ডিজিটাল ক্যামেরা
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। (মে ২০১১) |
ডিজিটাল ক্যামেরা বলতে এমন ক্যামেরা বোঝায়, যেগুলোতে সনাতনী ফিল্ম ব্যবহৃত হয় না, বরং তার বদলে মেমরী চিপের মধ্যে ছবি ধারণ করে রাখার ব্যবস্থা থাকে।
ডিজিটাল ক্যামেরার মান হিসাব করা হয় মেগা পিক্সেল দিয়ে: যত বেশি মেগা পিক্সেল তত বেশি বড় ছবি ধারণ করার ক্ষমতা। প্রথমে দাম বেশি থাকলেও ফিল্ম ক্যামেরা থেকে অনেক দ্রুত দাম কমছে, এবং ক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে ফিল্ম লাগেনা এবং সাথে সাথে স্ক্রিনে ছবি দেখা যায় বলে এর চাহিদা ব্যাপক হারে বাড়ছে। নিকট ভবিষ্যতে এটি ফিল্ম ক্যামেরাকে জাদুঘরের পণ্যে পরিণত করতে পারে।
সূচিপত্র |
[সম্পাদনা] কিভাবে কাজ করে
সনাতন তথা এনালগ ক্যামেরা মেকানিক্যাল ও ক্যামিকেল প্রসেসের উপর নির্ভরশীল এবং ফটো তোলার সময় আলো লেন্সের মাধ্যমে শার্টারের মধ্য দিয়ে এসে ফিল্মের উপর পড়ে। ফিল্মের এই ছবিকে আর পরিবর্তন করা সম্ভব হয় না। বিভিন্ন ধাপে রাসায়নিক প্রসেসের মাধ্যমে এই ফিল্ম থেকে ছবি প্রিন্ট হয়। ডিজিটাল ক্যামেরার প্রসেস হচ্ছে ইলেকট্রনিক এবং আলো এসে পড়ে CCD (Charge-Coupled Device) সেন্সরের উপর। সেন্সরে ছবি ১ ও ০ পদ্ধতিতে সংরক্ষণ হয়। এরপর বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক প্রসেসের মাধ্যমে পুর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ছবি, তারপরে ক্যামিকেল প্রসেসে প্রিন্ট কপি। CCD/CMOS-র এই ডিজিটাল তথ্য (ছবি) কমপিউটার, ইন্টারনেট এবং সব ধরণের ডিজিটাল ডিভাইসে ব্যবহার করা সম্ভব। ডিজিটাল ছবি সরাসরি ডিজিটাল ক্যামেরায় বা কমপিউটারে এডিট করা যায়।
[সম্পাদনা] কমপ্যাক্ট বনাম ডিএসএলআর
[সম্পাদনা] গুরুত্বপূর্ণ ফিচার/ফাংশন
[সম্পাদনা] তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা] বহিঃসংযোগ
http://techtunes.com.bd/tutorial/tune-id/20340/#ixzz1NIzs0b62
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |