ করে।
  • লিপিড পানির চেয়ে হালকা, তাই এরা পানিতে ভাসে।
  • হাইড্রোলাইসিস শেষে এরা ফ্যাটি অ্যাসিড ও গ্লিসারোলে পরিণত হয়।
  • লিপিডের আণবিক ওজন বৃদ্ধির সাথে সাথে গলনাঙ্ক বৃদ্ধি পেয়ে থাকে।

লিপিডের শ্রেণীবিভাগ[সম্পাদনা]

লিপিডের শ্রেণীবিভাগ

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Maitland, Jr Jones (1998)। Organic Chemistry। W W Norton & Co Inc (Np)। পৃ: 139। আইএসবিএন 0-393-97378-6 
  2. Stryer et al., p. 328.
  3. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Stryer330 নামের ref গুলির জন্য কোন টেক্সট প্রদান করা হয়নি
  4. ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান, উচ্চ মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, প্রথম পত্র
  5. Fahy E, Subramaniam S, Murphy R, Nishijima M, Raetz C, Shimizu T, Spener F, Van Meer G, Wakelam M and Dennis E.A (2009)। "Update of the LIPID MAPS comprehensive classification system for lipids"। Journal of Lipid Research 50 (Supplement): S9–S14। ডিওআই:10.1194/jlr.R800095-JLR200পিএমআইডি 19098281পিএমসি 2674711 
  6. Subramaniam S, Fahy E, Gupta S, Sud M, Byrnes RW, Cotter D, Dinasarapu AR and Maurya MR (2011)। "Bioinformatics and Systems Biology of the Lipidome"। Chemical Reviews 111 (10): 6452–6490। ডিওআই:10.1021/cr200295kপিএমআইডি 21939287পিএমসি 3383319 
  7. Mashaghi S., Jadidi T., Koenderink G., Mashaghi A. (2013)। "Lipid Nanotechnology"Int. J. Mol. Sci. 2013 (14): 4242–4282। ডিওআই:10.3390/ijms14024242