রেডিওহেড
রেডিওহেড একটি ব্রিটিশ অল্টারনেটিভ রক ব্যান্ড। এর উৎপত্তি ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ডশায়ারের অ্যাবিংডনে। ব্যান্ডের সদস্যরা হলেন থম ইয়র্ক (কণ্ঠ, গিটার, পিয়ানো), জনি গ্রিনউড (গিটার, কিবোর্ড, অন্যান্য যন্ত্রসমূহ), এড ও’ব্রায়েন (গিটার, নেপথ্য কণ্ঠ), কলিন গ্রিনউড (বেজ, সিনথেসাইজার) ও ফিল সেলওয়ে (ড্রামস, পারকাশন)।
রেডিওহেডের প্রথম গান ‘ক্রিপ’ একটি একক হিসেবে ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হয়। এটি প্রাথমিকভাবে জনপ্রিয়তা পায়নি। কিন্তু তাদের প্রথম অ্যালবাম ‘পাবলো হানি’ (১৯৯৩) প্রকাশের কয়েক মাস পরই এই গানটি বিশ্বব্যাপী খ্যাতি লাভ করে। দ্বিতীয় অ্যালবাম ‘দ্য বেন্ডস’ (১৯৯৫) প্রকাশ পাবার পর যুক্তরাজ্যে তাদের খ্যাতি বৃদ্ধি পায়। তৃতীয় অ্যালবাম ‘ওকে কম্পিউটার’ (১৯৯৭) প্রকাশের পর তারা আন্তর্জাতিক খ্যাতিলাভ করে। ‘ওকে কম্পিউটার’কে ৯০দশকের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অ্যালবাম বিবেচনা করা হয়। 'কিড এ' (২০০০) ও 'অ্যামনেজিয়াক' (২০০১) অ্যালবামদুটোতে রেডিওহেড পরীক্ষামূলকভাবে ইলেকট্রনিক সঙ্গীত ও জ্যাজের সন্নিবেশ ঘটায়। অপরদিকে 'হেইল টু দ্য থিফ' (২০০৩) অ্যালবামটি গিটারপ্রধান রক ও যুদ্ধবিষয়ক গীতিকাব্যের সন্নিবেশ।
রেডিওহেডের প্রথম ছয়টি অ্যালবাম ২০০৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ২৫ মিলিয়ন কপির বেশি বিক্রি হয়েছে। ২০০৫ খ্রিস্টাব্দে রোলিং স্টোন ম্যাগাজিনের সর্বকালের সেরা ১০০ শিল্পীদের তালিকায় ব্যান্ডটি ৭৩তম স্থান পেয়েছিল।[১] ব্যান্ডটির প্রথম দিকের অ্যালবামগুলো ব্রিটিশ রক ও পপ সঙ্গীতের উপর প্রভাব বিস্তার করেছিল।[২] তাদের পরের অ্যালবামগুলো বিভিন্ন ঘরানার নানা শিল্পীদের প্রভাবিত করেছে।
অ্যালবামসমূহ [সম্পাদনা]
- পাবলো হানি (১৯৯৩)
- দ্য বেন্ডস (১৯৯৫)
- ওকে কম্পিউটার (১৯৯৭)
- কিড এ (২০০০)
- অ্যামনেজিয়াক (২০০১)
- হেইল টু দ্য থিফ (২০০৩)
- ইন রেইনবোজ (২০০৭)
- দ্য কিং অফ লিম্বস (২০১১)
তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]
- ↑ "The Immortals — The Greatest Artists of All Time: 73) Radiohead", Rolling Stone, 22 April 2005, http://www.rollingstone.com/music/lists/100-greatest-artists-of-all-time-19691231/radiohead-19691231, সংগৃহীত 3 October 2008
- ↑ "The 50 albums that changed music", The Observer, 16 July 2006, http://observer.guardian.co.uk/review/story/0,,1821230,00.html, সংগৃহীত 3 October 2009
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |