উমর ইবনুল খাত্তাব
| উমর ইবনুল খাত্তাব | |
|---|---|
| [[File: |frameless|alt=]] | |
| রাজত্বকাল | ৬৩৪ – ৬৪৪ |
| সমাধিস্থল | মসজিদে নববী |
| পূর্বসূরি | আবু বকর |
| উত্তরসূরি | উসমান |
| পিতা | খাত্তাব ইবনে নুফাইল |
উমর ইবনুল খাত্তাব (আরবি, عمر بن الخطاب) (৫৮০ – নভেম্বর ৩, ৬৪৪) যিনি সচরাচর হযরত উমর নামে অভিহিত, ইসলাম ধর্মের মহানবী মুহাম্মাদ এর ঘনিষ্ঠ সাহাবী। তিনি ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। কুরাইশ গোত্রের বনু আদি সম্প্রদায়ে তাঁর জন্ম। তিনি উমর আল ফারুক নামেও পরিচিত। 'ফারুক' অর্থ সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী। তিনি খুলাফায়ে রাশেদীন এর দ্বিতীয় খলিফা হলেও শিয়া সম্প্রদায় তাঁকে ইসলামের খলিফা হিসেবে প্রাপ্য মর্যাদা প্রদান করে না।
পরিচ্ছেদসমূহ |
প্রাথমিক জীবন [সম্পাদনা]
উমর বর্তমান সৌদী আরবের মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম খাত্তাব ইবনে নুফাইল। তাদের পরিবার মূলত মধ্যবর্তী ধরনের ছিল। তিনি শিক্ষিত ছিলেন যা তখনকার আরব সমাজে অনেকটাই ব্যতিক্রম ছিল এবং শিক্ষিতদের অন্যরকম সম্মান ছিল। সুস্বাস্থ্য, শক্তিশালী, সাহসী এবং বিশেষ করে রাগী পুরুষ হিসেবেও তিনি সুপরিচিত ছিলেন। যৌবনকালে একজন প্রথম শ্রেণীর কুস্তীগীর হিসেবে প্রখ্যাত ছিলেন। তথনকার আমলে মদ পান আরবে খুবই সাধারণ বিষয় ছিল এবং অনেকের বর্ণনামতে উমর ইসলাম গ্রহণের পূর্বে মদ পান করতেন। কিন্তু ইসলাম গ্রহণের পর তিনি কখনও মদ্য স্পর্শ করেননি।[১]
ইসলাম গ্রহণ [সম্পাদনা]
মুহাম্মদ যখন প্রথম ইসলামের বাণী প্রচার করেন তখন উমর তাঁর তীব্র বিরোধিতা করেন এবং কুরাইশদের প্রথাগত ধর্ম রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ইসলাম বিরোধী হিসেবে তিনি সুপরিচিত ছিলেন। ইবনে ইসহাকের সীরাত গ্রন্থ অনুসারে উমর মুহাম্মদকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন এবং একদিন সে উদ্দেশ্যেই মুক্ত তরবারী হাতে ঘর থেকে বের হন। পথিমধ্যে তিনি একজনের সাক্ষাৎ লাভ করেন যিনি ইতোমধ্যে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। সেই ব্যক্তি তাঁকে নবীকে হত্যার পূর্বে প্রথমে নিজের ঘর সামলানোর জন্য বলেন। তাঁর কাছে উমর জানতে পারেন তাঁর বোন ফাতিমা এবং ভগ্নীপতি ইসলাম গ্রহণ করেছে। অগত্যা তিনি বোনের বাড়িতে যান এবং বোন ও ভগ্নীপতিকে কুরআন পাঠরত অবস্থায় আবিষ্কার করেন। ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে ভগ্নীপতিকে মারধর করেন ; ফাতিমা তাঁর স্বামীকে রক্ষা করতে এলে তাকেও আঘাতের শিকার হতে হয়। প্রচণ্ডভাবে আহত হওয়া সত্ত্বেও তাঁরা কেউই ইসলাম ত্যাগ করতে ম,্,ত হন নি। বোনের শরীরে রক্ত দেখে তিনি শান্ত হন এবং তাঁরা যা পাঠ করছিলো তা দেখতে চান। পবিত্র হয়ে কুরআনের একটি আয়াত তিনি পাঠ করেন। আয়াতটি ছিল সূরা ত্বা-হা'র অংশ। সেই আয়াতটি তাঁকে এতই অভিভূত করে যে তিনি সেদিনই মুহাম্মদের কাছে যেয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ইসলাম গ্রহণের পর ইসলাম প্রসারে তিনি ততটাই ভূমিকা রেখেছিলেন, গ্রহণের পূর্বে ইসলামের বিরুদ্ধে যতটা ভূমিকা রাখতেন।কুরআনের অর্থ[২]
| ইসলাম |
|---|
| এর ধারাবাহিক নিবন্ধের অংশ: |
মদীনায় উমরের জীবন [সম্পাদনা]
modinay
আবু বকরের খিলাফতকাল [সম্পাদনা]
খলীফা হিসেবে উমর [সম্পাদনা]
- মূল নিবন্ধ: উমরের খিলাফত
মৃত্যু [সম্পাদনা]
সুন্নী চিন্তাধারা [সম্পাদনা]
অমুসলিমদের চিন্তাধারা [সম্পাদনা]
ফারুকী [সম্পাদনা]
তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]
আরও দেখুন [সম্পাদনা]
বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]
- www.al-farook.com উসরের উদ্দেশ্যে নিবেদিত একটি সাইট
- উমরের বংশতালিকা
- উমর দি গ্রেটের জীবনী - আল্লামা শিবলী নোমানী
- খিলাফতের ইতিহাস - জালাল উদ্দীন সুইয়ুতি
- আমীরুল ম'মিনীন উমর (রাঃ) এর জীবনী
- উমর ইবনুল খাত্তাব-ইসলামের ২য় খলীফা
| পূর্বসূরী: আবু বকর ইবন আবী কুহাফা |
খলিফা ৬৩৪ –৬৪৪ |
উত্তরসূরী: উসমান ইবন আফ্ফান |