আফ্রিকার শিং
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। (মার্চ ২০১০) |
আফ্রিকার শিং (ইংরেজি ভাষায়: Horn of Africa) আফ্রিকার পূর্বতম অঞ্চল। এটি ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, জিবুতি এবং সোমালিয়া নিয়ে গঠিত। সোমালিয়া উত্তর-পূর্ব দিকে শিঙের আকারে আরব সাগরে প্রসারিত হয়েছে বলে অঞ্চলটির এরকম নামকরণ হয়েছে। কেউ কেউ সুদান ও উত্তর-পূর্ব কেনিয়াকেও এই অঞ্চলের আওতায় রাখতে চান। আফ্রিকার শিং অঞ্চলে প্রায় ২০ লক্ষ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে ৯ কোটি লোকের বাস। মূলত পার্বত্য এই অঞ্চলে বসবাসরত বিভিন্ন জাতিদের সবাই সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত দিক থেকেও সদৃশ প্রকৃতির।
মিশরের পাশাপাশি আফ্রিকার শিং অঞ্চলে আফ্রিকার সবচেয়ে প্রাচীন কিছু সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। এর মধ্যে আছে উত্তর সুদানের কুশ সভ্যতা, ইথিওপিয়া ও ইরিত্রিয়ার আকসুম সভ্যতা, সোমালিয়ার পুন্ট সভ্যতা। বর্তমানে আফ্রিকার শিং অঞ্চলটি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ-বিগ্রহে জর্জরিত এক অঞ্চল। সুদানের গৃহযুদ্ধ, ইরিত্রিয়া ও ইথিওপিয়ার সীমান্ত যুদ্ধ, এবং সোমালিয়ার অস্থিতিশীল অবস্থা, যার ফলে দেশটির উত্তরাঞ্চলে বিচ্ছিন্নতাবাদী প্রবণতার বিস্তার এর উদাহরণ। ২০০৭-২০০৮ সালের দিকে সোমালিয়ার উপকূলে জলদস্যুদের তৎপরতা আন্তর্জাতিক উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। জলবায়ু ও পরিবেশগত বিপর্যয়ের কারণে অঞ্চলটিতে খাদ্য সংকট ও অপুষ্টি প্রকট আকার ধারণ করেছে এবং দুর্ভিক্ষে বিগত দশকগুলিতে এখানে দুই কোটিরও বেশি লোক মারা গেছে।