গুন্ডাপ্পা বিশ্বনাথ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
গুন্ডাপ্পা বিশ্বনাথ

১৯৪৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারী ভারতের মহীশুরের ভদ্রবটীতে জন্মগ্রহণ করেন। তৎকালীন ভারতীয় টেস্ট ক্রিকেটারদের মধ্যে অন্যতম প্রতিভা। পুরো নাম গুণ্ডাপা রঙ্গনাথ বিশ্বনাথ। ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে সুখ্যাতি অর্জন করেন।ডাক নাম ভিশি। কর্ণাটক, মহীশুর এবং অবশ্যই ভারতীয় দলে খেলেছেন। এছাড়াও, আইসিসি’র ম্যাচ রেফারী হিসেবে ১৫টি টেস্টে বিচারক হিসেবে নিজেকে সংযুক্ত রেখেছিলেন ক্রিকেটপ্রীয় বিশ্বনাথ।এছাড়াও, ৭৮টি একদিবসীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ম্যাচ রেফারী ছিলেন।

টেস্টে অংশগ্রহণ[সম্পাদনা]

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে নভেম্বর ১৫-২০, ১৯৬৯-এ অনুষ্ঠিত কানপুর টেস্টের মাধ্যমে অভিষেক ঘটে গুণ্ডাপ্পা বিশ্বনাথের। সর্বশেষ টেস্ট হিসেবে করাচীতে চীরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অংশ নেন ১৯৮৩র জানুয়ারী ৩০-ফেব্রুয়ারী ৪-এ।

গুণগান[সম্পাদনা]

তৎকালীন টেস্ট ক্রিকেটে সত্যিকারের উইলো শিল্পী ছিলেন বিশ্বনাথ। তার স্টোক বিশেষ করে মজবুত কব্জীতে লেট-কাট বলগুলোকে সীমানার বাইরে নিয়ে যেতো অনায়াসে যা স্বর্গীয় অনুভূতি থেকে কম ছিল না। তিনি পেস ও স্পিন বোলিংয়ের বিপক্ষে দু’টো বিভাগেই সমান দক্ষ ছিলেন। পেস বোলিংয়ে রান উপযোগী বলের জন্য অপেক্ষা করতেন এবং স্পিনারদের বলগুলোকে অপূর্ব ফুটওয়ার্কের মাধ্যমে মোকাবেলা করে রান আদায় করতেন।সত্তরের দশকে গাভাস্কারের সহযোদ্ধা ছিলেন। যখন অন্যান্য ব্যাটসম্যানেরা ব্যর্থ হতেন তখন নিপুণ কারিগরের মতো স্বমহিমায় তার ব্যাট কথা বলতো। তেমনি স্মরণীয় হয়ে আছেন - ৭৪/৭৫ সালে এণ্ডি রবার্টসের ওয়েস্ট ইণ্ডিজের বিরুদ্ধে ম্যাচজয়ী ৯৭; ৭৮/৭৯-তে মাদ্রাজের বাউন্সি উইকেটে একই দলের বিরুদ্ধে শ্বাসরুদ্ধকর ১২৪ রান করে। এছাড়াও, ১৯৭৫/৭৬ মৌসুমে নউজিল্যাণ্ডের বিরুদ্ধে উভয় ইনিংসে ৮৩ ও ৭৯ রান ছিল ভারতীয় দলের মূল ভিত্তি।

বিশেষত্ব[সম্পাদনা]

গুণ্ডাপ্পা বিশ্বনাথ অক্টোবর ২৪, ২০১০ ইং পর্যন্ত ভারতীয় টেস্ট ক্রিকেট দলের ২৬৬ জন খেলোয়াড়ের মধ্যে ১২৪তম খেলোয়াড় হিসেবে অভিষিক্ত হয়েছেন ভারত-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার কানপুরের গ্রীণ পার্কের ১৫ নভেম্বর, ১৯৬৯ তারিখে।ঐ টেস্টের ১ম ইনিংসে ০ রান করলেও ২য় ইনিংসে ম্যারাথন ৩৫৪ মিনিটে ২৫টি বাউণ্ডারী সমৃদ্ধ ১৩৭ রান। এ রানের কল্যাণেই ভারত অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ড্র করতে সমর্থ হয়। তিনি স্মরণীয় হয়ে আছেন ও থাকবেন সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন খেলোয়াড় হিসেবে।