দ্বিতীয় লাইবেরীয় গৃহযুদ্ধ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

দ্বিতীয় লাইবেরীয় গৃহযুদ্ধ ১৯৯৯ থেকে শুরু হয়। প্রতিবেশী দেশ গিনি, লাইবেরিয়ার একটি রাজনৈতিক দলকে সহায়তা করে। Liberians United for Reconciliation and Democracy বা সংক্ষেপে "এলইউআরডি" নামে পরিচিত এই দল গিনির সহায়তায় প্রভাব অর্জনের চেষ্টা করলে গৃহযুদ্ধের সূচনা ঘটে। ২০০৩ খ্রিস্টাব্দের প্রথমদিকে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে Movement for Democracy in Liberia নামে আরেকটি বিদ্রোহী দলের উত্থান ঘটে। ২০০৩-এর জুন-জুলাই মাসের দিকে চার্লস টেইলরের সরকার দেশটির মাত্র এক তৃতীয়াংশের উপর কর্তৃত্ব করতে পারতো। এলইউআরডি রাজধানী মনরোভিয়া অবরোধ করে এবং তাদের শেলের আঘাতে শহরের অনেক বেসামরিক লোক মারা যায়। এই যুদ্ধের কারণে হাজার হাজার মানুষকে তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে চলে যেতে হয়।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশন[সম্পাদনা]

২০০৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের মহাসচিব কফি আনান লাইবেরিয়াতে শান্তি মিশন প্রেরণের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। ১৯ সেপ্টেম্বর নিরাপত্তা পরিষদ এই প্রস্তাবে সম্মত হয়। এভাবেই প্রথমে ১৫,০০০ লোকের সমন্বয়ে United Nations Mission in Liberia বা সংক্ষেপে "UNMIL" গঠিত হয়, এর মধ্যে সামরিক ও বেসামরিক উভয়ই ছিল। মিশনে সামরিক বাহিনীর সদস্যই বেশি ছিল, তবে বেসামরিক পুলিশ বাহিনী, রাজনৈতিক উপদেষ্টা এবং মানবতাবাদী কর্মীও ছিল। ১ অক্টোবর এই মিশনের শান্তিরক্ষীরা Economic Community Of West African States বা ECOWAS-কে প্রতিস্থাপিত করে। অবশ্য অনেক কর্মী দুই দলেই ছিল। ২০০৪ সালের অক্টোবরে মনরোভিয়াতে তিন দিনব্যাপী দাঙ্গায় ৪০০ জন আহত এবং ১৫ জন নিহত হয়।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]