IHLIA LGBTI হেরিটেজ
আইএইচএলআইএ -এর অধ্যয়ন কক্ষ নেদারল্যান্ডের আমস্টারডাম গন গ্রন্থাগারের তৃতীয় তলে | |
| দেশ | নেদারল্যান্ড |
|---|---|
| প্রতিষ্ঠিত | ১৯৯৯ |
| অবস্থান | আমস্টারডাম |
| সংগ্রহ | |
| আকার | এক লক্ষের বেশি তথ্য সংগ্রহিত আছে |
| অন্যান্য তথ্য | |
| পরিচালক | লোনেকে ফান ডেন হোনার্ড |
| ওয়েবসাইট | ihlia.nl |
| মানচিত্র | |
![]() | |
আইএইচএলআইএ এলজিবিটিআই হেরিটেজ, যা পূর্বে গে লেসবিয়ান ইনফরমেশন সেন্টার অ্যান্ড আর্কাইভ নামে পরিচিত ছিল (ওলন্দাজ: ইন্টারন্যাশনাল হোমো/লেসবিয়ান ইনফরমেশিসেন্ট্রাম এন আর্কাইফ), এটি সমকামিতা, উভকামীতা এবং ট্রান্সজেন্ডার ইত্যাদি বিষয় সম্পর্কিত তথ্যের একটি আন্তর্জাতিক সংরক্ষণাগার এবং তথ্যমিত্র কেন্দ্র।[১][২]
আইএইচএলআইএ এলজিবিটিআই হেরিটেজ ইউরোপের বৃহত্তম এলজিবিটিআই তথ্য সংরক্ষণাগার হিসেবে পরিচিত। এই তথ্যভাণ্ডারে সমকামিতা, উভকামিতা ও ট্রান্সজেন্ডার বিষয়ক বিভিন্ন ধরনের তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা হয় এবং প্রয়োজন অনুসারে উপস্থাপন করা হয়। এই প্রতিষ্ঠান প্রায় এক লক্ষেরও বেশি তথ্য সংরক্ষণ করে রেখেছে। এই বিশাল সংগ্রহশালায় রয়েছে বই, দিনপঞ্জী, মাসিক পত্র-পত্রিকা, চলচ্চিত্র, প্রামাণ্যচিত্র, বিজ্ঞপ্তি, আলোকচিত্র এবং বিভিন্ন বস্তু যেমন টি-শার্ট, ব্যাজ, কনডমের মোড়ক ইত্যাদি। এই তথ্য সংরক্ষানাগার গঠন করার মূল উদ্দেশ্য হল এলজিবিটিআই সম্প্রদায়ের ইতিহাস ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ করা এবং সেই সাথে বৃহত্তর জনসমাজের কাছে এসব তথ্য সহজলভ্য করে তোলা, যাতে সার্বিকভাবে লিঙ্গ ও যৌন বৈচিত্র্যের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে ওঠে।[১]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]আইএইচএলআইএ সংস্থার প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৯৯ সালে। এই সংস্থা প্রতিষ্ঠার আগে বিক্ষিপ্তভাবে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা তাদের নিজস্ব উদ্যোগে সমকামী সম্প্রদায়ের ইতিহাস সংরক্ষিত রাখত। এই সংস্থাগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল; হোমোডোক (আমস্টারডাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমকামী সম্পর্কিত তথ্যশালা), আনা ব্লামানহুইসের লেসবিয়ান তথ্যশালা (লেউয়ারডেন নামক এলাকায় অবস্থিত) এবং লেসবিশ আর্কিফ আমস্টারডাম । এই সমস্ত সংস্থাগুলি একত্রিত হয়ে তাদের তথ্যভান্ডার রক্ষনের উদ্যোগ নেয় এবং এর ফলস্বরূপ আইএইচএলআইএ -এর গঠন হয়। ২০০৭ সাল থেকে, আইএইচএলআইএ সংস্থার সকল তথ্য আমস্টারডামের গন গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত করা হয়েছে। আইএইচএলআইএ এবং জর্জ মোস ফান্ড বার্ষিক মোস লেকচার আয়োজন করে যা এলজিবিটিআই সম্প্রদায়ের জন্য শিক্ষামূলক ও সংস্কৃতিক আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত হয়।[৩] সংস্থাটি জাতীয় সরকারের অনুদানের উপর নির্ভরশীল। বার্ষিক বাজেটের পচানব্বই শতাংশেরও বেশি, অর্থাৎ প্রায় ৮ লক্ষ ইউরো, সরকারী অনুদান থেকে আসে।
আইএইচএলআইএ সংস্থায় অস্থায়ী কর্মী এবং স্বেচ্ছাসেবকদের একটি দল কাজ করে, যারা সংস্থার বিভিন্ন কার্যক্রমে সহায়তা প্রদান করে থাকে। এই কর্মীরা সংরক্ষিত দলিলপত্র ও আর্কাইভ সামগ্রীর ব্যবস্থাপনা, শ্রেণিবিন্যাস এবং জনসাধারণের চাহিদা অনুযায়ী তথ্য সরবরাহের দায়িত্ব পালন করেন। উদাহরণস্বরূপ আমস্টারডাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেন্ডার স্টাডিজের শিক্ষার্থীরা গবেষণার উদ্দেশ্যে আইএইচএলআইএ -এর তথ্যভান্ডার থেকে উপকরণ ব্যবহার করার সুযোগ পেয়ে থাকে।[৩]
- তথ্য সংরক্ষণাগার পাবলিক লাইব্রেরির বেসমেন্টে রাখা আছে।
- লাইব্রেরির তৃতীয় তলায় বিশেষ গোলাপী বইয়ের আলমারি
- ডের ইজিন। ১৮৯৬ বার্লিন-উইলহেমশাগেন। প্রথম সমকামী ম্যাগাজিন।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 Van der Wel, Jack: IHLIA – Making information on LGBTIQ issues in the past and the present accessible and visible, p 158 – 161 in: Ellen Greenblatt (ed.): Serving LGBTIQ library and archives users. Essays on outreach, service, collections and access, Jefferson, North Carolina : McFarland & Company, Inc., Publishers, [2011]. Googlebooks
- ↑ Van Staalduinen, Ko & Brandhorst, Henny: A queer thesaurus: an international thesaurus of gay and lesbian index terms, Anna Blaman Huis and Homodok, Amsterdam 1997.
- 1 2 "Tussen Grewel en Fortuyn: Identiteit, herzuiling, privilege en verschil" (Dutch ভাষায়)। University of Amsterdam। ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
