কিরকোফের বর্তনীর সমীকরণসমূহ
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। (মার্চ ২০১০) |
কিরকোফের বর্তনীর সমীকরণসমূহে দুইটি সমীকরণ বর্ণনা করে, একটি চার্জ সংরক্ষণ এবং অপরটি শক্তি বৈদ্যুতিক বর্তনীতে। ১৮৪৫ সালে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী গুস্টাফ কিরকোফের মধ্যে একে প্রথম বর্ণনা করা হয়। তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশলে একে অধিক মাত্রায় ব্যবহার করা হয়। এদেরকে কিরকোফের নিয়ম বা সাধারণভাবে কিরকোফের সূত্রও বলা হয়ে থাকে।
একটি জটিল বর্তনীতে কিরকোফের দু্ইটি সমীকরণ প্রয়োগ করে এর প্রত্যেক শাখার বর্তনীর প্রাবল্য (intensity) এবং রোধকের পার্থক্য গণনা করা সম্ভব: নোডস (গাট) এর সূত্র এবং মেশের (জাল) সূত্র।
আরও দেখুন [সম্পাদনা]
বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]
- Core Unit III: Electricity, C. Electric Circuits
- MIT video lecture on the KVL and KCL methods