ইমিগ্রেট

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ইমিগ্রেট
উদ্ভব নিউ ইয়র্ক শহর
ধরন অল্টারনেটিভ মেটাল, হেভি মেটাল, ইন্ডাস্ট্রিয়াল মেটাল
কার্যকাল ২০০৫-২০০৮
সহযোগী শিল্পী রামেস্টেইন
ওয়েবসাইট http://emigrate.eu/
সদস্যবৃন্দ রিচার্ড যে ক্রুস্প
হেঙ্কা জোহান্সন
অলসেন ইনভোল্টিনি
আর্নাদ গিরাক্স

ইমিগ্রেট একটি নিউ ইয়র্ক শহর ভিত্তিক রক ব্যান্ড যার নেতা হলেন রিচার্ড যে ক্রুস্প যিনি জার্মানীর মেটাল ব্যান্ড রামেস্টেইনের লিড গিটারিস্ট।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ক্রুস্প ২০০৫ সালে ব্যান্ডটা শুরু করেন যখন রামেস্টেইন ব্যান্ড সিদ্ধান্ত নেয় যে সংগীত থেকে ১ বছরের মতো বিরতি নেবে।তবে অনেক সাক্ষাতকারে রিচার্ড যে ক্রুস্প বলেন যে রামেস্টেইন ব্যান্ডের মুটার অ্যালবাম বের হওয়ার সময়ই তার মাথাতে এই বুদ্ধি ছিল। ২০০৬ সালে ৫ই সেপ্টেম্বর রামেস্টেইন ব্যান্ডের নিউজলেটারের গ্রাহকরা পান একটা মেইল যাতে বলা ছিল নতুন ইমিগ্রেট ব্যান্ড সম্পর্কে ও তাদের নিউজ লেটারে অংশগ্রহণ করতে।তাদের একটা সুযোগ দেয়া হয়েছিল নতুন গান ওয়াক আপ ডাউনলোড করার জন্য।মাই ওয়ার্ল্ড, বেবি এবং টেম্পটেশন মানের তিনটি গান তাদের ওয়েবসাইটে দেয়া ছিল। ভক্তরা বেবি গানটাকে তাদের পছন্দের সেরা গান হিসেবে নির্বাচিত করে।পরে তারা ২৯শে নভেম্বর ২০০৬ সালে ঐ গানটা ডাউনলোড করার সুযোগ পায়। [১] ২০০৭ সালের ২১শে মে ইমিগ্রেট ব্যান্ড তাদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট খোলে এবং ভক্তরা তাদের মাই ওয়ার্ল্ড গানটা ডাউনলোডের সুযোগ পায়। ব্যান্ডের মাই ওয়ার্ল্ড গানটি ভিডিও মুক্তি পায় ওয়েবসাইটে এবং তাদের অ্যালবামের অল্প কিছু বিশেষ সংস্করণে। এই গান রেসিডেন্ট ইভিলঃএক্সটিংশন অ্যালবামের সাউন্ডট্র্যাক হিসেবে নির্বাচিত হয়।রামেস্টাইন ব্যান্ডের হালেলুজ্জা এবং মেইন্টেইল গান ২টি আগে রেসিডেন্ট ইভিল সিনেমার প্রথম ২টি পর্বে ছিল।[২] নিউ ইয়র্ক সিটি গানটির একটা ভিডিও নির্মিত হয় যা তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়। রিচার্ড ২০০৭ সালে তার এই প্রজেক্ট ছেড়ে দেয় তার আসল ব্যান্ড রামেস্টেইনে সময় দেয়ার জন্য।

বর্তমান সদস্য[সম্পাদনা]

  • রিচার্ড যে ক্রুস্প
  • হেঙ্কা জোহান্সন
  • অলসেন ইনভোল্টিনি
  • আর্নাদ গিরাক্স

প্রকাশিত অ্যালবাম[সম্পাদনা]

  • ইমিগ্রেট (২০০৭)

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Pilgrim Management – Emigrate". http://www.pilgrim-management.de/Emigrate/. Retrieved 2006-11-29
  2. বিবিসিতে ব্রুস ডিকিনশনের রক শোতে ২৭শে জুলাই, ২০০৭ সালে রিচার্ড হাজির হন। "Herzeleid.com". http://www.herzeleid.com. Retrieved 2007-06-08

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]