বিষয়বস্তুতে চলুন

IHLIA LGBTI হেরিটেজ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আইএইচএলআইএ এলজিবিটিআই হেরিটেজ
আইএইচএলআইএ -এর অধ্যয়ন কক্ষ নেদারল্যান্ডের আমস্টারডাম গন গ্রন্থাগারের তৃতীয় তলে
দেশনেদারল্যান্ড
প্রতিষ্ঠিত১৯৯৯; ২৭ বছর আগে (1999)
অবস্থানআমস্টারডাম
সংগ্রহ
আকারএক লক্ষের বেশি তথ্য সংগ্রহিত আছে
অন্যান্য তথ্য
পরিচালকলোনেকে ফান ডেন হোনার্ড
ওয়েবসাইটihlia.nl
মানচিত্র
মানচিত্র

আইএইচএলআইএ এলজিবিটিআই হেরিটেজ, যা পূর্বে গে লেসবিয়ান ইনফরমেশন সেন্টার অ্যান্ড আর্কাইভ নামে পরিচিত ছিল (ওলন্দাজ: ইন্টারন্যাশনাল হোমো/লেসবিয়ান ইনফরমেশিসেন্ট্রাম এন আর্কাইফ), এটি সমকামিতা, উভকামীতা এবং ট্রান্সজেন্ডার ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কিত তথ্যের একটি আন্তর্জাতিক সংরক্ষণাগার এবং তথ্যমিত্র কেন্দ্র।[][]

আইএইচএলআইএ এলজিবিটিআই হেরিটেজ ইউরোপের বৃহত্তম এলজিবিটিআই তথ্য সংরক্ষণাগার হিসেবে পরিচিত। এই তথ্যভাণ্ডারে সমকামিতা, উভকামিতা ও ট্রান্সজেন্ডার বিষয়ক বিভিন্ন ধরনের তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা হয় এবং প্রয়োজন অনুসারে উপস্থাপন করা হয়। এই প্রতিষ্ঠান প্রায় এক লক্ষেরও বেশি তথ্য সংরক্ষণ করে রেখেছে। এই বিশাল সংগ্রহশালায় রয়েছে বই, দিনপঞ্জী, মাসিক পত্র-পত্রিকা, চলচ্চিত্র, প্রামাণ্যচিত্র, বিজ্ঞপ্তি, আলোকচিত্র এবং বিভিন্ন বস্তু যেমন টি-শার্ট, ব্যাজ, কনডমের মোড়ক ইত্যাদি। এই তথ্য সংরক্ষানাগার গঠন করার মূল উদ্দেশ্য হল এলজিবিটিআই সম্প্রদায়ের ইতিহাস ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ করা এবং সেই সাথে বৃহত্তর জনসমাজের কাছে এসব তথ্য সহজলভ্য করে তোলা, যাতে সার্বিকভাবে লিঙ্গ ও যৌন বৈচিত্র্যের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে ওঠে।[]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

আইএইচএলআইএ সংস্থার প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৯৯ সালে। এই সংস্থা প্রতিষ্ঠার আগে বিক্ষিপ্তভাবে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা তাদের নিজস্ব উদ্যোগে সমকামী সম্প্রদায়ের ইতিহাস সংরক্ষিত রাখত। এই সংস্থাগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল; হোমোডোক (আমস্টারডাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমকামী সম্পর্কিত তথ্যশালা), আনা ব্লামানহুইসের লেসবিয়ান তথ্যশালা (লেউয়ারডেন নামক এলাকায় অবস্থিত) এবং লেসবিশ আর্কিফ আমস্টারডাম । এই সমস্ত সংস্থাগুলি একত্রিত হয়ে তাদের তথ্যভান্ডার রক্ষনের উদ্যোগ নেয় এবং এর ফলস্বরূপ আইএইচএলআইএ -এর গঠন হয়। ২০০৭ সাল থেকে, আইএইচএলআইএ সংস্থার সকল তথ্য আমস্টারডামের গন গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত করা হয়েছে। আইএইচএলআইএ এবং জর্জ মোস ফান্ড বার্ষিক মোস লেকচার আয়োজন করে যা এলজিবিটিআই সম্প্রদায়ের জন্য শিক্ষামূলক ও সংস্কৃতিক আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত হয়।[] সংস্থাটি জাতীয় সরকারের অনুদানের উপর নির্ভরশীল। বার্ষিক বাজেটের পচানব্বই শতাংশেরও বেশি, অর্থাৎ প্রায় ৮ লক্ষ ইউরো, সরকারী অনুদান থেকে আসে।

আইএইচএলআইএ সংস্থায় অস্থায়ী কর্মী এবং স্বেচ্ছাসেবকদের একটি দল কাজ করে, যারা সংস্থার বিভিন্ন কার্যক্রমে সহায়তা প্রদান করে থাকে। এই কর্মীরা সংরক্ষিত দলিলপত্র ও আর্কাইভ সামগ্রীর ব্যবস্থাপনা, শ্রেণিবিন্যাস এবং জনসাধারণের চাহিদা অনুযায়ী তথ্য সরবরাহের দায়িত্ব পালন করেন। উদাহরণস্বরূপ আমস্টারডাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেন্ডার স্টাডিজের শিক্ষার্থীরা গবেষণার উদ্দেশ্যে আইএইচএলআইএ -এর তথ্যভান্ডার থেকে উপকরণ ব্যবহার করার সুযোগ পেয়ে থাকে।[]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 Van der Wel, Jack: IHLIA – Making information on LGBTIQ issues in the past and the present accessible and visible, p 158 – 161 in: Ellen Greenblatt (ed.): Serving LGBTIQ library and archives users. Essays on outreach, service, collections and access, Jefferson, North Carolina : McFarland & Company, Inc., Publishers, [2011]. Googlebooks
  2. Van Staalduinen, Ko & Brandhorst, Henny: A queer thesaurus: an international thesaurus of gay and lesbian index terms, Anna Blaman Huis and Homodok, Amsterdam 1997.
  3. 1 2 "Tussen Grewel en Fortuyn: Identiteit, herzuiling, privilege en verschil" (Dutch ভাষায়)। University of Amsterdam। ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)