গাঁজন
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। (মার্চ ২০১০) |
গাজন বা ফারমেন্টেশন (Fermentation) বলতে সাধারণ মানুষ অ্যালকোহল উৎপাদন বোঝে। বিভিন্ন শস্য ও ফল হতে গাজন প্রক্রিয়ায় বিয়ার ও মদ তৈরি করা হয়।
শব্দের উৎপত্তি [সম্পাদনা]
ইংরেজি ফারমেন্টেশন শব্দটি ল্যাটিন ফারভার (Fervere) শব্দ থেকে এসেছে। ফারভার অর্থ হল ফুটানো। ফল বা শস্যের নির্যাসের (extract) উপর ইস্ট এর জৈব-রাসায়নিক ক্রিয়ায় কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপন্ন হয়। যখন এই কার্বন ডাই অক্সাইড বুদ্বুদ্ আকারে উপরে উঠে, তখন একে ফুটানো পানির মত মনে হয়।
সংঞ্জা [সম্পাদনা]
প্রান-রসায়নবিদ (Biochemist) ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল মাইক্রোবায়োলজিস্টদের এর কাছে ফারমেন্টেশনের অর্থ ভিন্ন। প্রান-রসায়নবিদের কাছে ফারমেন্টেশন হল এক প্রকার জৈব-রাসানিক প্রক্রিয়া যেখানে জৈব যৌগ ইলেক্ট্রন (electon)গ্রহিতা বা ইলেক্ট্রন দাতা হিসেবে কাজ করে। অন্যদিকে ইন্ডাস্ট্রিয়াল মাইক্রোবায়োলজিস্টদের কাছে ফারমেন্টেশন হল অণুজীবের ব্যাপক আবাদের মাধ্যমে পন্য উৎপাদন করা। প্রান-রসায়নবিদের সংঞ্জামতে গাজন শুধু মাত্র অবাত (Anaerobic respiration)শ্বসন প্রক্রিয়া। অপরদিকে, ইন্ডাস্ট্রিয়াল মাইক্রোবায়োলজিস্টরা অবাত ও সবাত (Aerobic respiration) উভয় ধরণের প্রক্রিয়াকে গাজন হিসেবে ধরা হয়।
ফারমেন্টেশনের ব্যাপ্তি [সম্পাদনা]
শিল্প ক্ষেত্রে পাঁচ প্রকার গাজন গুরুত্বপূর্ণঃ
১. যেক্ষেত্রে স্বয়ং অণুজীব (Biomass) পন্য হিসেবে তৈরি হয়।
২. যেক্ষেত্রে অণুজীবের উৎসেচক (Enyme) তৈরি হয়।
৩. যেক্ষেত্রে অণুজীবের দ্বারা উৎপন্ন কোন যৌগ (Microbial Metabolite)তৈরি হয়।
৪. যেক্ষেত্রে রিকম্বিনেন্ট (Recombinant) পন্য উৎপন্ন হয়।
৫. যেক্ষেত্রে ফারমেন্টারে (fermenter) যোগ করা কোন যৌগের পরিবর্তন সাধন (Modify) হয়। এই প্রত্রিয়াকে (Microbial Transformation) বলা হয়।