আমোরেস পেররোস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আমোরেস পেররোস
Amoresperros.jpg
পরিচালক আলেহান্দ্রো গোঞ্জালেয ইনিয়াররিতু
প্রযোজক আলেহান্দ্রো গোঞ্জালেয ইনিয়াররিতু
রচয়িতা গুইয়েরমো আররিয়াগা
অভিনেতা এমিলিও এচেবাররিয়া
গায়েল গার্সিয়া বের্নাল
গোইয়া তোলেদো
আলবারো গেররেরো
বানেস্সা বাউচে
হোর্হে সালিনাস
আদ্রিয়ানা বাররাজা
গুস্তাবো সানচেয পাররা
সুরকার গুস্তাবো সানতাওলাইয়া
চিত্রগ্রাহক রদ্রিগো প্রিয়েতো
সম্পাদক লুইস কারবাইয়ার
আলেহান্দ্রো গোঞ্জালেয ইনিয়াররিতু
ফের্নান্দো পেরেয উন্দা
স্টুডিও জেটা এন্টারটেইনমেন্ট
আল্তা বিস্তা ফিল্ম
বণ্টনকারী নু ভিশন (মেক্সিকো)
লায়ন্সগেইট (ইউ. এস. এ.)
মুক্তি ১৪ মে, ২০০০ (কান চলচ্চিত্র উৎসব)
১৬ জুন, ২০০০ (মেক্সিকো)
দৈর্ঘ্য ১৫৩ মিনিট
দেশ মেক্সিকো
ভাষা স্প্যানিশ
নির্মাণব্যয় $২.৪ মিলিয়ন[১]
আয় $২০,৯০৮,৪৬৭[২]

আমোরেস পেররোস (স্প্যানিশ: Amores perros) বাংলা ভাষায় ভালোবাসা একটি কুকুর আলেহান্দ্রো গোঞ্জালেয ইনিয়াররিতু পরিচালিত ২০০০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি মেক্সিকান চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্রটি পুরোপুরি স্প্যানিশ ভাষায়। পরিচালক ইনিয়াররিতুর মরণ-ত্রয়ীর প্রথম চলচ্চিত্র আমোরেস পেররোস, অন্য দু'টি হচ্ছে টুয়েন্টিওয়ান গ্রামস্ আর বাবেল[৩] ছবিটিকে অনেকসময় "মেক্সিকান পাল্প ফিকশন" নামে অভিহিত করা হয়। পুরো ছবিটি ওক্তাবিও ই সুসানা, দানিয়েল ই বালেরিয়া আর এল চিবো ই মারু নামের তিনটি আলাদা গল্প নিয়ে গঠিত আর প্রতিটি গল্পই মেক্সিকো সিটিতে সংগঠিত আজব এক গাড়ি দুর্ঘটনার সঙ্গে সংযুক্ত। মানুষ কীরকম অন্ধকারাচ্ছন্ন আর কুৎসিত জীবন নিয়ে বসবাস করতে পারে আর কিভাবে একজন আরেকজনের সাথে ভয়ংকর অমানবিক আচরণ করতে পারে, তিনটি গল্পই তার প্রতিচ্ছবি। মানুষ যে কেবল মানুষের সাথেই কুৎসিত আচরণ করে তা নয়, সৃষ্টির অন্যসব জীবও তার জিঘাংসার শিকার। তবে চলচ্চিত্রটির মূল বক্তব্য হচ্ছে বিশ্বাস আর বিশ্বাসঘাতকতা। সেকারণে মানুষের শ্রেষ্ঠ বান্ধব কুকুরের মাধ্যমে বার বার প্রতিকীভাবে বিষয়টি পুরো চলচ্চিত্রে উঠে এসেছে। তিনটি গল্পেই প্রধান চরিত্রের সাথে কুকুর কোন না কোনভাবে জড়িত। আবার প্রধান চরিত্রগুলো কোন না কোনভাবে বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হয় বা বিশ্বাসঘাতকতা করে। ভাই তার ভাইয়ের সঙ্গিনীকে হাত করার মাধ্যমে ভাইয়ের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে; একজন লোক তার স্ত্রীর বিশ্বাসভঙ্গ করে এক গোপন রক্ষিতা রেখে, সেই একই লোক তার রক্ষিতার কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় যখন তার রক্ষিতা দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তার সৌন্দর্য্য হারায়; আর এক পেশাদার খুনি তার তারুণ্যের আদর্শ থেকে বিচ্যূত হয়, আবার যখন তার মেয়ের সাথে দেখা হয় তখন সে চেষ্টা করে নতুন করে তার হারানো আদর্শ পুনরুদ্ধার করতে।

চলচ্চিত্রটি ২০০০ সালে অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডে সেরা বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্র ক্যাটাগরিতে মনোনিত হয়। এছাড়া ছবিটি মোট তিনটি চলচ্চিত্র পুরস্কার জয় করে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]