কেন রিচার্ডস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(Ken Rickards থেকে পুনর্নির্দেশিত)
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
কেন রিচার্ডস
কেন রিচার্ডস.jpg
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামকেনেথ রয় রিচার্ডস
জন্ম২২ আগস্ট, ১৯২৩
রলিংটন টাউন, কিংস্টন, জ্যামাইকা
মৃত্যু২১ আগস্ট, ১৯৯৫
কিংস্টন, জ্যামাইকা
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি লেগ ব্রেক
ভূমিকাব্যাটসম্যান
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৬৬)
২৭ মার্চ ১৯৪৮ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ টেস্ট৩১ ডিসেম্বর ১৯৫১ বনাম অস্ট্রেলিয়া
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ৩৭
রানের সংখ্যা ১০৪ ২,০৬৫
ব্যাটিং গড় ৩৪.৬৬ ৩৮.৯৬
১০০/৫০ ০/১ ২/১৫
সর্বোচ্চ রান ৬৭ ১৯৫
বল করেছে ২১২
উইকেট
বোলিং গড় ১২৮.০০
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং -/- ১/৬৬
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ০/০ ১০/০
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১৮ মে ২০২০

কেনেথ রয় রিচার্ডস (ইংরেজি: Ken Rickards; জন্ম: ২২ আগস্ট, ১৯২৩ - মৃত্যু: ২১ আগস্ট, ১৯৯৫) কিংস্টনের রলিংটন টাউন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৪৮ থেকে ১৯৫১ সময়কালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।[১][২][৩]

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে জ্যামাইকা ও ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে এসেক্স দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে লেগ ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন কেন রিচার্ডস

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৪৬ সাল থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত কেন রিচার্ডসের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল।

খেলোয়াড়ী জীবনের এক পর্যায়ে ইংল্যান্ডে পেশাদারী লীগে অংশ নেন। সেখানে তিনি দুইটি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ পান। ১৯৫২ সালে কিংস্টন-আপোন-টেমসে ইংরেজ একাদশের বিপক্ষে কমনওয়েথ একাদশের সদস্যরূপে ৬৯ ও অপরাজিত ২৬ রান সংগ্রহ করেন। এরপর, ১৯৫৩ সালে আঘাতে জর্জরিত এসেক্স দলের বিপক্ষে একই দলের সদস্য হিসেবে খেলেন। কেন রিচার্ডস ১২ ও ১৩ রান করেন। তবে, সফরকারী দলের পক্ষে ক্লাইড ওয়ালকট ১১৫ রান তুললেও এসেক্স জয় পেয়েছিল।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে দুইটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন কেন রিচার্ডস। ২৭ মার্চ, ১৯৪৮ তারিখে কিংস্টনে সফরকারী ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। এরপর, ৩১ ডিসেম্বর, ১৯৫১ তারিখে মেলবোর্নে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

১৯৪৭-৪৮ মৌসুমে গাবি অ্যালেনের নেতৃত্বে এমসিসি দল ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ গমনে আসে। জ্যামাইকার বিপক্ষে সফররত দলটি প্রস্তুতিমূলক খেলায় অংশ নেয়। অপরাজিত ১১২ রানের ইনিংস খেলে তিনি দল নির্বাচকমণ্ডলীর দৃষ্টি আকর্ষণে সক্ষম হন। ফলশ্রুতিতে সিরিজের পঞ্চম টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পান। ১৯৪৮-৪৯ মৌসুমে ভারত সফরে যাবার শেষ মুহুর্তে তাকে দলে যুক্ত করা হয়। কিন্তু, টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হবার ফলে কোন টেস্টেই তাকে রাখা হয়নি। তাসত্ত্বেও এ সফরে ৩৩.৬৭ গড়ে ৩৩০ রান তুলেছিলেন। তন্মধ্যে, পুনায় পশ্চিম অঞ্চলের বিপক্ষে ৯৯ রান তুলে রান আউটের শিকার হন।

১৯৫০ সালে ইংল্যান্ড গমনের সুযোগ পাননি। মার্চ, ১৯৫১ সালে কিংস্টনে ব্রিটিশ গায়ানার বিপক্ষে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১৯৫ রান তুলতে সক্ষম হন। এরফলে, পরবর্তী শীতকালে অস্ট্রেলিয়া গমনে দলে অন্তর্ভূক্ত হন তিনি। এবারও তিনি নিরাশ করেন। সব মিলিয়ে ২০.৪১ গড়ে ২৪৫ রান তুলেছিলেন। সিরিজের চতুর্থ টেস্টে খেলেন। ঐ সিরিজে তার দল অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৪-১ ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল।

দলে প্রত্যাখ্যান[সম্পাদনা]

জ্যামাইকায় জনমত গড়ে ওঠায় ১৯৫৩-৫৪ মৌসুমে সফরকারী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলার জন্যে তাকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে ফিরিয়ে আনা হয়। দ্বীপের পক্ষে প্রথম খেলায় লেন হাটনের দলের বিপক্ষে ৭৫ ও ৩৫ এবং দ্বিতীয় খেলায় ০ ও ১ রান করলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দল নির্বাচকমণ্ডলী থেকে উপেক্ষিত হন।

সর্বমোট দুই টেস্টে ৩৪.৬৭ গড়ে ১০৪ রান করেন। অন্যদিকে, সবগুলো প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশ নিয়ে ৩৮.৯৬ গড়ে ২০৬৫ রান তুলেন। আক্রমণধর্মী ডানহাতি ব্যাটসম্যানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন কেন রিচার্ডস। তবে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের মাঝারিসারিতে থ্রি ডব্লিউজের উপস্থিতির কারণে তিনি টেস্টে খুবই সীমিত পর্যায়ে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করেছিলেন।

২১ আগস্ট, ১৯৯৫ তারিখে ৭১ বছর বয়সে জ্যামাইকার কিংস্টন এলাকায় কেন রিচার্ডসের দেহাবসান ঘটে। নিজস্ব ৭২তম জন্মদিনের একদিন পূর্বে তার মৃত্যু হয়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. List of West Indies Test Cricketers
  2. "West Indies – Test Batting Averages"। ESPNCricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৩ মে ২০২০ 
  3. "West Indies – Test Bowling Averages"। ESPNCricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৩ মে ২০২০ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]