৬ সফর
অবয়ব
৬ সফর হল ইসলামি বর্ষপঞ্জির দ্বিতীয় মাস সফরের ষষ্ঠ দিন। এটি হিজরি চান্দ্র পঞ্জিকা অনুসারে বছরের ৩৬তম দিন। এই দিনের পর হিজরি বছর শেষ হতে আরো ৩১৮ বা ৩১৯ দিন বাকি থাকে।[১] [২][৩]
ঘটনাবলি
[সম্পাদনা]- ৮ হিজরি — নববী যুগে ইসলামের প্রথম বড় যুদ্ধের সূচনা হয়। এটি খ্রিস্টীয় বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের সঙ্গে সংঘটিত হয়েছিল।
- ৭৫৫ হিজরি—উসমানীয় কমান্ডার সুলেমান পাশা একটি নৌ অভিযান পরিচালনা করে এবং বলকান অঞ্চলের গ্যালিপলি দুর্গ দখল করেন, যা গ্যালিপোলি উপদ্বীপ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ কৌশলগত গুরুত্ব বহন করত।
- ১১৪৬ হিজরি — ইরানের শাহ নাদের খান আফশার ৯ ঘণ্টার একটি যুদ্ধে বাগদাদের পার্শ্ববর্তী একটি অঞ্চলে উসমানীয় সাম্রাজ্যের কাছে পরাজিত হন, যেখানে প্রায় ৩০ হাজার সৈন্য নিহত হয়।
- ১২২৬ হিজরি — মিশরীয় শাসক মুহাম্মদ আলী পাশা কেল্লা হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে অবশিষ্ট মামলুক সদস্যদের নির্মূল করেন।
- ১৩১৬ হিজরি—মিশরের আল-আহলি ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৩৪১ হিজরি — তুর্কি বাহিনী মুস্তাফা কামালের নেতৃত্বে সমিরনা দখল করে।
- ১৩৫৩ হিজরি —তায়েফ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যার মাধ্যমে ইয়েমেন ও সৌদি আরবের মধ্যে যুদ্ধের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
- ১৩৬৫ হিজরি —জর্ডানে ইখওয়ানুল মুসলিমিন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৩৬৭ হিজরি— ইহুদিবাদী সন্ত্রাসী সংগঠন আরগুন জেরুসালেমের বাবুল আমুদ অঞ্চলে গণহত্যা চালায়, যার ফলে ১৪ জন আরব নিহত ও ২৭ জন আহত হয়।
- ১৩৭২ হিজরি—লেবানন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যপদ লাভ করে।
- ১৩৮৫ হিজরি—ইরানের তৎকালীন শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভীর শাসনকালে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয় এবং আয়াতুল্লাহ খোমেনিকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে নির্বাসন দেওয়া হয়।
- ১৩৯৪ হিজরি — ৭ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও মিশরের মাঝে কূটনৈতিক সম্পর্ক বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু হয়।
- ১৪০৫ হিজরি —সৌদি বাদশাহ ফাহাদ বিন আবদুল আজিজ সৌদ মদিনা মুনাওয়ারায় মহান কোরআন প্রিন্টিং কমপ্লেক্স উদ্বোধন করেন।
- ১৪২০ হিজরি — সিরিয়া ও লেবানন “ভ্রাতৃত্ব, সহযোগিতা ও সমন্বয় চুক্তি” স্বাক্ষর করে। চুক্তিতে দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তা সমন্বয়, উর্ধ্বতন পরিষদ ও সমন্বয় তদারকি কমিটি প্রতিষ্ঠার বিধান থাকে। এছাড়া সিরীয় সেনা লেবাননে পুনর্বিন্যাস করার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়।
- ১৪২৫ হিজরি—হামাস ঘোষনা দেয় যে, খালেদ মিশালকে আন্দোলনের প্রধান হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে, যিনি হামাসের প্রতিষ্ঠাতা আহমাদ ইয়াসিনের স্থলাভিষিক্ত হন।
- ১৪৩৯ হিজরি — আন্তর্জাতিক রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ সংস্থা খান শেইখুনে সংঘটিত রাসায়নিক হামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে সিরীয় সরকারের জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করে।
- ১৪৪১ হিজরি—ইরাকে একটি গণআন্দোলনে প্রায় ১০০ জন নিহত ও হাজার হাজার মানুষ আহত হয়, যা ১৪৪১ হিজরির ২ সফর শুরু হয়েছিল। বিক্ষোভকারীরা দুর্নীতি দমন, বিদেশী হস্তক্ষেপ বন্ধ ও সরকারের পদত্যাগের দাবি জানায়।
জন্ম
[সম্পাদনা]- ১২০১ হিজরি —আহমদ ইরফান আল-শাহিদ, ভারতীয় মুসলিম সংস্কারক।
- ১৩২৫ হিজরি — জামিলা আল-আলাইলি, মিশরীয় কবি ও সাহিত্যিক।
- ১৩২৭ হিজরি —তালাল ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাশেমি, জর্ডানের রাজা।
- ১৩৪৯ হিজরি —কার্লোস মনিয়েম, আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রপতি।
- ১৩৫৯ হিজরি — ইব্রাহিম আস-সালাল, কুয়েতি অভিনেতা।
- ১৩৬৪ হিজরি —মুহাম্মদ জাবের, কুয়েতি অভিনেতা।
- ১৩৭২ হিজরি — সামির জাজ, লেবাননী রাজনীতিবিদ।
- ১৩৭৭ হিজরি — নাসিমা দাহের, সিরীয় অভিনেত্রী।
- ১৩৮৭ হিজরি — স্ট্রিদা জাজ, লেবাননী রাজনীতিবিদ।
- ১৪০৩ হিজরি —
- ১৪০৮ হিজরি — ফারাস বাকনা, সৌদি অনলাইন ব্যক্তি ও ইউটিউবার।
মৃত্যু
[সম্পাদনা]- ২১৮ হিজরি — আব্দুল্লাহ আল-মামুন, আব্বাসীয় খলিফা।
- ১৩৪২ হিজরি —আহমদ ইবনে মুস্তাফা আল-মুকতাবি, উসমানীয় শাসনামলের সিরীয় শাফেয়ি ফকিহ ও আরবি ভাষাবিদ।
- ১৩৪৩ হিজরি — তাহের ইবনে উমর সানবল, হিজাজি চিকিৎসক।
- ১৩৮২ হিজরি — আব্দুল করিম আল-আলজাজিরি, ইরাকি মুসলিম ফকিহ ও কবি।
- ১৩৮৪ হিজরি — হিকমত সুলেমান, রাজতন্ত্রী ইরাকের রাজনীতিবিদ।
- ১৩৯৩ হিজরি —আন্তোন কাজার, লেবাননী আইনজীবী ও কবি।
- ১৩৯৬ হিজরি—আব্দুল গনি খদরি, ইরাকি সাংবাদিক, কবি ও লেখক।
- ১৪১৭ হিজরি — সালাহ আবু সিফ, মিশরীয় চলচ্চিত্র পরিচালক।
- ১৪২১ হিজরি —রেমন এদ, লেবাননী রাজনীতিবিদ।
- ১৪২৯ হিজরি — জিজি মুস্তাফা, মিশরীয় অভিনেত্রী।
- ১৪৩২ হিজরি—সালাহ উদ্দিন হুসেইনি, ফিলিস্তিনি কবি।
- ১৪৩৬ হিজরি—সাইয়েদ আকল, লেবাননী কবি।
- ১৪৩৯ হিজরি — আলী আশরফ দরউইশিয়ান, ইরানি ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার।
- ১৪৪২ হিজরি — নুরউদ্দিন আত্তার, সিরীয় ইসলামি পণ্ডিত ও হাদিসবিশারদ।
আরো দেখুন
[সম্পাদনা]গ্রন্থপঞ্জি
[সম্পাদনা]- ইবনে কাসির, মুহাম্মদ (২০১৩)। আল বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ (বাংলা ভাষায়)। ঢাকা: ইসলামিক ফাউন্ডেশন। আইএসবিএন ৯৮৪-০৬-০৫৬৫-৮।
- আল-যাহাবী, শামসুদ্দীন (২০১৫)। তারিখুল ইসলাম (আরবি ভাষায়)। বৈরুত: দারুল-কুতুব আল-ইলমিয়্যাহ। আইএসবিএন ২৭-৪৫১৪৩-৫৩-০।
- আল-যাহাবী, শামসুদ্দীন (২০১৪)। সিয়ারু আলামিন নুবালা (আরবি ভাষায়)। বৈরুত: আল-রিসালা প্রকাশনী। আইএসবিএন ৯৭৮-৯-৯৩৩-৪৪৬৬৫-৯।
- খতিব বাগদাদী (২০১১)। তারিখে বাগদাদ (আরবি ভাষায়)। বৈরুত: দারুল কুতুব ইলমিয়্যা। আইএসবিএন ৯৭৮-২৭৪৫১০-৪৬৬-৩।
- তাবারি, মুহাম্মদ ইবনে জারির (২০১১)। তারিখে তাবারি: তারিখুর রুসুল ওয়াল মুলুক (আরবি ভাষায়)। বৈরুত: দারুল কুতুব ইলমিয়া। আইএসবিএন ৯৭৮-২৭৪৫১-৩২৬৩-৫।
- হামাবি, ইয়াকুত (২০১১)। মু'জামুল বুলদান (আরবি ভাষায়)। বৈরুত: দারুল কুতুব ইলমিয়া। আইএসবিএন ৯৭৮-২৭৪৫১-১৪৩২-৭।
- সুয়ুতী, জালালুদ্দীন (২০১০)। তারিখ আল-খুলাফা (আরবি ভাষায়)। সৌদি আরব: দারুল মিনহাজ। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৯৫৩৪-৯৮১৯-৫।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|প্রথমাংশ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ইলমাজ উজতুনা (২০১০)। তারিখ আল-দাওলাহ আল-উসমানিয়া (আরবি ভাষায়)। বৈরুত: দারুল কুতুব আরাবি। আইএসবিএন ৯৭৮-৬১৪৪১-৫০৩১-৩।
- ইয়াগি, ইসমাইল আহমদ (২০১৪)। আল-দাওলাহ আল-উসমানিয়া, ফিত তারিখিল ইসলামি আল-হাদিস (আরবি ভাষায়)। মাকতাবাতুল আবিকান। আইএসবিএন ৯৭৮-৬০৩৫০-৩৬৯৫-৫।
- বারদি, ইবনে তাগরি (২০১৬)। আল-নুজুম আল-যাহিরাহ ফি মুলুক মিসর ওয়াল কাহিরাহ (আরবি ভাষায়)। কায়রো: দারুল কুতুব আল-মিসরিয়া। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৭৭৮১-২০১৮-৯।
- ইবনে ইয়াস (২০১৮)। বাদায়ি' আল-জুহুর ফি ওয়াকায়ি' আল-দুহুর (আরবি ভাষায়)। নিল ওয়াফুরাত।
- আল-মাকদিসি, আবু শামা (২০১৮)। আল-রওজাতাইন ফি আখবার আল-দাওলাতাইন আল-নুরিয়া ওয়াস সালাহিয়া (আরবি ভাষায়)। কায়রো: মুয়াসসাসাতুর রিসালা। আইএসবিএন ৯৭৮-১৯১২৬৪-৩৩৫-৬।
- আল মাকরিজি, আলি ইবনে আহমদ (২০০৮)। আস-সুলুক লিমারিফা দুয়াল আল-মুলুক (আরবি ভাষায়)। দার আল-জামান।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|প্রথমাংশ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ড. আব্দুর রহিম, আল-হাজ্জি (২০০৫)। তারিখুল আন্দালুস আল-ইসলামি। দাম্মাম (সৌদি আরব): দার ইবনুল জাওযি।
- রহমান, ড. আতাউর (২০২৩)। ইতিহাসে ইসলাম: নবী থেকে খেলাফত। ঢাকা: ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
- ডেভিড, ফ্রমকিন (১৯৮৯)। অ্য পিচ টু ইন্ড অল পিচ: দ্য ফ্যাল অফ দ্য অটোমান অ্যাম্পায়ার (A Peace to End All Peace: The Fall of the Ottoman Empire)। আইএসবিএন ০-৮০৫০-০৮৫৭-৮।
- Harvey, Leonard Patrick (১৯৯২)। Islamic Spain, 1250 to 1500। Chicago: University of Chicago Press। আইএসবিএন ০-২২৬-৩১৯৬২-৮।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ User, Super। "Convert a date"। calendarhome.com। ২৫ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জানুয়ারি ২০২৬।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|শেষাংশ=প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য) - ↑ "تحويل التاريخ الهجري، الهجري إلى الميلادي, مُحوِّل التاريخ الإسلامي | الباحث الإسلامي"। IslamicFinder (আরবি ভাষায়)। ২০ মে ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "موقع تقويم أم القرى"। www.ummulqura.org.sa। ২০ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জানুয়ারি ২০২৬।