এই পাতাটি স্থানান্তর করা থেকে সুরক্ষিত।

মুহম্মদ জাফর ইকবাল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(Muhammed Zafar Iqbal থেকে পুনর্নির্দেশিত)
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
Book Fair 2015 Dhaka (16519100026).jpg
জন্ম (1952-12-23) ২৩ ডিসেম্বর ১৯৫২ (বয়স ৬৬)
সিলেট, বাংলাদেশ
পেশালেখক, পদার্থবিদ ও শিক্ষাবিদ
জাতীয়তাবাংলাদেশি
নাগরিকত্ববাংলাদেশ
ধরনউপন্যাস, বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী
উল্লেখযোগ্য পুরস্কারবাংলা একাডেমি পুরস্কার
দাম্পত্যসঙ্গীড.ইয়াসমীন হক
সন্তাননাবিল ইকবাল (পুত্র)
ইয়েশিম ইকবাল (কন্যা)
আত্মীয়হুমায়ূন আহমেদ (ভাই)
আহসান হাবীব (ভাই)

স্বাক্ষর

মুহম্মদ জাফর ইকবাল (জন্ম: ২৩ ডিসেম্বর ১৯৫২) হলেন একজন বাংলাদেশী লেখক, পদার্থবিদ ও শিক্ষাবিদ। তাকে বাংলাদেশে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী লেখা ও জনপ্রিয়করণের পথিকৃৎ হিসাবে গণ্য করা হয়। এছাড়াও তিনি একজন জনপ্রিয় শিশুসাহিত্যিক এবং কলাম-লেখক। তার লেখা বেশ কয়েকটি উপন্যাস চলচ্চিত্রে রূপায়িত হয়েছে। তিনি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার বিজ্ঞানপ্রকৌশল বিভাগের একজন অধ্যাপক এবং তড়িৎ কৌশল বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব প্রাপ্ত ছিলেন। [১]

একটি জরিপের তথ্য অনুসারে, তিনি লেখক হিসেবে বাংলাদেশের কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে; জরিপে অংশগ্রহণকারী ৪৫০ জনের মধ্যে ২৩৫ জনই (৫২.২২%) তার পক্ষে মত দিয়েছে।[২]

পরিচ্ছেদসমূহ

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও তার স্ত্রী ড.ইয়াসমীন হক।

জাফর ইকবালের জন্ম, ১৯৫২ সালের ২৩ ডিসেম্বর তারিখে সিলেটে। তার পিতা মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ফয়জুর রহমান আহমদ এবং মা আয়েশা আখতার খাতুন। বাবা ফয়জুর রহমান আহমদের পুলিশের চাকরির সুবাদে তার ছোটবেলা কেটেছে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায়। মুহম্মদ জাফর ইকবালের নাম আগে ছিল বাবুল। পিতা লেখালেখির চর্চা করতেন এবং পরিবারের এই সাহিত্যমনস্ক আবহাওয়ায় জাফর ইকবাল খুব অল্প বয়স থেকেই লিখতে শুরু করেন। এটিকেই তিনি তার সহজ ভাষায় লিখতে পারার গুণের কারণ বলে মনে করেন। তিনি তার প্রথম বিজ্ঞান কল্পকাহিনী লেখেন সাত বছর বয়সে। ১৯৭১ সালের ৫ মে পাকিস্তানী আর্মি এক নদীর ধারে তার দেশপ্রেমিক পিতাকে গুলি করে হত্যা করে। বিশ্ববিদ্যালয়-পড়ুয়া জাফর ইকবালকে পিতার কবর খুঁড়ে তার মাকে স্বামীর মৃত্যুর ব্যাপারটি বিশ্বাস করাতে হয়েছিল [৩]

বাংলাদেশের অত্যন্ত জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদ তার বড় ভাই এবং রম্য ম্যাগাজিন উন্মাদের সম্পাদক ও কার্টুনিস্ট, সাহিত্যিক আহসান হাবীব তার ছোট ভাই। কন্যা ইয়েশিম ইকবাল তার কিশোর উপন্যাস আমার বন্ধু রাশেদ ইংরেজিতে রূপান্তর করেছেন Rashed, my friend নামে ।

শিক্ষাজীবন[সম্পাদনা]

জাফর ইকবাল ১৯৬৮ সালে বগুড়া জিলা স্কুল থেকে এসএসসি এবং ১৯৭০ সালে ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। তিনি ১৯৭২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন। ১৯৭৬ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যান। তার বিষয় ছিল - 'Parity violation in Hydrogen Atom. সেখানে পিএইচডি করার পর বিখ্যাত ক্যালটেক থেকে তার ডক্টরেট-উত্তর গবেষণা সম্পন্ন করেন।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

ড. জাফর ইকবাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন যথাক্রমে ১৯৭৫ ও ১৯৭৬ সালে। ১৯৭৫ সালে অনার্স-এ দুই নম্বরের ব্যবধানে প্রথম শ্রেণীতে ২য় স্থান অধিকার করেন। তিনি ১৯৮২ তে ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচ.ডি সম্পন্ন করে ১৯৮২ থেকে ১৯৮৮ পর্যন্ত ক্যালিফোর্নিয়া ইনিস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে সাফল্যের সাথে ডক্টরেটোত্তর গবেষণা সম্পন্ন করেন। ১৯৮৮ তে তিনি বিখ্যাত বেল কমিউনিকেশনস রিসার্চ (বেলকোর) এ গবেষক হিসাবে যোগদান করেন এবং ১৯৯৪ পর্যন্ত সেখানেই কাজ করেন। ওই বছরেই তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে যোগদান করেন। তিনি একাধিকবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য মনোনীত হন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি এক সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংগঠন শিক্ষক সমিতির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন। বর্তমানে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক এবং তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক্স প্রকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কর্মরত থেকে [৪] ৪ অক্টোবর অবসর গ্রহণ করেন। [৫]

স্বত্ত্বসমূহ[সম্পাদনা]

  • পেটেন্ট নং: 5550818, শিরোনাম: System for wavelength division multiplexing/asynchronous transfer mode switching for network communication।[৬]
  • পেটেন্ট নং: 622611, শিরোনাম: Inter-ring cross-connect for survivable multi-wavelength optical communication networks।
  • পেটেন্ট নং: 5392154, শিরোনাম: Self-regulating multi wave length optical amplifier module for scalable lightwave communications systems।[৭]

জার্নালে প্রকাশনা[সম্পাদনা]

  • A Technique for Measuring Parity non Conservation in Hydrogenic Atom, E. G. Adelberger, T. A. Trainor, E. N. Fortson, T. E. Chupp, এম. জে. ইকবাল and H. E. Swanson, Nucl. Inst. Meth. 179 (১৯৮১) ১৮১।
  • Study of Prototype Xenon TPC, এম. জে. ইকবাল, B. G. O'Callaghan, F. Boehm, Nucl. Inst. Meth. A243 (১৯৮৬) ৪৫৯।

আন্তর্জাতিক সম্মেলনে উপস্থাপিত সন্দর্ভসমূহ[সম্পাদনা]

  • 10 Gb/s Direct Detection Lightwave Technology, এম. জে. ইকবাল, OFC ৯১, সান দিয়েগো। ১৯৯১।
  • 10 Gbits/s DFB MODFET Transmitter OEICs for High Speed Transmission and Optical Interconnects., T. P. Lee, Y. H. Lo, R. Bhat, P. Grabbe, M. Bagheri, এম. জে. ইকবাল, কার্যপ্রণালী। OEC ৯০, 13A2-6, চিবা, জাপান জুলাই ১৯৯০।
  • 10 Gbits/s Direct Differential Phase Shift Keying Modulation and Direct Detection Experiment, R. S. Vodhanel, এম. জে. ইকবাল, J. L. Gimlett and L. Curtis, CLEO '90, অ্যানাহেম, ক্যালিফোর্নিয়া, ১৯৯০।

আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অবদানের নিবন্ধসমূহ[সম্পাদনা]

  • A Xenon Time Projection Chamber for Double Beta Decay, এম. জে. ইকবাল ও অন্যান্য। ১৯৮৭ সালে টেলিকম সম্মেলনের কার্যপ্রণালী।

বইয়ের অনুচ্ছেদ[সম্পাদনা]

  • A Xenon Time Projection Chamber for Double Beta Decay, F. Boehm and এম. জে. ইকবাল, Festival- Festschrift for Val Talegdi, Ed K. Winter, আমস্টারডাম, উত্তর হল্যান্ড, ১৯৮৮।

অভ্যন্তরীণ সঞ্চালনের জন্য প্রায়োগিক স্মারক[সম্পাদনা]

  • 10 Gb/s Optical Receiver using 978 om Diode Pumped Erbium Doped Fiber Preamplifier, এম. জে. ইকবাল, V. Shah, D. Daniel, L. Curtis, L. Curtis, J. L. Gimlett and R. I. Laming, TM ARH-016-877।

সাহিত্য[সম্পাদনা]

জাফর ইকবাল বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই লেখালেখি করেন। তার প্রথম বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীমূলক গল্প কপোট্রনিক ভালোবাসা সাপ্তাহিক বিচিত্রায় প্রকাশিত হয়েছিল। গল্পটি পড়ে একজন পাঠক দাবি করেন সেটি বিদেশি গল্প থেকে চুরি করা। এর উত্তর হিসেবে তিনি একই ধরনের বেশ কয়েকটি বিচিত্রার পরপর কয়েকটি সংখ্যায় লিখে পাঠান। তার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে এই গল্পগুলো নিয়ে কপোট্রনিক সুখ-দুঃখ নামে একটি বই প্রকাশিত হয়। এই বইটি পড়ে শহীদ-জননী জাহানারা ইমাম খুবই প্রশংসা করেন এবং এই ঘটনায় তিনি এ ধরনের আরও বই লিখতে উৎসাহিত হন। তার প্রথম দিকের বিজ্ঞান কল্পকাহিনীগুলো পাঠকমহলে সমাদৃত হয়। সুদূর আমেরিকাতে বসে তিনি বেশ কয়েকটি বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী রচনা করেন। দেশে ফিরে এসেও তিনি নিয়মিত বিজ্ঞান-কল্পকাহিনী লিখে যাচ্ছেন, প্রতি বইমেলাতে তার নতুন সায়েন্স ফিকশান কেনার জন্যে পাঠকেরা ভীড় জমায়।

তিনি কিশোর উপন্যাসের লেখক হিসেবেও অত্যন্ত সফল। এই শাখাতেই তার প্রতিভা সর্বোচ্চ শিখর ছুঁয়েছে। তার লেখা অনেকগুলো কিশোর উপন্যাস বাংলা কিশোর-সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। তার একাধিক কিশোর উপন্যাস থেকে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে।

তার বৈশিষ্ট্যসূচক সহজ ভাষায় লেখা কলামগুলো অত্যন্ত জনপ্রিয়। তিনি দৈনিক প্রথম আলো, দৈনিক কালের কন্ঠ সহ একাধিক পত্রিকায়সাদাসিধে কথা নামে নিয়মিত কলাম লিখে থাকেন। তার লেখা কলামগুলোতে তার রাজনৈতিক সচেতনা এবং দেশপ্রেমের পরিচয় পাওয়া যায়। তার স্বাধীনতা-বিরোধী ও ধর্মীয় মৌলবাদের বিরুদ্ধে সরাসরি মত প্রকাশ এবং প্রগতিশীল চিন্তাধারার ধারক হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক সাহিত্য ও সংস্কৃতিসেবী ছাত্র সংগঠনের উপদেষ্টা হিসেবে অবস্থান বিভিন্ন সময় প্রতিক্রিয়াশীলদের রোষানলে পড়েছে। বেশকিছু দিন উনি প্রিয়.কম-এ কলাম লিখেছেন।[৮]

বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড গড়ে তোলার পিছনে তার অসামান্য অবদান রয়েছে। গণিত শিক্ষার উপর তিনি ও অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ বেশ কয়েকটি বই রচনা করেছেন। এর মাঝে "নিউরনে অনুরণন" ও "নিউরনে আবারো অনুরণন" বই দুটি গণিতে আগ্রহীদের কাছে খুব জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।

পুরস্কার ও সম্মননা[সম্পাদনা]

  • বাংলা একাডেমি পুরস্কার, ২০০৪;
  • শ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে ২০০৫ সালে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার[৯]
  • কাজী মাহবুবুল্লা জেবুন্নেছা পদক, ২০০২;
  • খালেদা চৌধুরি সাহিত্য পদক, বাংলা ১৪১০;
  • শেলটেক সাহিত্য পদক ২০০৩
  • ইউরো শিশুসাহিত্য পদক ২০০৪
  • মোহা. মুদাব্বর-হুসনে আরা সাহিত্য পদক ২০০৫
  • মার্কেন্টাইল ব্যাংক সম্মাননা পদক ২০০৫
  • আমেরিকা এল্যাইমনি এ্যসোসিয়েশন পদক ২০০৫
  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ্যালাইমনি এ্যাসোসিয়েশন পদক '০৫।[১০]

উল্লেখযোগ্য রচনাবলী[সম্পাদনা]

উপন্যাস[সম্পাদনা]

  • আকাশ বাড়িয়ে দাও (১৯৮৭)
  • বিবর্ণ তুষার (১৯৯৩)
  • দুঃস্বপ্নের দ্বিতীয় প্রহর (১৯৯৪)
  • কাচসমুদ্র(১৯৯৯)
  • সবুজ ভেলভেট (২০০৩)
  • ক্যাম্প (২০০৪)
  • মহব্বত আলীর একদিন (২০০৬)

ছোট গল্প[সম্পাদনা]

  • একজন দুর্বল মানুষ-(১৯৯২)
  • ক্যাম্প
  • ছেলেমানুষী-(১৯৯৩)
  • নুরূল ও তার নোটবই-(১৯৯৬)
  • মধ্যরাত্রিতে তিন দূর্ভাগা তরুণ-(২০০৪)

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী[সম্পাদনা]

  • কপোট্রনিক সুখ দুঃখ (১৯৭৬)
  • মহাকাশে মহাত্রাস (১৯৭৭)
  • ক্রুগো (১৯৮৮)
  • ট্রাইটন একটি গ্রহের নাম (১৯৮৮)
  • বিজ্ঞানী সফদর আলীর মহা মহা আবিস্কার (১৯৯২)
  • ওমিক্রমিক রূপান্তর (১৯৯২)
  • টুকুনজিল (১৯৯৩)
  • যারা বায়োবট (১৯৯৩)
  • নি:সঙ্গ গ্রহচারী (১৯৯৪)
  • ক্রোমিয়াম অরণ্য (১৯৯৫)
  • ত্রিনিটি রাশিমালা (১৯৯৫)
  • নয় নয় শূন্য তিন (১৯৯৬)
  • অনুরণ গোলক (১৯৯৬)
  • টুকি ও ঝায়ের (প্রায়) দুঃসাহসিক অভিযান (১৯৯৭)
  • পৃ (১৯৯৭)
  • রবো নগরী (১৯৯৭)
  • একজন অতিমানবী (১৯৯৮)
  • সিস্টেম এডিফাস (১৯৯৮)
  • মেতসিস (১৯৯৯)
  • ইরন (২০০০)
  • জলজ (২০০০)
  • ফোবিয়ানের যাত্রী (২০০১)
  • প্রজেক্ট নেবুলা (২০০১)
  • ত্রাতুলের জগৎ (২০০২)
  • বেজি (২০০২)
  • শাহনাজ ও ক্যাপ্টেন ডাবলু (২০০৩)
  • সায়রা সায়েন্টিস্ট (২০০৩)
  • ফিনিক্স (২০০৩)
  • সুহানের স্বপ্ন (২০০৪)
  • অবনীল (২০০৪)
  • নায়ীরা (২০০৫)
  • বিজ্ঞানী অনিক লুম্বা (২০০৫)
  • রুহান রুহান (২০০৬)
  • জলমানব (২০০৭)
  • অন্ধকারের গ্রহ (২০০৮)
  • অক্টোপাসের চোখ (২০০৯)
  • ইকারাস (২০০৯)
  • রবোনিশি (২০১০)
  • প্রডিজি (২০১১)
  • কেপলার টুটুবি (২০১২)
  • ব্ল্যাক হোলের বাচ্চা (২০১৩)
  • এনিম্যান (২০১৪)
  • এখন তখন মানিক রতন (২০১৪)
  • সেরিনা (২০১৫)
  • ক্রেনিয়াল (২০১৬)
  • রিটিন (২০১৭)
  • ত্রাতিনা (২০১৮)
  • নিয়ান (২০১৯)

কিশোর সাহিত্য[সম্পাদনা]

কিশোর উপন্যাস[সম্পাদনা]

  • হাতকাটা রবিন-(১৯৭৬)
  • দীপু নাম্বার টু (উপন্যাস)-(১৯৮৪) (চলচ্চিত্র রূপ, ১৯৯৬)
  • দুষ্টু ছেলের দল-(১৯৮৬)
  • আমার বন্ধু রাশেদ(১৯৯৪) (চলচ্চিত্র রূপ, ২০১১)
  • টি-রেক্সের সন্ধানে(১৯৯৪)
  • স্কুলের নাম পথচারী(১৯৯৫)
  • জারুল চৌধুরীর মানিকজোড়(১৯৯৫)
  • রাজু ও আগুনালির ভুত(১৯৯৬)
  • বকুলাপ্পু(১৯৯৭)
  • বুবুনের বাবা(১৯৯৮)
  • বাচ্চা ভয়ংকর কাচ্চা ভয়ংকর(১৯৯৮)
  • নিতু ও তার বন্ধুরা(১৯৯৯)
  • মেকু কাহিনী(২০০০)
  • শান্তা পরিবার(২০০২)
  • কাজলের দিনরাত্রি(২০০২)
  • কাবিল কোহকাফী(২০০৩)
  • দস্যি ক'জন(২০০৪)
  • আমি তপু(২০০৫)
  • লিটু বৃত্তান্ত(২০০৬)
  • লাবু এল শহরে(২০০৭)
  • বৃষ্টির ঠিকানা(২০০৭)
  • নাট বল্টু (২০০৮)
  • মেয়েটির নাম নারীনা(২০০৯)
  • রাশা (২০১০)
  • আঁখি এবং আমরা ক'জন (২০১১)
  • দলের নাম ব্ল্যাক ড্রাগন (২০১১)
  • রাতুলের রাত রাতুলের দিন (২০১২)
  • রূপ-রূপালী (২০১২)
  • ইস্টিশন (২০১৩)
  • গাব্বু (২০১৩)
  • টুনটুনি ও ছোটচাচ্চু (২০১৪)
  • গ্রামের নাম কাঁকনডুবি (২০১৪)
  • আরো টুনটুনি ও আরো ছোটাচ্চু (২০১৫)
  • আবারো টুনটুনি ও আবারো ছোটাচ্চু (২০১৭)
  • তবুও টুনটুনি তবুও ছোটাচ্চু (২০১৮)
  • সাইক্লোন(২০১৮)
  • তখন টুনটুনি যখন ছোটাচ্চু (২০১৯)

কিশোর গল্প[সম্পাদনা]

  • আমড়া ও ক্র্যাব নেবুলা-(১৯৯৬)
  • আধুনিক ঈশপের গল্প-(১৯৯৬)
  • তিন্নি ও বন্যা-(১৯৯৮)

শিশুতোষ[সম্পাদনা]

  • বুগাবুগা-(২০০১)
  • সাগরের যত খেলনা-(২০০২)
  • রতন-(২০০৮)
  • ঘাস ফড়িং-(২০০৮)
  • হাকাহাকি ডাকাডাকি-(২০০৮)
  • ভূতের বাচ্চা কটকটি-(২০১১)
  • বাপ্পার বন্ধু - (২০১৪)
  • ইঁদুর এবং দুষ্ট হাতি - (২০১৬)
  • ভূতের বাচ্চা সোলায়মান - (২০১৭)
  • বড় হবে ঝিলমিল-(২০১৮)

ভ্রমণ ও স্মৃতিচারণ[সম্পাদনা]

  • দেশের বাইরে দেশ-(১৯৯৭)
  • আমেরিকা-(১৯৯৭)
  • সঙ্গি সাথী পশু পাখি-(১৯৯৩)
  • আধ ডজন স্কুল-(১৯৯৬)
  • তোমাদের প্রশ্ন আমার উত্তর-(২০০৪)
  • রঙিন চশমা-(২০০৭)
  • আরো প্রশ্ন আরো উত্তর-(২০১২)

বিজ্ঞান ও গণিত বিষয়ক[সম্পাদনা]

  • দেখা আলো না দেখা রূপ (১৯৮৬)
  • বিজ্ঞানের একশ মজার খেলা (১৯৯৪)
  • নিউরণে অনুরণন (২০০২)
  • নিউরণে আবারো অনুরণন (২০০৩)
  • গনিত এবং আরও গণিত (২০০৩)
  • আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াড: প্রশ্ন ও উত্তর (২০০৪)
  • একটু খানি বিজ্ঞান (২০০৭)
  • গণিতের মজা মজার গণিত (২০০৭)
  • থিওরি অফ রিলেটিভিটি (২০০৮)
  • কোয়ান্টাম মেকানিক্স (২০০৯)
  • আরো একটু খানি বিজ্ঞান (২০১০)
  • সহজ ক্যালকুলাস (২০১৭)
  • বিগ ব্যাং থেকে হোমো স্যাপিয়েনস (২০১৮)

কলাম সংকলন[সম্পাদনা]

  • দেশের বাইরে দেশ-(১৯৯৩)
  • সাদাসিধে কথা-(১৯৯৫)
  • নিঃসঙ্গ বচন-(১৯৯৮)
  • প্রিয় গগন ও অন্যান্য-(১৯৯৯)
  • হিমঘরে ঘুম ও অন্যান্য-(২০০০)
  • পৃথিবীর সৌন্দর্য এবং আলফ্রেড সরেন-(২০০১)
  • ২০৩০ সালের একদিন ও অন্যান্য-(২০০২)
  • দুঃস্বপ্নের রাত এবং দুর্ভাবনার দিন-(২০০৩)
  • এখনো স্বপ্ন দেখায়-(২০০৪)
  • ক্রসফায়ার এবং অন্যান্য-(২০০৫)
  • আরো একটি বিজয় চাই-(২০০৬)
  • ভবদহের গল্প এবং অন্যান্য-(২০০৭)
  • বৈশাখের হাহাকার ও অন্যান্য-(২০০৮)
  • স্বপ্নের দেশ ও অন্যান্য-(২০০৯)
  • ঢাকা নামের শহর ও অন্যান্য-(২০১০)
  • এক টুকরো লাল সবুজ কাপড়-(২০১১)
  • বদনখানি মলিন হলে-(২০১২)
  • রাজনীতি নিয়ে ভাবনা ও অন্যান্য-(২০১৩)
  • মিথ্যা বলার অধিকার ও অন্যান্য-(২০১৪)
  • একজন সাদাসিধে মা এবং অন্যান্য-(২০১৫)
  • যখনি জাগিবে তুমি-(২০১৬)
  • তারুণ্যের এপিঠ-ওপিঠ-(২০১৭)
  • অনলাইন জীবন ও অন্যান্য-(২০১৮)

ভৌতিক সাহিত্য[সম্পাদনা]

  • প্রেত-(১৯৮৩)
  • পিশাচিনী-(১৯৯২)
  • নিশিকন্যা-(২০০৩)
  • ছায়ালীন-(২০০৬)
  • ও-(২০০৮)
  • দানব-(২০০৯)
  • অন্যজীবন-(২০১৬)

টিভি নাটক[সম্পাদনা]

  • ফসিল
  • প্রেত
  • গেস্ট হাউস
  • ঘাস ফড়িঙের স্বপ্ন
  • শান্তা পরিবার
  • একটি সুন্দর সকাল
  • লিরিক

রেডিও নাটক[সম্পাদনা]

মুক্তিযুদ্ধ[সম্পাদনা]

  • মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-(২০০৯)
  • ছোটদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-(২০০৯)

হত্যার হুমকি ও হত্যা প্রচেষ্টা[সম্পাদনা]

হত্যা প্রচেষ্টা[সম্পাদনা]

৩ মার্চ ২০১৮ রোজ শনিবার বিকালে সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালকে ছুরিকাঘাত করা হয়।[১১] বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে ইলেকট্রিকাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) উৎসবের রোবটিক প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠান চলছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে কয়েকজন হুলুস্থুল শুরু করে। সে সময় একজন অধ্যাপকের মাথায় হামলা চালায়।[১২]

হত্যাচেষ্টার তাৎক্ষণিক মুহুর্তে ড. ইকবালের প্রতিক্রিয়া[সম্পাদনা]

  • প্রতিযোগিতার বিচারক এবং হামলা প্রচেষ্টার প্রত্যক্ষদর্শী নওশাদ সজীব এর ভাষ্যমতে, ছুরিকাঘাতের পরপরই লেখক উঠে দাঁড়িয়ে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেছিলেন, আই অ্যাম অলরাইট, তোমরা উত্তেজিত হয়ো না। তিনি আরো বলেন যে, সে সময় শিক্ষকের মাথা থেকে রক্ত গড়িয়ে পড়ে তার মুখ ও শার্ট ভিজে যায়। ঐ কথা বলার পরপরই তিনি ক্ষতস্থানে এক হাত রেখে আরেক হাতে চেয়ার খুঁজে বসার চেষ্টা করেন। এর পরপরই শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা তাকে ধরেন এবং হাসপাতালে হস্তান্তর করেন [১৩]
  • সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়ার সময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ছেলেটা কই, ওকে তোমরা মারধর করো না[১৪]
  • অপারেশনে দায়িত্বে থাকা একজন চিকিৎসক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, স্যারকে রিভার্স পর স্যার তার কাছে ঘুমের ঔষুধ চেয়েছেন। অপারেশন থিয়েটারের দায়িত্বে থাকা অপর একজন চিকিৎসক লিখেছেন, অধ্যাপক জাফর ইকবাল আমার দেখা একজন সাহসী মানুষ। অপারেশনের বিছানায় যখন তাকে এনস্থেশিয়া দেওয়া হচ্ছে তখনও তিনি বলেছেন- আমি ঠিক আছি। কিছু রক্তের প্রয়োজন। [১৫]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "শিক্ষকতা থেকে অবসরে জাফর ইকবাল"প্রিয়.কম (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-১০-৩১ 
  2. তানজিনা হোসেন ও সিমু নাসের (ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০০২)। "নতুন প্রজন্ম: বই ও অন্যান্য"। ছুটির দিনে, দৈনিক প্রথম আলো (মুদ্রণ)। ঢাকা। পৃষ্ঠা ৫–৬। 
  3. মুহম্মদ জাফর ইকবাল (২০০৭)। রঙিন চশমা। প্রতীক প্রকাশনী। পৃষ্ঠা ৭-১১। আইএসবিএন 9844461057 
  4. "Shahjalal University of Science & Technology"www.sust.edu। ২৭ নভেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০১৩ 
  5. "২৫ বছর শিক্ষকতা শেষে অবসরে জাফর ইকবাল"। সংগ্রহের তারিখ ৪ অক্টোবর ২০১৮ 
  6. "System for wavelength division multiplexing/asynchronous transfer mode switching for network communication" 
  7. "Self-regulating multiwavelength optical amplifier module for scalable lightwave communications systems" 
  8. "ডিসেম্বরের প্রথম প্রহর : মুহম্মদ জাফর ইকবাল"প্রিয়.কম। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-১০-০৩ 
  9. "Meril-Prothom Alo awards for 2005 given" [২০০৫-এর মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার দেয়া হয়েছে]। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ১৩ মে ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০১৮ 
  10. ":: Welcome to GUNIJAN :: The Eminent :: Largest electronic journal of bangladeshi eminents :."gunijan.org.bd 
  11. "অধ্যাপক জাফর ইকবালকে ছুরিকাঘাত"ইত্তেফাক। ৩ মার্চ ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৩ মার্চ ২০১৮ 
  12. "অধ্যাপক জাফর ইকবালকে ছুরিকাঘাত"প্রথম আলো। ৪ মার্চ ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০১৮ 
  13. "আই অ্যাম অলরাইট তোমরা উত্তেজিত হয়ো না"প্রথম আলো। ৪ মার্চ ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৩ মার্চ ২০১৮ 
  14. "ছেলেটা কই, ওরে তোমরা মারধোর কোরো না"সিলেট টুডে। ৩ মার্চ ২০১৮। ৪ মার্চ ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০১৮ 
  15. "আমাকে ঘুমের ঔষুধ দিন"সিলেটটুডে। ৪ মার্চ ২০১৮। ৫ মার্চ ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০১৮ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]