কীটবিজ্ঞান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

কীটবিজ্ঞান (বা কীটতত্ত্ব বা কীটবিদ্যা; ইংরেজি: Entomology) প্রাণীবিজ্ঞানের ফলিত শাখা যেখানে কীট বা পোকা সম্পর্কিত যাবতীয় বিষয়সমুহ বৈজ্ঞানিক উপায়ে আলোচনা করা হয়। অতীতে “পতঙ্গ” শব্দটি অধিক অস্পষ্ট ছিল, এবং ঐতিহাসিকভাবে কীটবিজ্ঞানের সংজ্ঞার মধ্যে অন্যান্য পর্বের বা আর্থ্রোপোড দলের স্থলজ প্রাণী, যেমন আরাকনিড, মিরিয়াপোড, কেঁচো, স্থল শামুক, এবং স্লাগের অধ্যয়নও অন্তর্ভুক্ত ছিল। বৃহৎ পরিসরে অনানুষ্ঠানিকভাবে এখনও কীট বুঝাতে এসবকেও বুঝানো হয়।

প্রাণীবিদ্যার অন্যান্য শাখার মতোন কীটবিজ্ঞান একটি টেক্সন-ভিত্তিক বিভাগ। যেকোনো ধরণের বৈজ্ঞানিক অধ্যয়ণ, যাতে কীট সম্বন্ধীয় অনুসন্ধানের উপর আলোকপাত করা হয়, সংজ্ঞানুসারে তাকে কীটবিজ্ঞান বলে। সে কারণে কীটবিজ্ঞানের আলোচনার মধ্যে নানান বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকে যেমন, আণবিক জিনতত্ত্ব, আচরণ, বায়োমেকানিকস, জৈব রসায়ণ, সিসটেমেটিক্স, শারীরবিদ্যা, বিবর্তনশীল জীববিদ্যা, বাস্তুবিদ্যা, অঙ্গসংস্থানবিদ্যা, জীবাশ্মবিজ্ঞান, গণিত, নৃবিজ্ঞান, রবোটিক্স, কৃষি, পুষ্টি, ফরেনসিক বা বিচারসহায়ক বিজ্ঞান, ইত্যাদি।

প্রায় ১৩ লক্ষ বর্ণনাকৃত প্রজাতির মধ্যে কীট হল জানা জীবের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশেরও অধিক। [১] ৪০ কোটি বছরেরও পুরনো ইতিহাসধারী এই কীটের সাথে মানুষ এবং অন্যান্য জীবের জীবন ওতোপ্রতোভাবে জড়িয়ে আছে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]