এনজিসি ৩৬০৩
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। (মার্চ ২০১০) |
| এনজিসি ৩৬০৩ | |
|---|---|
এনজিসি ৩৬০৩ এর এইচএসটি ছবি |
|
| পর্যবেক্ষণ উপাত্ত (জে২০০০ ইপক) | |
| তারামণ্ডল | ক্যারিনা মণ্ডল |
| বিষুবাংশ | 11ঘ 15মি 09.1সে |
| বিষুবলম্ব | -61° 16′ 17″ |
| দূরত্ব | ২০ কিলো আলোকবর্ষ (৬.১ কিলো পারসেক) |
| আপাত মান (V) | ৯.১ |
| আপাত মাত্রা (V) | ৩′ |
| বিশেষ বৈশিষ্ট্য | কেন্দ্রীয় অঞ্চল হচ্ছে এইচডি ৯৭৯৫০ নামক নবীন স্তবক |
| আরও দেখুন: মুক্ত স্তবক, মুক্ত স্তবকের তালিকা | |
এনজিসি ৩৬০৩ (ইংরেজি ভাষায়: NGC 3603) এক বিশাল এইচ ২ অঞ্চল যা আকাশগঙ্গার ক্যারিনা নামক কুণ্ডলাকার বাহুতে অবস্থিত। এই অঞ্চল আমাদের সৌরজগৎ থেকে ২০,০০০ আলোকবর্ষ দূরে অভস্থিত। ১৮৩৪ সালে জন হার্শেল এটা আবিষ্কার করেন। এই অঞ্চলে একটা মুক্ত স্তবক (ছবির কেন্দ্রে) আছে যাতে প্রায় ২০০০টি উজ্জ্বল তারাও আছে। এই তারার প্রতিটিই আমাদের সূর্য থেকে অনেক বড় ও উজ্জ্বল। এর আরেকটি বিশিষ্টতা হচ্ছে, আমাদের ছায়াপথে এটাই একমাত্র বিশাল এইচ ২ অঞ্চল যা দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যে দেখা যায়।
এনজিসি ৩৬০৩ কে দুরবিনে খুব ছোট ও সাধারণ মনে হয়, অনেকটা নীহারিকার মত। আন্তঃনাক্ষত্রিক বিশোষণের কারণে অবশ্য তাতে একটু হলুদাভ আভা থাকে। ১৯৬০-এর দশকে রেডিও জ্যোতির্বিজ্ঞানের উন্নয়নের পর দেখা যায় এই অঞ্চল রেডিও তরঙ্গের খুব শক্তিশালী উৎস। পরবর্তীতে পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে বিভিন্ন ছায়াপথে "স্টারবার্স্ট" নামে বিশেষ অঞ্চলে সন্ধান মিলেছে যেখানে বিপুল হারে তারার জন্ম প্রক্রিয়া চলে। কোন কোন ছায়াপথের পুরোটাই এমন স্টারবার্স্ট অঞ্চল বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। এনজিসি ৩৬০৩ এমনই এক স্টারবার্স্ট অঞ্চল।
১৯৮৭ সালে বৃহৎ ম্যাজেলানীয় মেঘে একটা অতিনবতারা প্রত্যক্ষ করা হয় যার নাম এসএন ১৯৮৭এ। কৃত্রিম উপগ্রহে স্থাপিত দুরবিনের মাধ্যমে এই অতিনবতারাকেই প্রথম নিবিঢ়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়েছিল। এই পর্যবেক্ষণ থেকে দেখা যায়, মূল বিস্ফোরণের আগে এর থেকে কিছু পদার্থ বিক্ষিপ্তভাবে মহাকাশে ছড়িয়ে পড়েছিল। এনজিসি ৩৬০৩ অঞ্চলের একটি তারা ঠিক একইভাবে তার কিছু পদার্থ মহাকাশে ছড়িয়ে দিয়েছে বলে প্রমাণ মিলেছে। এই তারার নাম শের ২৫। অতিনবতারার সাথে মিল অঞ্চলটি সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের উৎসাহ বাড়িয়ে দিয়েছে।