ভেসপুলা ফ্লাভিসেপস
| ভেসপুলা ফ্লাভিসেপস | |
|---|---|
| জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস | |
| জগৎ/রাজ্য: | প্রাণী জগৎ |
| পর্ব: | Arthropoda |
| শ্রেণী: | Insecta |
| বর্গ: | Hymenoptera |
| পরিবার: | Vespidae |
| গণ: | Vespula |
| প্রজাতি: | V. flaviceps |
| দ্বিপদ নাম | |
| Vespula flaviceps স্মিথ, ১৮৭০ |
|
ভেসপুলা ফ্লাভিসেপস (ইংরেজি: Vespula flaviceps) হচ্ছে ভেসপুলা গণভুক্ত বোলতার একটি প্রজাতি। পূর্ব এশিয়া ও জাপানে মূলত এটি দেখতে পাওয়া যায়। এক গবেষণায় দেখা গেছে, এই প্রজাতির স্ত্রী বোলতা একই সাথে অনেক পুরুষ বোলতার সাথে মিলিত হতে পারে, এবং একইসাথে সবার শুক্রাণু ব্যবহারও করতে পরে। যদিও এখন পর্যন্ত এরকমটি হবার কারণ সঠিকভাবে বোঝা সম্ভব হয়নি।[১]
পরিচ্ছেদসমূহ |
[সম্পাদনা] শ্রেণীবিন্যাস
[সম্পাদনা] সমার্থক নাম
ভেসপুলা ফ্লাভিসেপস-এর দ্বিপদ নাম একাধিক। এ ধরনের কতোগুলো নামের তালিকা নিম্নে দেওয়া হলো:[২]
- Vespula gracilia
- Vespa saussurei
- Vespa quadrimaculata
- Vespula pionganensis
- Vespa japonica
- Vespa karenkona
- Vespa lewisii
- Vespa flavior
[সম্পাদনা] উপপ্রজাতি
ভেসপুলা ফ্লাভিসেপস-এর উপপ্রজাতির সংখ্যা দুই। এগুলো হচ্ছে:
- V. f. flaviceps
- V. f. lewisii
[সম্পাদনা] খাদ্য হিসেবে
ভেসপুলা ফ্লাভিসেপস মধ্য জাপানের একটি জনপ্রিয় খাদ্য। সকল অবস্থাতেই এটি মানুষ গ্রহণ করলেও, মূলত এর লার্ভাকে সবচেয়ে সুস্বাদু ধরা হয়।[৩] ছোট বাসস্থানগুলোতে কৃত্রিম চাক সংগ্রহ করে খাদ্য হিসেবে তা চাষ করার জন্যে ভেসপুলা ফ্লাভিসেপস লালন-পালন করা হয়।[৪] এই চাকগুলো শীতকালে মানুষের কাছে বসতি স্থাপন করে, যাতে শুধু মানুষের উপকার নয়, বরং বোলতারও উপকার হয়। ঠাণ্ডা থেকে বাঁচার ফলে তাদের পরিবেশে টিকে থাকার সম্ভাবনাও বাড়ে।[৪]
জাপানের কিছু স্থানে এই পতঙ্গটিকে ভাতের সাথে খাওয়া হয়।[৩] চুবু এলাকায় লার্ভার সাথে ভাতের এই মিশ্রণ খুবই সুস্বাদু একটি খাবার হিসেবে বিবেচিত। এই খাবার মূলত বিশেষ বিশেষ উৎসবগুলোতে রান্না করা হয়, যেমন: বসন্তকালীন উৎসব।[৩] ভেসপুলা ফ্লাভিসেপস রান্না বা ভাজি করে খাওয়া যেতে পারে। লার্ভা ও পিউপি সচারচর বাসা থেকে এনে সয়া সস, চিনি, এবং অন্যান্য কৃত্রিম মশলায় মাখিয়ে রান্না করা হয়।[৩] সাম্প্রতিককালে, এই প্রজাতির সংখ্যা জাপানে কমে যাওয়ায়, কোরিয়া থেকে এটি আমদানী করা হয়।
[সম্পাদনা] তথ্যসূত্র
- ↑ Foster, Kevin R.; Francis L.W. Ratnieks (2001). Paternity, reproduction, and conflict in vespine wasps: A model system for testing kin selection predictions. প্রকাশক: Springer-Verlag. http://www.people.fas.harvard.edu/~kfoster/FosterRatnieksBES2001.pdf। সংগৃহীত হয়েছে: 12 February 2010.
- ↑ Species: Vespula flaviceps (Smith, 1870). Global Biodiversity Information Facility. 2000. http://www.gbif.net/species/14587588। সংগৃহীত হয়েছে: 12 February 2010.
- ↑ ৩.০ ৩.১ ৩.২ ৩.৩ Makoto, Matsuura (1999). The History and Present Situation of Insect Foods in Japan : Focusing on Wasp and Hornet Broods (Abstract). Bulletin of the Faculty of Bioresources. প্রকাশক: Mie University. http://ci.nii.ac.jp/naid/110000506908/। সংগৃহীত হয়েছে: 12 February 2010.
- ↑ ৪.০ ৪.১ Toms, Rob; Kenichi Nonaka (2005). Sustainable Harvesting in Japan. Harvesting of insects in South Africa and Japan- Indigenous Knowledge in the Classroom. প্রকাশক: Merck Education. http://www.scienceinafrica.co.za/2005/july/edibleinsects.htm। সংগৃহীত হয়েছে: 12 February 2010.
[সম্পাদনা] বহিঃসংযোগ
The History and Present Situation of Insect Foods in Japan : Focusing on Wasp and Hornet Broods