ভ্যাসকুলাইটিস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ভ্যাসকুলাইটিস
শ্রেণীবিভাগ এবং বহিরাগত রিসোর্স
আইসিডি-১০ I77.6, I80., L95., M30.-M31.
আইসিডি- 446, 447.6
রোগ ডাটাবেস ১৩৭৫০
মেএসএইচ ডি০১৪৬৫৭

ভ্যাসকুলাইটিস (ইংরেজি: Vasculitis) মানবদেহের একজ প্রজাতির অসুখ যার মুখ্য অনুষঙ্গ হলো রক্তনালীসমূহের প্রদাহ। শরীরের রক্তবাহী নালি ধমনী, শিরা, উপশিরা, ক্যাপিলারি ইত্যাদিকে একযোগে ভ্যাসকুল্যার সিস্টেম হিসাবে চিকিৎসা শাস্ত্রে উল্লেখ করা হয়। উৎস এবং উপসর্গ ভেদে ভ্যাসকুলাইটিস নানা রকম হতে পারে।[১] এটা কোনো সংক্রামক রোগ নয়।

ভ্যাসকুলাইটিস কী[সম্পাদনা]

ভ্যাসকুলাইটিস কার্যত রক্তবাহী শিরা, উপশিরা, ক্যাপিলারি প্রভৃতির প্রদাহ। এর ফলে রক্তনালির গাত্রদেশ দুর্বল হয়ে পড়ে, এবং রক্ত চলাচলের পথ সংকীর্ণ হয়ে পড়ে এবং ফলস্বরূপ সন্নিহিত তন্তু ও কলাসমূহে রক্ত সঞ্চালন হ্রাস পায় এবং, ফলস্বরূপ, সংশ্লিষ্ট অঙ্গ-প্রত্যঙ্গসমূহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে এটি যে কোন রক্তনালিকা বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে সংঘটিত হতে পারে। এটি এক প্রকার অটোইমিউন রোগও বটে। অথ্যাৎ কোন কারণে দেহের রোগপ্রতিরোধী ব্যবস্থা হঠাৎ উদ্দীপ্ত হয়ে নিজ কোষ, তন্তু বা কলাকে বহিরস্থ আক্রমণকারী (বাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া) ঠাওর করে এবং প্রতিরোধের জন্য অ্যান্টিবডি তৈরী করে রক্তে ছড়িয়ে দেয়। [২]

উপসর্গসমূহ[সম্পাদনা]

কী ভাবে শনাক্তকরণ সম্ভব[সম্পাদনা]

প্রকারভেদ[সম্পাদনা]

প্রায় ২০ প্রকার দৈহিক সমস্যা আছে যা ভ্যাসকুলাইটিস হিসাবে চিহ্নিত। অ্যানজাইটিস যার অর্থ শিরার প্রদাহ এবং আর্টেরাইটিস যার অর্থ ধমনীর প্রদাহ প্রকৃতপক্ষে ভ্যাসকুলাইটিসের সমার্থক। [৩]

হেনোখ-শোনলেইন ভ্যাসকুলাইটিস[সম্পাদনা]

রিউমাটোয়েড ভ্যাসকুলাইটিস[সম্পাদনা]

ওয়েগনার'স গ্যানিউলোমেটাসিস[সম্পাদনা]

মাইক্রোস্কপিক পরিএনজাইটিস[সম্পাদনা]

হেপাটাইটিস সি ও ভ্যাসকুলাইটিস[সম্পাদনা]

হেনোখ-শোনলেইন ভ্যাসকুলাইটিস আক্রান্ত দুই পায়ে রক্তকুড়িঁ বা পাল্পেবল্‌ পারপুরা'র চিহ্ন; পায়ের ফুলে যাওয়া আর্থরাইটস ইঙ্গিত করছে

চিকিৎসা পদ্ধতি[সম্পাদনা]

প্রতিরোধ[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. What is vasculitis
  2. ভ্যাসকুলাইটিস ফাউণ্ডেশান– কানাডা
  3. ভ্যাসকুলাইটসের প্রকারভেদ

রোগ-ব্যাধি