পাঁচবিবি উপজেলা: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

স্থানাঙ্ক: ২৫°১৩′ উত্তর ৮৯°৩′ পূর্ব / ২৫.২১৭° উত্তর ৮৯.০৫০° পূর্ব / 25.217; 89.050
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বিষয়বস্তু বিয়োগ হয়েছে বিষয়বস্তু যোগ হয়েছে
ট্যাগ: মোবাইল সম্পাদনা মোবাইল ওয়েব সম্পাদনা উচ্চতর মোবাইল সম্পাদনা
NahidSultanBot (আলোচনা | অবদান)
বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
৪০ নং লাইন: ৪০ নং লাইন:


== ইতিহাস ==
== ইতিহাস ==
পাঁচবিবি উপজেলা একটি প্রাচীন স্থান। এখানে খ্রিষ্ট পূর্ব সময়কাল থেকে বিভিন্ন সময় জনপদ তৈরী হয়েছে। নামকরণের বিভিন্ন মত রয়েছে। পূর্বে এই উপজেলার নাম ছিল লালবাজার থানা। পারস্যের বণিকেরা লালবাজার এলাকার সমৃদ্ধি দেখে পানসিভার শব্দ থেকেও পাঁচবিবি নাম করণ হতে পারে বলেও কিংবদন্তি রয়েছে। কেউ বলেছেন প্রাচীন জনপদ পঞ্চগৌড় এর রাজধানী ছিল পাঁচবিবি। পঞ্চগৌড় বিকৃত হয়ে পঞ্চগৌরীতে এবং পঞ্চগৌরী রূপান্তরিত হয়ে পঞ্চ হতে পাঁচ এবং গৌরী হতে বিবি অর্থাৎ পাঁচবিবি হয়েছে। একজন ঐতিহাসিক বলেছেন {{who}} পাঞ্চাবিবি নামের একজন বৃদ্ধার জমিতে পাঁচবিবি রেলষ্ট্রেশন স্থাপিত হয়। ফলে রেলষ্ট্রেশনের নাম রাখা হয় পাঁচবিবি এবং সেখান থেকে পাঁচবিবি হয়েছে। নাম করণের ক্ষেত্রে বিতর্ক থাকলেও ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় আনুমানিক বাংলা ১১০০ সালে (১৭০০খ্রীঃ) বাগুড়ী (বর্তমান খাসবাগুড়ী) এলাকায় এক মুসলিম দরবেশ এর পর্যায়ক্রমে পাঁচ জন বিবি ছিলেন। তাঁরা প্রত্যেকে ধর্মপরায়ন, কামেল, ও শ্রদ্ধেয়া ছিলেন। পাঁচজন স্ত্রী মৃত্যুবরণ করলে খাসবাগুড়ী ছোট যমুনা এর তীরবর্তী স্থানে তাঁদের পাঁচটি মাজার স্থাপিত হয়। তাঁদের স্মৃতি ও সম্মানার্থে তখনএলাকাবাসী সে স্থানকে ‘পাঁচবিবি দরগাহ’ পরর্বতীতে ‘পাঁচবিবি’ নামে ডাকত। খাসবাগুড়ী স্থানটি এখনও পুরানো পাঁচবিবি নামে সমাধিক পরিচিত। নদীভাঙ্গনের কারণে ১৮৬৮ সালে ১৬ই মার্চ লালবাজার থানা সদর বেল-আমলার লালবাজার স্থান হতে পাঁচবিবি দরগায় তথা পাঁচবিবিতে স্থানান্তর করা হয়। তথন থেকে এর নাম হয় পাঁচবিবি।<ref name="nwp১">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল= http://panchbibi.joypurhat.gov.bd/node/289094 |শিরোনাম= পাঁচবিবি উপজেলার পটভূমি |লেখক= বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন |তারিখ= জুন ২০১৪ |ওয়েবসাইট= |প্রকাশক= গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার |সংগ্রহের-তারিখ= ১১ জুলাই ২০১৪ |আর্কাইভের-ইউআরএল= https://web.archive.org/web/20140408075142/http://panchbibi.joypurhat.gov.bd/node/289094 |আর্কাইভের-তারিখ= ৮ এপ্রিল ২০১৪ |অকার্যকর-ইউআরএল= হ্যাঁ }}</ref>
পাঁচবিবি উপজেলা একটি প্রাচীন স্থান। এখানে খ্রিষ্ট পূর্ব সময়কাল থেকে বিভিন্ন সময় জনপদ তৈরী হয়েছে। নামকরণের বিভিন্ন মত রয়েছে। পূর্বে এই উপজেলার নাম ছিল লালবাজার থানা। পারস্যের বণিকেরা লালবাজার এলাকার সমৃদ্ধি দেখে পানসিভার শব্দ থেকেও পাঁচবিবি নাম করণ হতে পারে বলেও কিংবদন্তি রয়েছে। কেউ বলেছেন প্রাচীন জনপদ পঞ্চগৌড় এর রাজধানী ছিল পাঁচবিবি। পঞ্চগৌড় বিকৃত হয়ে পঞ্চগৌরীতে এবং পঞ্চগৌরী রূপান্তরিত হয়ে পঞ্চ হতে পাঁচ এবং গৌরী হতে বিবি অর্থাৎ পাঁচবিবি হয়েছে। একজন ঐতিহাসিক বলেছেন {{who}} পাঞ্চাবিবি নামের একজন বৃদ্ধার জমিতে পাঁচবিবি রেলষ্ট্রেশন স্থাপিত হয়। ফলে রেলষ্ট্রেশনের নাম রাখা হয় পাঁচবিবি এবং সেখান থেকে পাঁচবিবি হয়েছে। নাম করণের ক্ষেত্রে বিতর্ক থাকলেও ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় আনুমানিক বাংলা ১১০০ সালে (১৭০০খ্রীঃ) বাগুড়ী (বর্তমান খাসবাগুড়ী) এলাকায় এক মুসলিম দরবেশ এর পর্যায়ক্রমে পাঁচ জন বিবি ছিলেন। তারা প্রত্যেকে ধর্মপরায়ন, কামেল, ও শ্রদ্ধেয়া ছিলেন। পাঁচজন স্ত্রী মৃত্যুবরণ করলে খাসবাগুড়ী ছোট যমুনা এর তীরবর্তী স্থানে তাদের পাঁচটি মাজার স্থাপিত হয়। তাদের স্মৃতি ও সম্মানার্থে তখনএলাকাবাসী সে স্থানকে ‘পাঁচবিবি দরগাহ’ পরর্বতীতে ‘পাঁচবিবি’ নামে ডাকত। খাসবাগুড়ী স্থানটি এখনও পুরানো পাঁচবিবি নামে সমাধিক পরিচিত। নদীভাঙ্গনের কারণে ১৮৬৮ সালে ১৬ই মার্চ লালবাজার থানা সদর বেল-আমলার লালবাজার স্থান হতে পাঁচবিবি দরগায় তথা পাঁচবিবিতে স্থানান্তর করা হয়। তথন থেকে এর নাম হয় পাঁচবিবি।<ref name="nwp১">{{ওয়েব উদ্ধৃতি |ইউআরএল= http://panchbibi.joypurhat.gov.bd/node/289094 |শিরোনাম= পাঁচবিবি উপজেলার পটভূমি |লেখক= বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন |তারিখ= জুন ২০১৪ |ওয়েবসাইট= |প্রকাশক= গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার |সংগ্রহের-তারিখ= ১১ জুলাই ২০১৪ |আর্কাইভের-ইউআরএল= https://web.archive.org/web/20140408075142/http://panchbibi.joypurhat.gov.bd/node/289094 |আর্কাইভের-তারিখ= ৮ এপ্রিল ২০১৪ |অকার্যকর-ইউআরএল= হ্যাঁ }}</ref>


== ভৌগোলিক উপাত্ত ==
== ভৌগোলিক উপাত্ত ==

১৫:১৭, ১৯ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ

পাঁচবিবি
উপজেলা
স্থানাঙ্ক: ২৫°১৩′ উত্তর ৮৯°৩′ পূর্ব / ২৫.২১৭° উত্তর ৮৯.০৫০° পূর্ব / 25.217; 89.050 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশবাংলাদেশ
বিভাগরাজশাহী বিভাগ
জেলাজয়পুরহাট জেলা
সংসদীয়১ টি
সরকার
আয়তন
 • মোট২৭৮.৫৩ বর্গকিমি (১০৭.৫৪ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)
 • মোট২,৪০,৭৯৭[১]
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
৫০ ৩৮ ৭৪
ওয়েবসাইটদাপ্তরিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

পাঁচবিবি উপজেলা বাংলাদেশের জয়পুরহাট জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা।

অবস্থান ও আয়তন

এই উপজেলার আয়তন ২৭৮.৫৩ বর্গ কিমি। উত্তরে দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলাঘোড়াঘাট উপজেলা এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, দক্ষিণে জয়পুরহাট সদর উপজেলা , পূর্বে গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলাকালাই উপজেলা, পশ্চিমে জয়পুরহাট সদর উপজেলাভারতের পশ্চিমবঙ্গ। প্রধান নদী : ছোট যমুনা, তুলসীগঙ্গা ও হরবতী ।

ইতিহাস

পাঁচবিবি উপজেলা একটি প্রাচীন স্থান। এখানে খ্রিষ্ট পূর্ব সময়কাল থেকে বিভিন্ন সময় জনপদ তৈরী হয়েছে। নামকরণের বিভিন্ন মত রয়েছে। পূর্বে এই উপজেলার নাম ছিল লালবাজার থানা। পারস্যের বণিকেরা লালবাজার এলাকার সমৃদ্ধি দেখে পানসিভার শব্দ থেকেও পাঁচবিবি নাম করণ হতে পারে বলেও কিংবদন্তি রয়েছে। কেউ বলেছেন প্রাচীন জনপদ পঞ্চগৌড় এর রাজধানী ছিল পাঁচবিবি। পঞ্চগৌড় বিকৃত হয়ে পঞ্চগৌরীতে এবং পঞ্চগৌরী রূপান্তরিত হয়ে পঞ্চ হতে পাঁচ এবং গৌরী হতে বিবি অর্থাৎ পাঁচবিবি হয়েছে। একজন ঐতিহাসিক বলেছেন [কে?] পাঞ্চাবিবি নামের একজন বৃদ্ধার জমিতে পাঁচবিবি রেলষ্ট্রেশন স্থাপিত হয়। ফলে রেলষ্ট্রেশনের নাম রাখা হয় পাঁচবিবি এবং সেখান থেকে পাঁচবিবি হয়েছে। নাম করণের ক্ষেত্রে বিতর্ক থাকলেও ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় আনুমানিক বাংলা ১১০০ সালে (১৭০০খ্রীঃ) বাগুড়ী (বর্তমান খাসবাগুড়ী) এলাকায় এক মুসলিম দরবেশ এর পর্যায়ক্রমে পাঁচ জন বিবি ছিলেন। তারা প্রত্যেকে ধর্মপরায়ন, কামেল, ও শ্রদ্ধেয়া ছিলেন। পাঁচজন স্ত্রী মৃত্যুবরণ করলে খাসবাগুড়ী ছোট যমুনা এর তীরবর্তী স্থানে তাদের পাঁচটি মাজার স্থাপিত হয়। তাদের স্মৃতি ও সম্মানার্থে তখনএলাকাবাসী সে স্থানকে ‘পাঁচবিবি দরগাহ’ পরর্বতীতে ‘পাঁচবিবি’ নামে ডাকত। খাসবাগুড়ী স্থানটি এখনও পুরানো পাঁচবিবি নামে সমাধিক পরিচিত। নদীভাঙ্গনের কারণে ১৮৬৮ সালে ১৬ই মার্চ লালবাজার থানা সদর বেল-আমলার লালবাজার স্থান হতে পাঁচবিবি দরগায় তথা পাঁচবিবিতে স্থানান্তর করা হয়। তথন থেকে এর নাম হয় পাঁচবিবি।[২]

ভৌগোলিক উপাত্ত

ভাষা ও সংষ্কৃতি

প্রশাসনিক এলাকা

উপজেলা শহর ৯টি ওয়ার্ড ও ১৩টি মহলা নিয়ে গঠিত । আয়তন ৫.৮৩ বর্গ কিমি। জনসংখ্যা ২০১০২; পুরুষ ৫২.৩০%,মহিলা ৪৭.৭০%। জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিমি ৩৪৪৮জন। শিক্ষার হার ৫২.২%। প্রশাসন পাঁচবিবি থানা সৃষ্টি ১৮৬৮সালে । বর্তমানে এটি উপজেলা । ইউনিয়ন ৮, গ্রাম ২৫৭, মৌজা ২২২, পৌরসভা ১।

জনসংখ্যার উপাত্ত

জনসংখ্যা ২,৪০,৭৯৭ জন; পুরষ ১,২৩,৯০৯ জন ও মহিলা ১,১৬,৮৮৮ জন।

স্বাস্থ্য

শিক্ষা

শিক্ষার গড় হার ৩০.৬%; পুরুষ ৩৮.১%, মহিলা ২২.৭%।

  • কলেজ - ৫টি (বেসরকারিঃ ৪, সরকারিঃ ১),
  • মাধ্যমিক বিদ্যালয় - ২৪টি (বেসরকারিঃ ২২, সরকারিঃ ২),
  • নিম্ন-মাধ্যমিক বিদ্যালয় - ১০টি,
  • মাদ্রাসা - ২৮টি,
  • প্রাথমিক বিদালয় - ৮৬টি (সরকারিঃ ৫৮, বেসরকারিঃ ২৮),
  • কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান - ১টি।

হাইস্কুল পর্যায়ে পাঁচবিবি উপজেলায় প্রথম সারিতে আছে পাঁচবিবি এল, বি পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও পাঁচবিবি এন, এম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। মহীপুর হাজী মহাসীন সরকারি কলেজ পাঁচবিবিতে উচ্চশিক্ষার জন্য খ্যাত।

কৃষি

  • উৎপন্ন দ্রব্য - ধান, ইক্ষু, পাট, কচু, গম, কচুর লতি, আলু, পটল, সবুজ শাকসবজি।

অর্থনীতি

অধিকাংশ মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। বর্তমানে কচু এবং কচুর লতি বিদেশে রপ্তানী হয়|[১]

যোগাযোগ ব্যবস্থা

কৃতী ব্যক্তিত্ব

দর্শনীয় স্থান ও স্থাপনা

বিবিধ

আরও দেখুন

তথ্যসুত্র

  1. "এক নজরে পাঁচবিবি"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। জুন ২০১৪। ৮ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০১৪ 
  2. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন ২০১৪)। "পাঁচবিবি উপজেলার পটভূমি"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ৮ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুলাই ২০১৪ 

বহিঃসংযোগ