মেটফরমিন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মেটফরমিন
শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য
ক্যাস নম্বর 657-24-9[ক্যাস]
পাবচেম 4091 YesY
কেমস্পাইডার 3949 YesY
ইউএনআইআই 9100L32L2N YesY
EC number 211-517-8
ড্রাগব্যাংক DB00331
ChEMBL CHEMBL1431 YesY
Jmol-৩ডি ইমেজ Image 1
Image 2
রাসায়নিক তথ্য-উপাত্ত
আণবিক সংকেত C4H11N5
আণবিক ভর 129.16 g mol−1
সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা ছাড়া, পদার্থসমূহের সকল তথ্য-উপাত্তসমূহ তাদের প্রমাণ অবস্থা (২৫ °C, ১০০ kPa) অনুসারে দেওয়া হয়েছে।
তথ্যছক তথ্যসূত্র

মেটফরমিন (বিপি, ইংরেজি: Metformin) একটি বাইগুয়ানাইড বর্গের অ্যান্টি-ডায়াবেটিক ওষুধ। এটি টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগীর ক্ষেত্রে নির্বাচিত ওষুধ। [১] ওষুধটি একমাত্র ডায়াবেটিসের ওষুধ যা একই সাথে রক্তের লো ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন নামক কলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগের সমস্যাকে কিছুটা হলেও প্রতিরোধ করে। প্রত্যহ দরকারী ওষুধের ক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি মডেল তালিকা আছে। এই ওষুধটি সেই তালিকার অন্তর্গত। আর মাত্র একটি অ্যান্টি-ডায়াবেটিক ওষুধ এই তালিকায় আছে, তা হল গ্লিবেনক্লামাইড।[২]

রসায়ন[সম্পাদনা]

সাধারণত মেটফরমিন সংশ্লেষণ করা হয় ডাইমিথাইল্যামিন হাইড্রোক্লোরাইড এবং ২-সায়ানোগুয়ানিডিন এই দুটি যৌগকে উত্তপ্ত করে। ১৯২২ সালে এই পদ্ধতিটি বর্ণিত হয়েছিল।[৩][৪]

Metformin synthesis.svg

গঠন[সম্পাদনা]

অনেকদিন ধরেই মেটফরমিনের টটোমারিক গঠন ভুলভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছিল। ২০০৫ সালেই প্রথম এটি সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হয়।[৫] আসলে সঠিক টটোমার আর ওই টটোমারটির মাঝে স্থিতিশক্তির পার্থক্য ৩৭ কিলোজুল/মোল। এটি মিটফরমিন হাইড্রোক্লোরাইড হিসেবে দেয়া হয়। ২০০৯ সালের একটি গবেষণাপত্রে এটির গঠন সম্পর্কে জানা যায়।[৬] এটি অনুসারে: এর ইলেকট্রনিক গঠন এর প্রোটনসহ যে গঠনটি; তার থেকে আলাদা। নিরপেক্ষ অবস্থাটি একটি কনজুগেটেড সিস্টেম মাত্র। প্রোটন যোগ হবার পরপরই: প্রথমত, এই কনজুগেটেড সিস্টেমটি ভেঙ্গে যায়। দ্বিতীয়ত, এদের আন্তঃআণবিক হাইড্রোজেন বন্ধন ভেঙ্গে যায়। তৃতীয়ত, অণুটি নন-প্লানার হয়ে যায়।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

বাইগুয়ানাইড জাতীয় ওষুধগুলোর প্রাকৃতিক উৎস ফ্রেঞ্চ লাইলাক (বৈজ্ঞানিক নাম: Galega officinalis) নামক একটি গুল্ম। এই গাছটি ইউরোপীয় লোকজ ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।[৭]

লাইলাক, বাইগুয়ানাইডের প্রাকৃতিক উৎস

বৈজ্ঞানিক নথিপত্রে মেটফরমিন প্রথম বর্ণিত হয়েছিল ১৯২২ সালে। এটির বর্ণনা করেছেন এমিল ওয়ার্নার এবং জেমস বেল। সেটি অবশ্য এন,এন-ডাইমিথাইলগুয়ানাইড সংশ্লেষণের বাইপ্রোডাক্ট হিসেবে।[৩] ১৯২৯ সালে স্লোট্টা (Slotta) এবং শেশে (Tschesche) দেখান যে, খরগোশের রক্তের গ্লুকোজ এটি কমাতে সক্ষম। একই সাথে তারা এটি দেখেন যে এটি এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে কার্যকরী বাইগুয়ানাইড ধরনের ওষুধ।[৮] তবে এই পর্যবেক্ষণটি সবাই ভুলে যেতে থাকে। সিনথ্যালিন নামক একটি গুয়ানাইড ইতোমধ্যে বেশ নাম কুড়োয়। আবার ইনসুলিন এদিকে ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় জনপ্রিয়তা পেতে থাকে।[৯]

ফার্মাকোলজি[সম্পাদনা]

ব্যবহার[সম্পাদনা]

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. http://care.diabetesjournals.org/content/32/Supplement_1/S13.full
  2. (March 2010) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দরকারি ওষুধের মডেল তালিকাপিডিএফ (433 KB), ১৬তম সংস্করণ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, পৃষ্ঠা ২৪.
  3. ৩.০ ৩.১ Werner E, Bell J. The preparation of methylguanidine, and of ββ-dimethylguanidine by the interaction of dicyanodiamide, and methylammonium and dimethylammonium chlorides respectively. J Chem Soc, Transactions. 1921;121:1790–5. doi:10.1039/CT9222101790.
  4. Shapiro SL, Parrino VA, Freedman L. হাইপোগ্লাইসেমিক এজেন্টসমূহ. I β-Phenethylbiguanide এর রাসায়নিক ধর্ম. একটি নতুন হাইপোগ্লাইসেমিক এজেন্ট. J Am Chem Soc. 1959;81(9):2220–5. doi:10.1021/ja01518a052.
  5. Bharatam PV, Patel DS, Iqbal P,. বাইগুয়ানাইড জাতকসমূহের ফার্মাকোফোরিক বৈশিষ্ট্য: একটি ইলেকট্রনিক এবং গাঠনিক বিশ্লেষণ. J Med Chem. 2005;48(24):7615–7622. doi:10.1021/jm050602z.
  6. Patel DS, Bharatam PV. Novel N(L)2 species with two lone pairs on nitrogen: systems isoelectronic to carbodicarbenes. Chem Commun. 2009;(9):1064–6. doi:10.1039/b816595e.
  7. Witters L. ফরাসী লাইলাকের স্ফুরণ. J Clin Invest. 2001;108(8):1105–7. doi:10.1172/JCI14178. PMID 11602616. PMC 209536.
  8. দেখুন Chemical Abstracts, v.23, 42772 (1929) K. H. Slotta, R. Tschesche. Uber Biguanide. II. Die Blutzuckersenkende Wirkung der Biguanides. Berichte der Deutschen Chemischen Gesellschaft B: Abhandlungen. 1929;62:1398–1405. doi:10.1002/cber.19290620605.
  9. Campbell IW. Metformin—life begins at 50: ডায়বেটিস চর্চার ইউরোপীয় সংস্থার ৪৩তম বার্ষিক সভায় অনুষ্ঠিত সিমপোজিয়াম, আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস, সেপ্টেম্বর, ২০০৭. The British Journal of Diabetes & Vascular Disease. 2007;7:247–252. doi:10.1177/14746514070070051001.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]