বিষয়বস্তুতে চলুন

৯ রমজান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

৯ রমজান হল হিজরি বর্ষপঞ্জির নবম মাস রমজানের ৭ম দিন এবং এটি হিজরি বছরের ২৪৫তম দিন। যদি শাবান মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হয়, তবে এটি ২৪৬তম দিন হবে অথবা যদি সফর, রবিউস সানি, জমাদিউস সানি ও শাবান ৩০ দিনে পূর্ণ হয়, তবে এটি বছরের ২৪৭তম দিন হয়। এই দিনের পরে হিজরি বছরের শেষ পর্যন্ত ১০৯ বা ১১০ দিন বাকি থাকে।

ঘটনাবলী

[সম্পাদনা]
  • ২১২ হিজরি: মুসলিম বাহিনী আসাদ বিন ফুরাতের নেতৃত্ত্বে সিসিলি দ্বীপপুঞ্জে অবতরণ করে এবং তা দখল করে নেন। এই অভিযানটি ঘটে আব্বাসীয় খলিফা আল-মামুনের সময়ে। সিসিলিতে ইসলাম প্রচার ও স্থাপনে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল। []
  • ৩৮১ হিজরি: ফাতিমীয় খলিফা আল-আজিজ বিল্লাহ তার অসুস্থ পুত্র মনসুরের সুস্থতার জন্য ১০,০০০ দিনার দান করেন দরিদ্রদের মাঝে।
  • ৪৫২ হিজরি: ফাতিমীয় খলিফা আল-মুস্তানসির বিল্লাহ ইবনুল মাগরিবিকে উজির পদ থেকে বরখাস্ত করেন এবং আবুল ফারাজ আল-বাবলিকে পুনরায় নিয়োগ দেন।
  • ৫৫৯ হিজরি: মিশরের কায়রো শহরের উপর আরোপিত অবরোধ ভেঙে ফেলা হয়। এই সংঘর্ষে অংশ নেয় শাওয়ার ইবনে মুজির আল-সাদী এবং আসাদ উদ্দিন শিরকুহ। এই সময় খলিফা ছিলেন আল-আযিদ লিদিনিল্লাহ, যিনি ফাতিমীয়দের শেষ খলিফা ছিলেন। সংঘর্ষের একপর্যায়ে শাওয়ার নিহত হন এবং শিরকুহ তার স্থলাভিষিক্ত হন।
  • ৮২৫ হিজরি: মিশরের কায়রো শহরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্থাপত্য ‘সুলতান হাসান মাদ্রাসা’র মিনারে পুনরায় আযান চালু করা হয়। এই ঘটনা ঘটেছিল মামলুক সুলতান জাহির তুতারের শাসনামলে।
  • ৮২৭ হিজরি: বুলাক থেকে দুটি মুসলিম যুদ্ধজাহাজ ভূমধ্যসাগরের দিকে যাত্রা করে। এই জাহাজে ৮০ মামলুক ছিল, যারা ফ্রাঙ্কি জলদস্যুদের বিরুদ্ধে অভিযানে যাত্রা করে। ফ্রাঙ্কিরা এর পূর্বে মুসলিম শহর বৈরুতের উপকূলে আক্রমণ চালিয়েছিল।
  • ৮৪৩ হিজরি: দামেস্ক শহরের সাধারণ জনগণ মাংসের মূল্যবৃদ্ধির কারণে মিছিল করে প্রতিবাদ জানায়। একপর্যায়ে তারা সংঘর্ষে লিপ্ত হলে শহরে বিচারপতি ও অভিজাতরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
  • ১৩২৬ হিজরি:
    • অস্ট্রিয়ার সম্রাট প্রথম ফ্রানৎস জোসেফ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনাকে তার সাম্রাজ্যে যুক্ত করেন, যা আগে ৩০ বছর ধরে উসমানীয় সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল।
    • একই দিনে বুলগেরিয়া নিজেদের স্বাধীন ঘোষণা করে এবং একতরফাভাবে রাজতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা চালু করে।
  • ১৩৬৪ হিজরি: ইন্দোনেশিয়া জাপানি দখল থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে। তবে ডাচ ঔপনিবেশিক শক্তির বাধার কারণে প্রকৃত স্বাধীনতা পেতে আরও চার বছর সময় লেগে যায়।
  • ১৩৬৭ হিজরি: জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলুশন ৫৪ গ্রহণ করা হয়, যা ফিলিস্তিনে সামরিক কার্যকলাপ বন্ধের আহ্বান জানায়।
  • ১৩৭৬ হিজরি: সুয়েজ খাল আবার আন্তর্জাতিক নৌপরিবহনের জন্য খুলে দেওয়া হয়, যা আগে ত্রিপক্ষীয় আগ্রাসনের কারণে বন্ধ ছিল।
  • ১৪০০ হিজরি: সিরিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী সালাহ আল-বিতারকে সিরীয় গোয়েন্দা সংস্থা প্যারিসে হত্যা করে। এটি তার ও তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হাফেজ আল-আসাদের মধ্যে মতবিরোধের ফল ছিল।
  • ১৪২২ হিজরি: হামাসের সামরিক শাখার নেতা মাহমুদ আবু হানুদ ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে নিহত হন।
  • ১৪২৯ হিজরি: আসিফ আলি জারদারি পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতির পদে শপথ নেন।
  • ১৪৩৪ হিজরি: স্পেন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে মরক্কোকে ঐতিহাসিক দলিল সংরক্ষিত মাইক্রোফিল্ম হস্তান্তর করে।
  • ১৩৮৭ হিজরি - মাজেদ আল-কাদওয়ানি, মিশরীয় অভিনেতা।
  • ১৪০০ হিজরি - ফাতিমা সালেম, কুয়েতি অভিনেত্রী।
  • ১৪১২ হিজরি - আবরার সাবত: বাহরাইনি অভিনেত্রী ও গায়িকা।

মৃত্যু

[সম্পাদনা]
  • ২৯৭ হিজরি - আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে দাউদ আল-জাহিরি, ইসলামি ফিকহের জাহিরি মতবাদের একজন ইমাম ও পণ্ডিত।
  • ৪৫৫ হিজরি - তুঘরিল বেগ, সেলজুক সাম্রাজ্যের সুলতান।
  • ১৩০২ হিজরি - মুহাম্মদ আহমদ আল-মাহদি, সুদানীশ রাজনৈতিক নেতা ও ধর্মীয় নেতা।
  • ১৩৫০ হিজরি - আলী আল-খুঈ: ইরানি মুসলিম আলেম, কবি ও লেখক।
  • ১৩৭৩ হিজরি -সাঈদ ফায়েক আব্বাসি, তুর্কি ঔপন্যাসিক ও কবি।
  • ১৩৮২ হিজরি - মুহাম্মদ বাকির আল-শাখস, বারো ইমামিয়া শিয়া মুসলিম আলেম।
  • ১৪০০ হিজরি - সালাহ আল-বিতার, সিরিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী।
  • ১৪১৮ হিজরি - রাশেদ আল-খাদর, কুয়েতি সুরকার।
  • ১৪২২ হিজরি - মাহমুদ আবু হানুদ, হামাস আন্দোলনের সামরিক শাখার একজন কমান্ডার।
  • ১৪২৪ হিজরি -রাসুল হামজাতভ, রুশ কবি।
  • ১৪৩২ হিজরি - হিন্দ রুস্তম, মিশরীয় অভিনেত্রী, যিনি "মিশরের মার্লিন মনরো" নামে খ্যাত।
  • ১৪৩৬ হিজরি -
    • মুহাম্মদ ইবনে নাবহান আল-মিসরি: ক্বারি, লেখক এবং কুরআন ও তাজবীদের পণ্ডিত। তিনি উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ে কুরআন অধ্যয়নের অধ্যাপক ছিলেন।
    • আব্দুল আজিজ আল-আদাসানি: কুয়েতি হিসাব দপ্তরের প্রধান।
  • ১৪৪২ হিজরি - ইদ্রিস দেবি, চাদের সপ্তম রাষ্ট্রপতি।

আরো দেখুন

[সম্পাদনা]

গ্রন্থপঞ্জি

[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]
  1. ابن كثير الدمشقي (1988)، البداية والنهاية، تحقيق: علي شيري (ط. 1)، بيروت: دار إحياء التراث العربي، ج. 9، ص. 63،