ওলে গানার সলশেয়ার
| ওলে গানার সলশেয়ার | ||
| ব্যক্তিগত তথ্য | ||
|---|---|---|
| জন্ম তারিখ | ফেব্রুয়ারি ২৬, ১৯৭৩ | |
| জন্ম স্থান | Kristiansund, নরওয়ে | |
| উচ্চতা | ১.৭৮ মিটার (৫’–১০”) | |
| মাঠে অবস্থান | স্ট্রাইকার, উইঙ্গার (অবসর) | |
| তরুণ ক্লাব | ||
| Clausenengen | ||
| সিনিয়র ক্লাব1 | ||
| বছর | ক্লাব | খেলা (গোল)* |
| ১৯৯০-১৯৯৪ ১৯৯৪-১৯৯৬ ১৯৯৬-২০০৭ |
Clausenengen Molde ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড |
১০৯ (১১৫) ৪২ (৩১) ২৩৫ (৯২) |
| জাতীয় দল | ||
| ১৯৯৫-২০০৭ | নরওয়ে | ৬৭ (২৩) |
|
1 পেশাদারী ক্লাবের উপস্থিতি ও গোলসংখ্যা |
||
ওলে গানার সলশেয়ার (জন্ম ফেব্রুয়ারি ২৬, ১৯৭৩) একজন নরওয়েজীয় ফুটবলার যিনি বর্তমানে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড দলে খেলেন। ইংল্যান্ডে আসার আগে সলশেয়ার নরওয়ে সেনাবাহিনীতে এক বছর কাজ করেন।[১] তিনি অনিয়মিত ভাবে তৃতীয় বিভাগের দল ক্লাউজেনেনগেন এফ কে এ খেলতেন, পরে তিনি নরওয়ে প্রিমিয়ার লীগের দল মোল্ডে এফ কে দলে সরে আসেন ১৯৯৪ সালে। জুলাই ২৯, ১৯৯৬ সালে তিনি যোগ দেন ইউনাইটেডে, তখন তার ফি ছিল £১.৫ মিলিয়ন। ২০ নম্বর জার্সি গায়ে দিয়ে খেলা সলশেয়ার ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডেই তার ফুটবল জীবনের ইতি টেনেছেন। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে তিনি ৩৬৬ খেলায় ১২৬ গোল করেছেন। ১৯৯৯ সালের ত্রয়ী জেতা দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি।
খেলার শেষের দিকে গোল করার প্রবণতার কারণে সলশেয়ার বিখ্যাত ছিলেন। প্রায়শই হারের মুখ থেকে তিনি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে ড্র এমনকি বিজয় এনে দিয়েছেন। এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ হচ্ছে ১৯৯৯ সালের উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগের ফাইনাল খেলায় বার্সেলোনার ক্যাম্প ন্যু তে বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ে তার দেয়া বিজয়সূচক গোল।
২০০৭ সালের ২৭ আগস্ট গুরুতর হাঁটুর আঘাতের ফলে সলশেয়ার তার ফুটবল ক্যারিয়ারের ইতি টানতে বাধ্য হন।[২] তবে তিনি ওল্ড ট্রাফোর্ডেই তার কোচিং ক্যারিয়ার শুরু করবেন।
[সম্পাদনা] তথ্যসূত্র
- ↑ Carling Cups news: Meet the teams [১]
- ↑ United stalwart retires
[সম্পাদনা] বহিঃসংযোগ
- Biography at TV.com
- Ole Gunnar Solskjær official website
- Ole Gunnar Solskjær biography on ManUtd.com
- Ole Gunnar Solskjær ক্যারিয়ার তথ্য
- Ole Gunnar Solskjær profile on BBCsport
- Video of Solskjær's career (YouTube)
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |